মেলেনক্যাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, মাত্র চার মাসের সম্পর্ক হলেও কনলির সঙ্গে তার গভীর বন্ধন তৈরি হয়েছিল। দুজনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও পরিচয় হয়েছিল। ক্যান্সারের অভিজ্ঞতার পর নিজের জীবন ও পরিচয় নতুন করে বোঝার চেষ্টা করছেন তিনি। এই পরিবর্তনের মধ্যেই কনলিকে ভালোবাসতে চেয়েছিলেন।
সম্পর্কের শুরু থেকেই নিজের অনুভূতি পুরোপুরি প্রকাশ করতে পারেননি বলেও জানান মেলেনক্যাম্প। কনলিকে ভয় পাইয়ে দিতে চাননি তিনি। একপর্যায়ে কনলি তাদের সম্পর্কে কোনো কিছুর অভাব আছে কি না, তা জানতে চান। মেলেনক্যাম্প জানান, তিনি সম্পর্কে সুখী। তবে ভবিষ্যৎ নিয়ে কনলির প্রশ্ন চলতেই থাকে।
একপর্যায়ে মেলেনক্যাম্প জানতে চান, কনলি আসলে তাদের সম্পর্ক নিয়ে কী ভাবছেন। জবাবে কনলি জানান, মেলেনক্যাম্পকে তার ভালো লাগে, তাঁর সঙ্গে সময় কাটাতে ভালো লাগে এবং দুজনের মধ্যে আকর্ষণ ও বোঝাপড়াও রয়েছে। একসঙ্গে কাটানো সময়ও ছিল আনন্দের। কিন্তু ভবিষ্যতের কথা ভাবলে সেখানে মেলেনক্যাম্পকে দেখতে পান না তিনি।
কনলির এই কথায় ভেঙে পড়েন মেলেনক্যাম্প। একসময় তাকে নিজের জন্য সঠিক মানুষ বলে মনে হয়েছিল বলেও জানান তিনি। বিচ্ছেদের পর নিজের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন জেগেছে তার মনে। তার কথায়, কনলিই যেন কঠিন সময়ের মধ্যে তাকে নতুন করে বাঁচার অনুভূতি দিচ্ছিলেন।
এ সময় বন্ধুকে সান্ত্বনা দেন ক্যাটানিয়া। তিনি বলেন, কনলি একজন ভালো মানুষ হলেও মেলেনক্যাম্পের সঙ্গে ভালো আচরণ করতে পারেন—এমন একমাত্র পুরুষ তিনি নন। ভবিষ্যতে আরও কেউ তার প্রতি একই রকম যত্নশীল হতে পারেন।
























