আইনমন্ত্রী জানান, বিবাহ নিবন্ধনের এই অনলাইন তথ্য পর্যায়ক্রমে জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন ও পাসপোর্টের কেন্দ্রীয় সার্ভারের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।
আইনমন্ত্রী বলেন, অনলাইনে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের তথ্য সংরক্ষিত থাকলে একজন ব্যক্তি আগে কোথাও বিয়ে করেছেন কি না, তা যাচাই করা সম্ভব হবে। কোনো ব্যক্তি এক জায়গায় বিয়ে করার পর তথ্য গোপন করে অন্য জায়গায় আবার বিয়ে করতে গেলে অনলাইনে তার আগের বিবাহের তথ্য দেখা যাবে।
আইনমন্ত্রী আরো জানান, ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার স্ত্রী বা সন্তানদের পক্ষ থেকে একাধিক দাবি উঠলেও নিবন্ধিত বিবাহের তথ্যের মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, ঢাকা শহরের সাব-রেজিস্ট্রাররা দীর্ঘদিন একই জায়গায় থাকায় তাদের বদলি করতে গেলে বিভিন্ন দিক থেকে তদবির আসে। এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে ঢাকা শহরের মধ্যে সাব-রেজিস্ট্রারদের পোস্টিং লটারি ব্যবস্থার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নিয়মনীতি মেনে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান আইনমন্ত্রী।


















