ঢাকা ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সায়হাম টেক্সটাইলের শেয়ার কারসাজি তদন্তে বিএসইসি

সায়হাম টেক্সটাইলের শেয়ার কারসাজি তদন্তে বিএসইসি



ফটোকার্ড ডাউনলোড

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সায়হাম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের শেয়ারের অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি। পাশাপাশি কোম্পানিটির সন্দেহজনক লেনদেনের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিএসইসির সার্ভিল্যান্স বিভাগ থেকে ডিএসইকে এই সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়। ফলে আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে হবে ডিএসইকে।

শেয়ারের অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি

ডিএসইর বাজারতথ্য অনুযায়ী, গত ৮ জুন সায়হাম টেক্সটাইলের শেয়ারের দাম ছিল ১৭ টাকা ৮০ পয়সা। কিন্তু ২ সেপ্টেম্বর শেয়ারটির দর বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮ টাকা ২০ পয়সায়।

অতএব, মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ১১৪ দশমিক ৬১ শতাংশ বা ২০ টাকা ৪০ পয়সা বাড়ে। তবে পরবর্তীতে শেয়ারটির দাম কিছুটা কমেছে।

তদন্তের মূল ক্ষেত্রসমূহ

বিএসইসির মুখপাত্র আবুল কালাম জানান, শেয়ারটির লেনদেনে অনিয়ম দেখতে পেয়েই এই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত বাজারে কোনো কারসাজি বা ইনসাইডার ট্রেডিং হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হবে।

এ ছাড়া শেয়ারের পেছনে অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্যের ব্যবহার ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখবে ডিএসই। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারী ও ব্রোকারেজ হাউসের ভূমিকা পরীক্ষা করা হবে।

ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধিদের দায়

তদন্তে স্টক ব্রোকার ও ডিলারদের মার্জিন আইনের নিয়মকানুন মানার বিষয়টি প্রাধান্য পাবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মধ্যস্থতাকারীদের কোনো ধরনের ব্যর্থতা ছিল কি না, তা বের করা হবে।

চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সিকিউরিটিজ আইনের অন্যান্য লঙ্ঘনগুলো তুলে ধরার নির্দেশনা রয়েছে। তবে অনিয়ম প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেবে বিএসইসি।

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

সায়হাম টেক্সটাইলের শেয়ার কারসাজি তদন্তে বিএসইসি

আপডেট সময় : ১২:০৪:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ফটোকার্ড ডাউনলোড

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সায়হাম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের শেয়ারের অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি। পাশাপাশি কোম্পানিটির সন্দেহজনক লেনদেনের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিএসইসির সার্ভিল্যান্স বিভাগ থেকে ডিএসইকে এই সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়। ফলে আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে হবে ডিএসইকে।

শেয়ারের অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি

ডিএসইর বাজারতথ্য অনুযায়ী, গত ৮ জুন সায়হাম টেক্সটাইলের শেয়ারের দাম ছিল ১৭ টাকা ৮০ পয়সা। কিন্তু ২ সেপ্টেম্বর শেয়ারটির দর বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮ টাকা ২০ পয়সায়।

অতএব, মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ১১৪ দশমিক ৬১ শতাংশ বা ২০ টাকা ৪০ পয়সা বাড়ে। তবে পরবর্তীতে শেয়ারটির দাম কিছুটা কমেছে।

তদন্তের মূল ক্ষেত্রসমূহ

বিএসইসির মুখপাত্র আবুল কালাম জানান, শেয়ারটির লেনদেনে অনিয়ম দেখতে পেয়েই এই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত বাজারে কোনো কারসাজি বা ইনসাইডার ট্রেডিং হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হবে।

এ ছাড়া শেয়ারের পেছনে অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্যের ব্যবহার ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখবে ডিএসই। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারী ও ব্রোকারেজ হাউসের ভূমিকা পরীক্ষা করা হবে।

ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধিদের দায়

তদন্তে স্টক ব্রোকার ও ডিলারদের মার্জিন আইনের নিয়মকানুন মানার বিষয়টি প্রাধান্য পাবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মধ্যস্থতাকারীদের কোনো ধরনের ব্যর্থতা ছিল কি না, তা বের করা হবে।

চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সিকিউরিটিজ আইনের অন্যান্য লঙ্ঘনগুলো তুলে ধরার নির্দেশনা রয়েছে। তবে অনিয়ম প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেবে বিএসইসি।