ঢাকা ০১:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক জোরদারে জনগণের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক জোরদারে জনগণের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান

বাংলাদেশ ও ভারতের সার্বিক উন্নয়ন এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক জোরদারে দুই দেশের জনগণের স্বার্থকে প্রধান প্রাধান্য দিতে হবে। মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সাথে বৈঠক শেষে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী এই বক্তব্য দেন। একই সাথে তিনি অতীতে আটকে না থেকে ভবিষ্যতের দিকে একযোগে এগিয়ে যাওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক চ্যালেঞ্জ

দীনেশ ত্রিবেদী স্পষ্ট জানান, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে ভারতের কোনো বক্তব্য থাকা উচিত নয়। কারণ নির্বাচিত সরকার এবং সাধারণ জনগণ যা ভালো মনে করবেন, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া প্রতিবেশী হিসেবে দুই দেশেরই উচিত একে অপরের গণতান্ত্রিক চ্যালেঞ্জগুলো ভালোভাবে বোঝা।

সমমর্যাদা ও মুক্ত বাণিজ্য প্রসারের ওপর জোর

দুই দেশের ভৌগোলিক সীমানা যৌথ হলেও কোনো দেশ বড় বা ছোট নয়। ফলে সমমর্যাদার ভিত্তিতে দুই দেশের দায়িত্ব অনেক বেড়ে যায়। তাই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও মজবুত করতে এবং পারস্পরিক নির্ভরশীলতা বাড়াতে মুক্ত বাণিজ্যের সুযোগ তৈরি করা জরুরি।

অতীত ভুলে না গিয়ে ভবিষ্যতের প্রস্তুতি

অতীতে আটকে থাকলে আসল উন্নয়ন ব্যাহত হতে পারে। ফলে অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে উভয় দেশকে নতুন দিনের দিকে নজর দিতে হবে। শেষভাগে এলজিআরডি মন্ত্রীর অভিজ্ঞতার প্রশংসা করার পাশাপাশি বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভকামনা জানান ভারতীয় হাইকমিশনার।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক জোরদারে জনগণের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান

আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ ও ভারতের সার্বিক উন্নয়ন এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক জোরদারে দুই দেশের জনগণের স্বার্থকে প্রধান প্রাধান্য দিতে হবে। মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সাথে বৈঠক শেষে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী এই বক্তব্য দেন। একই সাথে তিনি অতীতে আটকে না থেকে ভবিষ্যতের দিকে একযোগে এগিয়ে যাওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক চ্যালেঞ্জ

দীনেশ ত্রিবেদী স্পষ্ট জানান, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে ভারতের কোনো বক্তব্য থাকা উচিত নয়। কারণ নির্বাচিত সরকার এবং সাধারণ জনগণ যা ভালো মনে করবেন, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া প্রতিবেশী হিসেবে দুই দেশেরই উচিত একে অপরের গণতান্ত্রিক চ্যালেঞ্জগুলো ভালোভাবে বোঝা।

সমমর্যাদা ও মুক্ত বাণিজ্য প্রসারের ওপর জোর

দুই দেশের ভৌগোলিক সীমানা যৌথ হলেও কোনো দেশ বড় বা ছোট নয়। ফলে সমমর্যাদার ভিত্তিতে দুই দেশের দায়িত্ব অনেক বেড়ে যায়। তাই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও মজবুত করতে এবং পারস্পরিক নির্ভরশীলতা বাড়াতে মুক্ত বাণিজ্যের সুযোগ তৈরি করা জরুরি।

অতীত ভুলে না গিয়ে ভবিষ্যতের প্রস্তুতি

অতীতে আটকে থাকলে আসল উন্নয়ন ব্যাহত হতে পারে। ফলে অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে উভয় দেশকে নতুন দিনের দিকে নজর দিতে হবে। শেষভাগে এলজিআরডি মন্ত্রীর অভিজ্ঞতার প্রশংসা করার পাশাপাশি বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভকামনা জানান ভারতীয় হাইকমিশনার।