ঢাকা ১২:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ

অনলাইন ডেস্ক: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, যুদ্ধ ও বাণিজ্যিক অস্থিরতার কারণে বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে। গত আগস্টে খাদ্যপণ্যের আন্তর্জাতিক মূল্যসূচক বেড়ে ২০২২ সালের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগস্টে এফএওর খাদ্যপণ্যের মূল্যসূচক ১৩৩ দশমিক ৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। জুলাইয়ে সংশোধিত এই সূচক ছিল ১৩০ দশমিক ৮ পয়েন্ট। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে খাদ্যপণ্যের আন্তর্জাতিক দাম বেড়েছে।
এফএওর প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরেরো এক বিবৃতিতে বলেন, খাদ্যপণ্যের এই মূল্যবৃদ্ধি বাজারে ঝুঁকি ফিরে আসার সতর্কসংকেত। জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বাণিজ্য ও পরিবহনব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার কারণে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা বাড়ছে।
এফএওর হিসাবে, আগস্টে খাদ্যশস্যের মূল্যসূচক আগের মাসের তুলনায় ২ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। এতে সূচকটি ২০২৪ সালের মে মাসের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
চিনির মূল্যসূচকও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আগস্টে এটি ১১ দশমিক ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৫ সালের জুনের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।এদিকে পৃথক এক প্রতিবেদনে এফএও জানিয়েছে, ২০২৬ সালে বিশ্বে মোট শস্য উৎপাদনের পূর্বাভাস জুলাইয়ের হিসাবের চেয়ে ৩ দশমিক ৪ মিলিয়ন মেট্রিক টন কমিয়ে ২ দশমিক ৯৮০ বিলিয়ন টন করা হয়েছে। নতুন এই পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫ সালের তুলনায় চলতি বছর বৈশ্বিক শস্য উৎপাদন ২ শতাংশ কমতে পারে।এফএও বলছে, এই পতন ২০১৮ সালের পর বার্ষিক উৎপাদনে সবচেয়ে বড় কমার ঘটনা হতে পারে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে শস্য সরবরাহে বিঘ্ন এবং ইরানকে ঘিরে সংঘাতের কারণে সারের সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়াও বৈশ্বিক খাদ্যবাজারের জন্য নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ

আপডেট সময় : ০৯:৪৯:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, যুদ্ধ ও বাণিজ্যিক অস্থিরতার কারণে বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে। গত আগস্টে খাদ্যপণ্যের আন্তর্জাতিক মূল্যসূচক বেড়ে ২০২২ সালের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগস্টে এফএওর খাদ্যপণ্যের মূল্যসূচক ১৩৩ দশমিক ৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। জুলাইয়ে সংশোধিত এই সূচক ছিল ১৩০ দশমিক ৮ পয়েন্ট। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে খাদ্যপণ্যের আন্তর্জাতিক দাম বেড়েছে।
এফএওর প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরেরো এক বিবৃতিতে বলেন, খাদ্যপণ্যের এই মূল্যবৃদ্ধি বাজারে ঝুঁকি ফিরে আসার সতর্কসংকেত। জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বাণিজ্য ও পরিবহনব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার কারণে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা বাড়ছে।
এফএওর হিসাবে, আগস্টে খাদ্যশস্যের মূল্যসূচক আগের মাসের তুলনায় ২ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। এতে সূচকটি ২০২৪ সালের মে মাসের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
চিনির মূল্যসূচকও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আগস্টে এটি ১১ দশমিক ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৫ সালের জুনের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।এদিকে পৃথক এক প্রতিবেদনে এফএও জানিয়েছে, ২০২৬ সালে বিশ্বে মোট শস্য উৎপাদনের পূর্বাভাস জুলাইয়ের হিসাবের চেয়ে ৩ দশমিক ৪ মিলিয়ন মেট্রিক টন কমিয়ে ২ দশমিক ৯৮০ বিলিয়ন টন করা হয়েছে। নতুন এই পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫ সালের তুলনায় চলতি বছর বৈশ্বিক শস্য উৎপাদন ২ শতাংশ কমতে পারে।এফএও বলছে, এই পতন ২০১৮ সালের পর বার্ষিক উৎপাদনে সবচেয়ে বড় কমার ঘটনা হতে পারে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে শস্য সরবরাহে বিঘ্ন এবং ইরানকে ঘিরে সংঘাতের কারণে সারের সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়াও বৈশ্বিক খাদ্যবাজারের জন্য নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে।