ঢাকা ১০:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধামরাইয়ে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে কিশোরের প্রাণহানি

ধামরাইয়ে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে কিশোরের প্রাণহানি

ঢাকার ধামরাইয়ে বন্ধুদের সাথে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে রাশেদুল ইসলাম (১৭) নামের এক কিশোরের নির্মম মৃত্যু হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

গতকাল বিকেলে উপজেলার গাঁওতারা এলাকার একটি খেলার মাঠে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত রাশেদুল ওই এলাকার আক্কাছ আলীর ছোট ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পেশায় রাজমিস্ত্রী রাশেদুল সারাদিনের কাজ শেষে বিকেলে গাঁওতারা মাঠে বন্ধুদের সাথে ফুটবল খেলছিল। খেলা চলাকালীন আচমকা বজ্রপাত হলে সে গুরুতর আহত হয়।

দুর্ঘটনার পরপরই উপস্থিত এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কাওয়ালীপাড়ার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরতরা তাকে সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। পরে সাটুরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা রাশেদুলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিন ভাই-বোনের মধ্যে রাশেদুল ছিল মেজ। সে রাজমিস্ত্রীর কাজ করে পরিবারে হাল ধরেছিল। তার এই অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও পুরো এলাকায় স্তব্ধতা নেমে এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ধামরাইয়ে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে কিশোরের প্রাণহানি

আপডেট সময় : ০২:২৯:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

ঢাকার ধামরাইয়ে বন্ধুদের সাথে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে রাশেদুল ইসলাম (১৭) নামের এক কিশোরের নির্মম মৃত্যু হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

গতকাল বিকেলে উপজেলার গাঁওতারা এলাকার একটি খেলার মাঠে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত রাশেদুল ওই এলাকার আক্কাছ আলীর ছোট ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পেশায় রাজমিস্ত্রী রাশেদুল সারাদিনের কাজ শেষে বিকেলে গাঁওতারা মাঠে বন্ধুদের সাথে ফুটবল খেলছিল। খেলা চলাকালীন আচমকা বজ্রপাত হলে সে গুরুতর আহত হয়।

দুর্ঘটনার পরপরই উপস্থিত এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কাওয়ালীপাড়ার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরতরা তাকে সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। পরে সাটুরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা রাশেদুলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিন ভাই-বোনের মধ্যে রাশেদুল ছিল মেজ। সে রাজমিস্ত্রীর কাজ করে পরিবারে হাল ধরেছিল। তার এই অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও পুরো এলাকায় স্তব্ধতা নেমে এসেছে।