আইসিসির ভবিষ্যৎ সফর কর্মসূচি (এফটিপি) এখনো চূড়ান্ত নয়। তবে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড এবং ভারতের মধ্যকার প্রধান সিরিজগুলো বেশ আগে থেকেই ঠিক হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে ক্রিকইনফো। চিরাচরিত ধারা মেনেই চলবে অ্যাশেজ সিরিজ। ২০২৭ সালে ইংল্যান্ডে, ২০২৯-৩০ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ায় এবং ২০৩১ সালে আবার ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে এই সিরিজ।
২০২৮ সালের শুরুতে টেস্ট সিরিজ খেলতে ভারত সফরে যাবে ইংল্যান্ড। এরপর ২০২৯ সালে ভারতকে নিজেদের মাটিতে আতিথ্য দেবে তারা।
২০২৭-৩১ চক্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ২০২৮ সালে অনুষ্ঠিতব্য লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক। ১৯০০ সালের পর এই প্রথম অলিম্পিকে জায়গা পাচ্ছে ক্রিকেট। জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে এই আসর, যা পড়বে ইংলিশ গ্রীষ্মের ঠিক মাঝামাঝি সময়ে। সপ্তাহব্যাপী চলা পুরুষদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ইভেন্টটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ঘরের মাঠের টেস্ট সিরিজের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
অন্যান্য পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর জন্য চিরাচরিত একটি চ্যালেঞ্জ থেকেই যাচ্ছে। প্রথমে ভারতের সঙ্গে এবং এরপর অস্ট্রেলিয়া বা ইংল্যান্ডের সঙ্গে নিজেদের সূচি সাজানোই হবে তাদের জন্য মূল কাজ। যেমন, ২০২৭ সালে জিম্বাবুয়ে এবং নামিবিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজিত ওয়ানডে বিশ্বকাপের ঠিক পরই ভারতকে আতিথ্য দেবে দক্ষিণ আফ্রিকা। অক্টোবর-নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশ্বকাপ।
ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট খেলার সুযোগ না থাকায় ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে আরও বেশি সিরিজের জন্য জোর দিয়ে আসছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। ইতোমধ্যে আগামী গ্রীষ্মে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের ঘোষণা দিয়েছে তারা।
যদিও এই আলোচনা শুরু হয়েছিল ২০২৫-২৭ চক্রের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ (ডব্লিউটিসি) ফাইনালে পাকিস্তান দৌড়ে থাকলে একটি এককালীন টেস্ট আয়োজনের প্রস্তাব হিসেবে। সে দৌড় থেকে এখন ছিটকে গেছে দলটি। এছাড়া ২০২৭-২৮ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া সফরে তিনটি টেস্ট খেলবে পাকিস্তান।




















