ঢাকা ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাধারণ মানুষকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের আহ্বান ইরানের প্রেসিডেন্টের



ফটোকার্ড ডাউনলোড

যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে সাধারণ মানুষকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। গতকাল শনিবার (২৫ এপ্রিল) তিনি বলেন, এ মুহূর্তে তাদের বিদ্যুতের কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু অবরোধের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েল সাধারণ মানুষের মধ্যে ‘অস্বস্তি’ সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

সরকারি টিভিতে প্রচারিত এক বক্তব্যে তাকে বলতে শোনা গেছে, “আমি আমাদের প্রিয় জনগণকে আহ্বান জানাচ্ছি, একটি সাধারণ অনুরোধ, এ মুহূর্তে বিদ্যুৎ কম ব্যবহার ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় করুন।”

“আপাতত আপনাদের কোনো ত্যাগ স্বীকার করতে বলছি না আমরা। কিন্তু আমাদের বিদ্যুৎ খরচের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। বাড়িতে ১০টি বাতির বদলে দুটি বাতি জ্বালালে, এতে কি সমস্যা হবে?”

বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, গত কয়েকদিন রাজধানী তেহরানে কোনো লোডশেডিংয়ের ঘটনা ঘটেনি।

পেজেশকিয়ান তার বক্তব্যে আরও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালাতে চায়। বর্তমানে মানুষের মধ্যে যে স্বস্তি আছে সেটিকে তারা অস্বস্তিতে পরিণত করতে চায়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েকদিন আগে হুমকি দেন, ইরান যদি তাদের শর্ত অনুযায়ী চুক্তি না করে তাহলে দেশটির সব বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ব্রিজ ধ্বংস করে দেওয়া হবে।

বর্তমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে অবশ্য ইরানে লোডশেডিং হতো। বিশেষ করে শীতকাল এবং গ্রীষ্মকালে এটির মাত্রা বাড়ত।

আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ইরান তাদের পাঁচভাগের চারভাগ বিদ্যুৎ উৎপাদন করে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে। দেশটিতে বিপুল পরিমাণ গ্যাস রয়েছে।

এছাড়া পুরোনো কেন্দ্রগুলোতে মাজউত নামে একটি তেল ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বন্দরে ‘বাংলাদেশ সনাতন সংঘ’র গীতা দান

সাধারণ মানুষকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের আহ্বান ইরানের প্রেসিডেন্টের

আপডেট সময় : ০২:৫৯:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬


ফটোকার্ড ডাউনলোড

যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে সাধারণ মানুষকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। গতকাল শনিবার (২৫ এপ্রিল) তিনি বলেন, এ মুহূর্তে তাদের বিদ্যুতের কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু অবরোধের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েল সাধারণ মানুষের মধ্যে ‘অস্বস্তি’ সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

সরকারি টিভিতে প্রচারিত এক বক্তব্যে তাকে বলতে শোনা গেছে, “আমি আমাদের প্রিয় জনগণকে আহ্বান জানাচ্ছি, একটি সাধারণ অনুরোধ, এ মুহূর্তে বিদ্যুৎ কম ব্যবহার ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় করুন।”

“আপাতত আপনাদের কোনো ত্যাগ স্বীকার করতে বলছি না আমরা। কিন্তু আমাদের বিদ্যুৎ খরচের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। বাড়িতে ১০টি বাতির বদলে দুটি বাতি জ্বালালে, এতে কি সমস্যা হবে?”

বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, গত কয়েকদিন রাজধানী তেহরানে কোনো লোডশেডিংয়ের ঘটনা ঘটেনি।

পেজেশকিয়ান তার বক্তব্যে আরও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালাতে চায়। বর্তমানে মানুষের মধ্যে যে স্বস্তি আছে সেটিকে তারা অস্বস্তিতে পরিণত করতে চায়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েকদিন আগে হুমকি দেন, ইরান যদি তাদের শর্ত অনুযায়ী চুক্তি না করে তাহলে দেশটির সব বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ব্রিজ ধ্বংস করে দেওয়া হবে।

বর্তমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে অবশ্য ইরানে লোডশেডিং হতো। বিশেষ করে শীতকাল এবং গ্রীষ্মকালে এটির মাত্রা বাড়ত।

আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ইরান তাদের পাঁচভাগের চারভাগ বিদ্যুৎ উৎপাদন করে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে। দেশটিতে বিপুল পরিমাণ গ্যাস রয়েছে।

এছাড়া পুরোনো কেন্দ্রগুলোতে মাজউত নামে একটি তেল ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।