ঢাকা ০৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলাভেসকে সামনে পেয়ে জ্বলে উঠল বার্সেলোনা



ফটোকার্ড ডাউনলোড

মৌসুমের শুরুটা বার্সেলোনা দুর্দান্তই করেছিল। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১১ ম্যাচে করেছিল ৪৯ গোল। সেটা মুখ থুবড়ে পড়ে পিএসজির সামনে, প্যারিসে ৪-২ গোলের সেই হারের পর বার্সা রিয়াল মাদ্রিদের কাছেও হেরেছিল ২-১ গোলে। তবে আলাভেসকে সামনে পেয়ে বার্সেলোনা জ্বলে উঠেছে আবার। টানা দুই হারের গ্লানি ভুলেছে প্রতিপক্ষের জালে একে একে ৬ গোল জড়িয়ে, ৬-১ গোলের জয় নিয়ে আবারও জয়ে ফিরেছে দলটি।

ম্যাচের নায়ক ছিলেন তিনজন। রাফিনিয়া ও লামিন ইয়ামাল দুটি করে গোল করেছেন। ফের্মিন লোপেজ করেছেন একটি গোল, আর করিয়েছেন দুটি। শেষ দিকে বদলি নেমে এক গোল যোগ করেন অ্যান্টনি গর্ডন।

নিজেদের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে মাত্র আট মিনিটে এগিয়ে যায় বার্সা। পেদ্রির থ্রু বল ধরে ফের্মিন বাড়িয়ে দেন রাফিনিয়াকে। কাছ থেকে তিনি জোরালো শটে গোল করেন। ২৩ মিনিটে আসে দ্বিতীয় গোল। ইয়ামালের পাস থেকে দুরূহ কোণ থেকে বল জালে পাঠান ফের্মিন।

এর মাঝে আলাভেস ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিল। তবে সফরকারীরা সেসব সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। আবদে রেব্বাখ, আনহেল পেরেজ ও লুকাস বোইয়ে গোল করতে পারেননি।

৪১ মিনিটে রাফিনিয়া নিজের দ্বিতীয় গোল করেন। মাঝমাঠে বল কেড়ে নেন ফের্মিন। তিনি বল বাড়িয়ে দেন রাফিনিয়াকে। একা গোলরক্ষকের মুখোমুখি হয়ে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড সুন্দর কার্ল করা শটে গোল করেন।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে গোল পান ইয়ামাল। বক্সের কিনারা থেকে নিচু শটে তিনি বাঁ পাশের নিচের কোণে বল পাঠান।

বিরতির পরও বার্সা আধিপত্য করে। তবে পরের গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয় ৬৪ মিনিট পর্যন্ত। বেঞ্চ থেকে নামা গাব্রিয়েল জেসুস ইয়ামালকে বল বাড়ান। ইয়ামাল চিপ করে বল জালে পাঠান। বল লাইন পার হওয়ার পর অফসাইডের পতাকা ওঠে। কিন্তু ভিএআর দেখে গোল দেওয়া হয়।

৮১ মিনিটে গর্ডন বদলি নেমে গোল করেন। আলাভেসের আন্দের গেবারাকে গতিতে হারিয়ে তিনি পেছন দিয়ে ঢুকে পড়েন। এরপর সুন্দর চিপে গোলরক্ষক সিভেরাকে পরাস্ত করেন।

তিন মিনিট পরেই আলাভেস একটি গোল শোধ করে। রদ্রির ভুল ব্যাকপাস ধরে মারিয়ানো দিয়াজ জোয়ান গার্সিয়াকে পরাস্ত করেন। এতে বার্সা ক্লিন শিট রাখতে পারেনি।

এই জয় বার্সার কোচ হান্সি ফ্লিকের জন্য ছিল ‘স্পেশাল’। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে বার্সার কোচ হিসেবে এটি তার ১০০তম জয়। তিনি মাত্র ১৩০ ম্যাচে এই মাইলফলকে পৌঁছেছেন। তার চেয়ে কম ম্যাচে এটি করেছেন শুধু লুইস এনরিকে, ১২৬ ম্যাচে ছুঁয়েছেন এই মাইলফলক।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘গুলশানের চামেলি’ ছাড়ার গুঞ্জনে ক্ষুব্ধ মধুমিতা

