ব্যাংক ঋণের বিপরীতের জামানত মূল্যায়নে ১৩১টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে তফসিলি ব্যাংকগুলো এই তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে বন্ধকী সম্পত্তি মূল্যায়ন করতে পারবে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ বিষয়ে একটি নতুন সার্কুলার জারি করা হয়।
প্রতিষ্ঠানগুলোর বিন্যাস ও নীতিমালা
প্রতিনিয়ত মূল্যায়নের সততা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সার্কুলার অনুযায়ী, ২০২৩ সালের নীতিমালার ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই করে এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
মোট ১৩১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯৮টি প্রতিষ্ঠানকে রাখা হয়েছে ‘ক’ গ্রুপে। এছাড়া বাকি ৩৩টি প্রতিষ্ঠান ঠাঁই পেয়েছে ‘খ’ গ্রুপে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে এখন থেকে গ্রাহকদের ঋণের বিপরীতে দেওয়া জামানতের সঠিক মূল্য নির্ধারণ করা হবে। ফলে ব্যাংক ঋণের জামানত মূল্যায়ন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও নির্ভুল হবে। এর পাশাপাশি জামানত সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য নিয়মও ব্যাংকগুলোকে মেনে চলতে হবে।
শর্তাবলী ও মেয়াদকাল
তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুমোদনের মেয়াদ হবে তিন বছর। তাই মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত ছয় মাস আগে পুনরায় আবেদনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে নীতিমালার শর্ত ভাঙলে তিন বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই যেকোনো প্রতিষ্ঠানকে তালিকা থেকে বাদ দিতে পারবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর পাশাপাশি প্রতি বছর ১৫ জানুয়ারির মধ্যে সব প্রতিষ্ঠানকে তাদের বার্ষিক প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ২৯(ক) ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে এই সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে এই নতুন নির্দেশনাবলী জারির পর থেকেই সারাদেশে কার্যকর হয়েছে।























