ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোট পরবর্তী সহিংসতা : পশ্চিমবঙ্গে এ পর্যন্ত নিহত ৪, গ্রেপ্তার ৪ শতাধিক

ভোট পরবর্তী সহিংসতা : পশ্চিমবঙ্গে এ পর্যন্ত নিহত ৪, গ্রেপ্তার ৪ শতাধিক



ফটোকার্ড ডাউনলোড

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৪ জন; আর সহিংসতায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে এ পর্যন্ত কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪৩৩ জনকে। গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের মহাপরিচালক (ডিজিপি) সিদ্ধনাথ গুপ্ত।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, “পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় এ পর্যন্ত ৪ জন নিহত হয়েছেন। রাজ্যজুড়ে ২ শতাধিক মামলা হয়েছে এবং এসব মামলার আসামি হিসেবে এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪৩৩ জনকে। আসামিদের গ্রেপ্তারে আমাদের তৎপরতা অব্যাহত আছে।”

গত ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয় পশ্চিমবঙ্গে, ৪ মে সোমবার ভোটের ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। সেই দিন, অর্থাৎ সোমবার রাত থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসতে শুরু করে সহিংসতার খবর।

ভোটের ফল প্রকাশের পর রাত থেকেই কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর শুরু করে বিজেপি সমর্থকরা, হামলা শুরু হয় তৃণমূল কর্মীদের ওপরও। আবার রাজ্যের অনেক এলাকায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের ওপরও চড়াও হয়েছে তৃণমূল। সেই উত্তেজনার রেশ এখনও চলছে।

এ পর্যন্ত যারা নিহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি— উভয় দলের সমর্থকরা আছেন। সহিংসতার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি উভেয়েই পরস্পরকে দোষারোপ করছে।

গতকাল আততায়ীর হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সচিব চন্দ্রনাথ রথ। চন্দ্রনাথ নিহত হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির নেতারা বলছেন, তৃণমূল ‘পলিকল্পিত গুপ্তহত্যা’ চালাচ্ছে।

অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ সহিংসতার জন্য দায়ী বিজেপি সমর্থিত দুষ্কৃতিকারীরা।

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

ভোট পরবর্তী সহিংসতা : পশ্চিমবঙ্গে এ পর্যন্ত নিহত ৪, গ্রেপ্তার ৪ শতাধিক

আপডেট সময় : ০৩:০১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬


ফটোকার্ড ডাউনলোড

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৪ জন; আর সহিংসতায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে এ পর্যন্ত কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪৩৩ জনকে। গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের মহাপরিচালক (ডিজিপি) সিদ্ধনাথ গুপ্ত।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, “পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় এ পর্যন্ত ৪ জন নিহত হয়েছেন। রাজ্যজুড়ে ২ শতাধিক মামলা হয়েছে এবং এসব মামলার আসামি হিসেবে এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪৩৩ জনকে। আসামিদের গ্রেপ্তারে আমাদের তৎপরতা অব্যাহত আছে।”

গত ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয় পশ্চিমবঙ্গে, ৪ মে সোমবার ভোটের ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। সেই দিন, অর্থাৎ সোমবার রাত থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসতে শুরু করে সহিংসতার খবর।

ভোটের ফল প্রকাশের পর রাত থেকেই কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর শুরু করে বিজেপি সমর্থকরা, হামলা শুরু হয় তৃণমূল কর্মীদের ওপরও। আবার রাজ্যের অনেক এলাকায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের ওপরও চড়াও হয়েছে তৃণমূল। সেই উত্তেজনার রেশ এখনও চলছে।

এ পর্যন্ত যারা নিহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি— উভয় দলের সমর্থকরা আছেন। সহিংসতার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি উভেয়েই পরস্পরকে দোষারোপ করছে।

গতকাল আততায়ীর হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সচিব চন্দ্রনাথ রথ। চন্দ্রনাথ নিহত হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির নেতারা বলছেন, তৃণমূল ‘পলিকল্পিত গুপ্তহত্যা’ চালাচ্ছে।

অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ সহিংসতার জন্য দায়ী বিজেপি সমর্থিত দুষ্কৃতিকারীরা।