উন্নত চিকিৎসাসেবা নিতে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার যুক্তরাজ্যে যাওয়ার কর্মসূচি আবারও বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এ নিয়ে তৃতীয় দফায় পেছাল সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর বিদেশযাত্রা। মূলত দুটি কারণে এই বিলম্ব- এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছাতে দেরি হওয়া এবং তাঁর বর্তমান শারীরিক পরিস্থিতি আকাশপথে ভ্রমণের অনুকূলে আছে কি না, তা নিয়ে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ।
জানতে চাইলে বিএনপির চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবি এম আব্দুস সাত্তার বলেন, “ম্যাডামের লন্ডন যাত্রা পিছিয়েছে। তিনি জানান, “ম্যাডামের যাত্রার সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। এখনই সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ ঘোষণা করা সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষায়িত বিমানটি ঢাকায় পৌঁছানোর পরপরই সুবিধাজনক সময়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হবে।”
বিএনপির চিকিৎসকদের একটি সূত্র জানিয়েছে, গত কয়েক দিন ধরে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা অপরিবর্তিত বা স্থিতিশীল রয়েছে। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের শিডিউল বিপর্যয়ের পাশাপাশি তিনি দীর্ঘ আকাশপথে ভ্রমণের ধকল সইতে পারবেন কি না, সেটিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। তাই চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাত্রার বিষয়টি কেবল পরিবহনের ওপর নয়, বরং তাঁর শারীরিক সক্ষমতার ওপরও নির্ভর করছে।
দলীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, কাতার সরকারের ব্যবস্থাপনায় যে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি খালেদা জিয়াকে বহন করার কথা, সেটি পূর্বে ৬ ডিসেম্বর ঢাকায় নামার শিডিউল ছিল। তবে সময়সূচি পুনর্নির্ধারণ করায় সেটি এখন ৯ ডিসেম্বর অবতরণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে পরদিন, অর্থাৎ ১০ ডিসেম্বর খালেদা জিয়াকে নিয়ে বিমানটি লন্ডনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।



























