ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানে হামলার কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবছেন ট্রাম্প: আলোচনায় অচলাবস্থা

ইরানে হামলার কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবছেন ট্রাম্প: আলোচনায় অচলাবস্থা

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনায় কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তেহরানের ওপর সামরিক হামলার বিষয়টি আবারও জোরালোভাবে বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘ আলোচনার পরও কোনো সমাধান না আসায় এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় মার্কিন প্রশাসন এখন কঠোর পদক্ষেপের দিকে ঝুঁকছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় বর্তমানে ট্রাম্পকে হামলার বিষয়ে অনেক বেশি গম্ভীর ও সিরিয়াস দেখা যাচ্ছে।

সূত্রমতে, ইরানের আলোচনা প্রক্রিয়ায় ডোনাল্ড ট্রাম্প চরম হতাশ। বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার বিষয়টি তাকে অধৈর্য করে তুলেছে। ট্রাম্পের ধারণা, ইরানি নেতাদের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের কারণেই তারা পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারছে না।

এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের (পেন্টাগন) ভেতরেও এ নিয়ে দ্বিমত দেখা দিয়েছে:

  • হামলার পক্ষপাতি: কর্মকর্তাদের একটি অংশ মনে করেন, হামলা চালালে ইরান দুর্বল হয়ে পড়বে এবং শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে বসতে বাধ্য হবে।

  • কূটনীতির পক্ষপাতি: অন্য একটি অংশ মনে করেন, এখনই শক্তি প্রয়োগ না করে কূটনীতিকে আরও কিছুটা সময় দেওয়া উচিত।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের একাংশ সংশয় প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, ট্রাম্পের অসন্তুষ্টির বার্তা পাকিস্তান সঠিকভাবে তেহরানের কাছে পৌঁছাচ্ছে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে যে, ইরান সম্পর্কে ইতিবাচক তথ্যগুলোই কেবল যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তুলে ধরা হচ্ছে, যার সঙ্গে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার তেমন মিল নেই।

মধ্যপ্রাচ্যের এক কর্মকর্তার দাবি অনুযায়ী, পাকিস্তানসহ আঞ্চলিক দেশগুলো ইরানকে স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে ট্রাম্প বর্তমান পরিস্থিতিতে সন্তুষ্ট নন। দেশটিকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, এটিই সম্ভবত কূটনীতির শেষ সুযোগ। তবে এসব সতর্কবার্তায় ইরান এখন পর্যন্ত তেমন কোনো গুরুত্ব দিচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালির এই অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

পাকিস্তানের বিপক্ষে ‘হ্যাটট্রিক’ টেস্ট জয় বাংলাদেশের

ইরানে হামলার কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবছেন ট্রাম্প: আলোচনায় অচলাবস্থা

আপডেট সময় : ০২:৩৪:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনায় কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তেহরানের ওপর সামরিক হামলার বিষয়টি আবারও জোরালোভাবে বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘ আলোচনার পরও কোনো সমাধান না আসায় এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় মার্কিন প্রশাসন এখন কঠোর পদক্ষেপের দিকে ঝুঁকছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় বর্তমানে ট্রাম্পকে হামলার বিষয়ে অনেক বেশি গম্ভীর ও সিরিয়াস দেখা যাচ্ছে।

সূত্রমতে, ইরানের আলোচনা প্রক্রিয়ায় ডোনাল্ড ট্রাম্প চরম হতাশ। বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার বিষয়টি তাকে অধৈর্য করে তুলেছে। ট্রাম্পের ধারণা, ইরানি নেতাদের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের কারণেই তারা পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারছে না।

এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের (পেন্টাগন) ভেতরেও এ নিয়ে দ্বিমত দেখা দিয়েছে:

  • হামলার পক্ষপাতি: কর্মকর্তাদের একটি অংশ মনে করেন, হামলা চালালে ইরান দুর্বল হয়ে পড়বে এবং শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে বসতে বাধ্য হবে।

  • কূটনীতির পক্ষপাতি: অন্য একটি অংশ মনে করেন, এখনই শক্তি প্রয়োগ না করে কূটনীতিকে আরও কিছুটা সময় দেওয়া উচিত।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের একাংশ সংশয় প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, ট্রাম্পের অসন্তুষ্টির বার্তা পাকিস্তান সঠিকভাবে তেহরানের কাছে পৌঁছাচ্ছে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে যে, ইরান সম্পর্কে ইতিবাচক তথ্যগুলোই কেবল যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তুলে ধরা হচ্ছে, যার সঙ্গে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার তেমন মিল নেই।

মধ্যপ্রাচ্যের এক কর্মকর্তার দাবি অনুযায়ী, পাকিস্তানসহ আঞ্চলিক দেশগুলো ইরানকে স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে ট্রাম্প বর্তমান পরিস্থিতিতে সন্তুষ্ট নন। দেশটিকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, এটিই সম্ভবত কূটনীতির শেষ সুযোগ। তবে এসব সতর্কবার্তায় ইরান এখন পর্যন্ত তেমন কোনো গুরুত্ব দিচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালির এই অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।