ঢাকা ০২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অনলাইন জুয়া রোধে বাংলাদেশ ব্যাংক-সিআইডি-বিকাশের যৌথ ক্যাম্পেইন

অনলাইন জুয়া রোধে বাংলাদেশ ব্যাংক-সিআইডি-বিকাশের যৌথ ক্যাম্পেইন

দেশে অনলাইন জুয়ার বিস্তার ঠেকাতে একসঙ্গে মাঠে নেমেছে তিনটি প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ ব্যাংক, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এবং মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা বিকাশ যৌথভাবে এই সচেতনতামূলক উদ্যোগ চালু করেছে। মূল লক্ষ্য সমাজের সব বয়সের মানুষ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে সতর্ক করা।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকাশের করপোরেট কমিউনিকেশনস বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিটি পাঠান প্রতিষ্ঠানের জনসংযোগ ও গণমাধ্যম সম্পর্ক শাখার সহকারী ব্যবস্থাপক মো. সেজানুর রহমান।

উদ্যোগের অংশ হিসেবে বিশেষ বিজ্ঞাপন তৈরি করা হয়েছে। এসব বিজ্ঞাপনে অনলাইন জুয়ার সামাজিক ও আর্থিক ক্ষতির দিকগুলো তুলে ধরা হয়েছে।

পাশাপাশি আইনি বিধান নিয়েও স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হচ্ছে। বিজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, জুয়া-সংক্রান্ত অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। এছাড়া এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা এবং বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের বিধানও রয়েছে।

এই সচেতনতামূলক বার্তা টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন গণমাধ্যমে অনলাইন জুয়ার ক্ষতিকর দিক নিয়ে প্রতিবেদনও প্রকাশ করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এই সমন্বিত উদ্যোগ দুটি কাজ করছে। প্রথমত, এটি জনসচেতনতা বাড়াচ্ছে। দ্বিতীয়ত, এটি জুয়ার সঙ্গে জড়িতদের প্রতি কঠোর বার্তা দিচ্ছে।

বিকাশের চিফ এক্সটার্নাল অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মেজর জেনারেল শেখ মো. মনিরুল ইসলাম (অব.) বলেন, নিরাপদ আর্থিক লেনদেন নিশ্চিত করাই এই ক্যাম্পেইনের মূল লক্ষ্য। তিনি জানান, এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম সারা বছর চলে এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

অন্যদিকে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বলেন, প্রযুক্তির প্রসারের সঙ্গে অনলাইন জুয়ার প্রবণতাও বাড়ছে। অনেকে মনে করেন অনলাইনে জুয়া খেললে তা ধরা পড়ে না। কিন্তু বাস্তবে ডিজিটাল কার্যক্রমের প্রমাণ থেকেই যায়। তাই আইনের কঠোর বিধান সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতেই এই যৌথ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

অনলাইন জুয়া রোধে বাংলাদেশ ব্যাংক-সিআইডি-বিকাশের যৌথ ক্যাম্পেইন

অনলাইন জুয়া রোধে বাংলাদেশ ব্যাংক-সিআইডি-বিকাশের যৌথ ক্যাম্পেইন

আপডেট সময় : ০১:৪৫:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

দেশে অনলাইন জুয়ার বিস্তার ঠেকাতে একসঙ্গে মাঠে নেমেছে তিনটি প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ ব্যাংক, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এবং মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা বিকাশ যৌথভাবে এই সচেতনতামূলক উদ্যোগ চালু করেছে। মূল লক্ষ্য সমাজের সব বয়সের মানুষ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে সতর্ক করা।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকাশের করপোরেট কমিউনিকেশনস বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিটি পাঠান প্রতিষ্ঠানের জনসংযোগ ও গণমাধ্যম সম্পর্ক শাখার সহকারী ব্যবস্থাপক মো. সেজানুর রহমান।

উদ্যোগের অংশ হিসেবে বিশেষ বিজ্ঞাপন তৈরি করা হয়েছে। এসব বিজ্ঞাপনে অনলাইন জুয়ার সামাজিক ও আর্থিক ক্ষতির দিকগুলো তুলে ধরা হয়েছে।

পাশাপাশি আইনি বিধান নিয়েও স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হচ্ছে। বিজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, জুয়া-সংক্রান্ত অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। এছাড়া এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা এবং বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের বিধানও রয়েছে।

এই সচেতনতামূলক বার্তা টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন গণমাধ্যমে অনলাইন জুয়ার ক্ষতিকর দিক নিয়ে প্রতিবেদনও প্রকাশ করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এই সমন্বিত উদ্যোগ দুটি কাজ করছে। প্রথমত, এটি জনসচেতনতা বাড়াচ্ছে। দ্বিতীয়ত, এটি জুয়ার সঙ্গে জড়িতদের প্রতি কঠোর বার্তা দিচ্ছে।

বিকাশের চিফ এক্সটার্নাল অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মেজর জেনারেল শেখ মো. মনিরুল ইসলাম (অব.) বলেন, নিরাপদ আর্থিক লেনদেন নিশ্চিত করাই এই ক্যাম্পেইনের মূল লক্ষ্য। তিনি জানান, এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম সারা বছর চলে এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

অন্যদিকে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বলেন, প্রযুক্তির প্রসারের সঙ্গে অনলাইন জুয়ার প্রবণতাও বাড়ছে। অনেকে মনে করেন অনলাইনে জুয়া খেললে তা ধরা পড়ে না। কিন্তু বাস্তবে ডিজিটাল কার্যক্রমের প্রমাণ থেকেই যায়। তাই আইনের কঠোর বিধান সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতেই এই যৌথ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।