আলাভেসকে সামনে পেয়ে জ্বলে উঠল বার্সেলোনা

আপডেট সময় : ১২:৪৭:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬


ফটোকার্ড ডাউনলোড

মৌসুমের শুরুটা বার্সেলোনা দুর্দান্তই করেছিল। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১১ ম্যাচে করেছিল ৪৯ গোল। সেটা মুখ থুবড়ে পড়ে পিএসজির সামনে, প্যারিসে ৪-২ গোলের সেই হারের পর বার্সা রিয়াল মাদ্রিদের কাছেও হেরেছিল ২-১ গোলে। তবে আলাভেসকে সামনে পেয়ে বার্সেলোনা জ্বলে উঠেছে আবার। টানা দুই হারের গ্লানি ভুলেছে প্রতিপক্ষের জালে একে একে ৬ গোল জড়িয়ে, ৬-১ গোলের জয় নিয়ে আবারও জয়ে ফিরেছে দলটি।

ম্যাচের নায়ক ছিলেন তিনজন। রাফিনিয়া ও লামিন ইয়ামাল দুটি করে গোল করেছেন। ফের্মিন লোপেজ করেছেন একটি গোল, আর করিয়েছেন দুটি। শেষ দিকে বদলি নেমে এক গোল যোগ করেন অ্যান্টনি গর্ডন।

নিজেদের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে মাত্র আট মিনিটে এগিয়ে যায় বার্সা। পেদ্রির থ্রু বল ধরে ফের্মিন বাড়িয়ে দেন রাফিনিয়াকে। কাছ থেকে তিনি জোরালো শটে গোল করেন। ২৩ মিনিটে আসে দ্বিতীয় গোল। ইয়ামালের পাস থেকে দুরূহ কোণ থেকে বল জালে পাঠান ফের্মিন।

এর মাঝে আলাভেস ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিল। তবে সফরকারীরা সেসব সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। আবদে রেব্বাখ, আনহেল পেরেজ ও লুকাস বোইয়ে গোল করতে পারেননি।

৪১ মিনিটে রাফিনিয়া নিজের দ্বিতীয় গোল করেন। মাঝমাঠে বল কেড়ে নেন ফের্মিন। তিনি বল বাড়িয়ে দেন রাফিনিয়াকে। একা গোলরক্ষকের মুখোমুখি হয়ে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড সুন্দর কার্ল করা শটে গোল করেন।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে গোল পান ইয়ামাল। বক্সের কিনারা থেকে নিচু শটে তিনি বাঁ পাশের নিচের কোণে বল পাঠান।

বিরতির পরও বার্সা আধিপত্য করে। তবে পরের গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয় ৬৪ মিনিট পর্যন্ত। বেঞ্চ থেকে নামা গাব্রিয়েল জেসুস ইয়ামালকে বল বাড়ান। ইয়ামাল চিপ করে বল জালে পাঠান। বল লাইন পার হওয়ার পর অফসাইডের পতাকা ওঠে। কিন্তু ভিএআর দেখে গোল দেওয়া হয়।

৮১ মিনিটে গর্ডন বদলি নেমে গোল করেন। আলাভেসের আন্দের গেবারাকে গতিতে হারিয়ে তিনি পেছন দিয়ে ঢুকে পড়েন। এরপর সুন্দর চিপে গোলরক্ষক সিভেরাকে পরাস্ত করেন।

তিন মিনিট পরেই আলাভেস একটি গোল শোধ করে। রদ্রির ভুল ব্যাকপাস ধরে মারিয়ানো দিয়াজ জোয়ান গার্সিয়াকে পরাস্ত করেন। এতে বার্সা ক্লিন শিট রাখতে পারেনি।

এই জয় বার্সার কোচ হান্সি ফ্লিকের জন্য ছিল ‘স্পেশাল’। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে বার্সার কোচ হিসেবে এটি তার ১০০তম জয়। তিনি মাত্র ১৩০ ম্যাচে এই মাইলফলকে পৌঁছেছেন। তার চেয়ে কম ম্যাচে এটি করেছেন শুধু লুইস এনরিকে, ১২৬ ম্যাচে ছুঁয়েছেন এই মাইলফলক।