ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্দরে ছিনতাইয়ে যুবক নিহত: মামলার প্রধান আসামি তাফসীর গ্রেফতার

বন্দরে ছিনতাইয়ে যুবক নিহত: মামলার প্রধান আসামি তাফসীর গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ছিনতাইয়ে যুবক নিহত হওয়ার মামলায় অন্যতম আসামি তাফসীর (২৩)-কে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-১১। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বন্দর এলাকার একটি ফিলিং স্টেশন থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক তাফসীর আলীনগর গ্রামের শফি উদ্দিনের ছেলে।

ঘটনার পটভূমি ও হামলা

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ২৮ জুন সন্ধ্যায় আলীনগর এলাকায় আকরাম সাহেবের লবণ ফ্যাক্টরির সামনে টুটুল (২৮) নামের এক যুবক ছিনতাইয়ের শিকার হন। সে সময় তাফসীরসহ কয়েকজন দূর্বৃত্ত অস্ত্রের মুখে তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। এরপর তাকে অমানুষিক মারধর করা হয় এবং বুকের মাঝখানে চাকু দিয়ে গুরুতর আঘাত করা হয়। এছাড়া দূর্বৃত্তরা তার কাছ থেকে নগদ ১২ হাজার ৫০০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ও আইনি পদক্ষেপ

পরবর্তীতে স্থানীয়রা গুরুতর আহত টুটুলকে উদ্ধার করে প্রথমে বন্দর উপজেলা হাসপাতালে নেন। কিন্তু তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবশেষে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ আগস্ট রাতে টুটুল মৃত্যুবরণ করেন।

এই ঘটনার পর নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে বন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ফলে এসআরবি-১১ তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি তাফসীরকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে বন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে সংস্থাটি।

বন্দরে ছিনতাইয়ে যুবক নিহত: মামলার প্রধান আসামি তাফসীর গ্রেফতার

বন্দরে ছিনতাইয়ে যুবক নিহত: মামলার প্রধান আসামি তাফসীর গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০১:১৩:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ছিনতাইয়ে যুবক নিহত হওয়ার মামলায় অন্যতম আসামি তাফসীর (২৩)-কে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-১১। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বন্দর এলাকার একটি ফিলিং স্টেশন থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক তাফসীর আলীনগর গ্রামের শফি উদ্দিনের ছেলে।

ঘটনার পটভূমি ও হামলা

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ২৮ জুন সন্ধ্যায় আলীনগর এলাকায় আকরাম সাহেবের লবণ ফ্যাক্টরির সামনে টুটুল (২৮) নামের এক যুবক ছিনতাইয়ের শিকার হন। সে সময় তাফসীরসহ কয়েকজন দূর্বৃত্ত অস্ত্রের মুখে তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। এরপর তাকে অমানুষিক মারধর করা হয় এবং বুকের মাঝখানে চাকু দিয়ে গুরুতর আঘাত করা হয়। এছাড়া দূর্বৃত্তরা তার কাছ থেকে নগদ ১২ হাজার ৫০০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ও আইনি পদক্ষেপ

পরবর্তীতে স্থানীয়রা গুরুতর আহত টুটুলকে উদ্ধার করে প্রথমে বন্দর উপজেলা হাসপাতালে নেন। কিন্তু তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবশেষে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ আগস্ট রাতে টুটুল মৃত্যুবরণ করেন।

এই ঘটনার পর নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে বন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ফলে এসআরবি-১১ তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি তাফসীরকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে বন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে সংস্থাটি।