ঢাকা ০১:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সবার জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

সবার জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ব বসতি দিবসের তাৎপর্য শুধু মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই নিশ্চিত করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান । নিরাপদ পানি, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, উন্নত পয়োনিষ্কাশন, সুশৃঙ্খল গণপরিবহন ও সড়কব্যবস্থা, শিক্ষা-স্বাস্থ্যসেবা এবং কর্মসংস্থান সবকিছু মিলিয়েই টেকসই আবাসনের ধারণা গড়ে ওঠে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব নাগরিকের জন্য মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করাই টেকসই আবাসনের মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশে প্রত্যেক নাগরিকের জন্য নিরাপদ ও টেকসই বাসস্থান নিশ্চিত করা উন্নত বিশ্বের তুলনায় অনেক বেশি কঠিন। তবে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে সম্মানের সঙ্গে টিকে থাকতে হলে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের শহর, বন্দর ও নগরগুলোতে মানুষের বসতি ক্রমেই বাড়ছে। রাজধানী ঢাকা বর্তমানে অতিরিক্ত জনবহুল। দেশের অন্যান্য শহরেও প্রায় একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্বাভাবিক ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি মানুষ শহরাঞ্চলে বসবাস করছে। এ বাস্তবতায় সবার জন্য নিরাপদ, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ও পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলা জরুরি।

তারেক রহমান বলেন, সর্বজনীন আবাসন ও টেকসই নগরায়ণের কথা বলা যতটা সহজ, দেশের বাস্তবতায় তা বাস্তবায়ন করা ততটাই কঠিন। তারপরও সবার জন্য বাসযোগ্য, সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও পরিবেশসম্মত আবাসন নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। মৌলিক সেবা-সুবিধাসম্পন্ন বাসস্থান নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার এবং এই অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তিনি বলেন, পরিকল্পিত, নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর গড়ে তোলাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। একই সঙ্গে নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য নিরাপদ, বাসযোগ্য ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসনের ব্যবস্থা করার বিষয়টিও সরকারের পরিকল্পনায় গুরুত্ব পাচ্ছে। পরিকল্পিত নগরায়ণ এবং সীমিত আয়ের মানুষের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান নির্বাচনী অঙ্গীকার।

প্রধানমন্ত্রী জানান, এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। পরিকল্পিত নগরায়ণের জন্য প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে। এরই মধ্যে সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ, সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তোলা এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ১১ নম্বর অভীষ্ট অর্জন সহজ হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শহরাঞ্চলের ওপর মানুষের চাপ কমাতেও সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা দ্রুত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী করার পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে নাগরিক সুবিধা বাড়ানোর মাধ্যমে শহরের ওপর চাপ কমানো সম্ভব বলে মনে করছে সরকার। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, রাজধানী ও কয়েকটি বড় শহরকেন্দ্রিক উন্নয়নের পরিবর্তে দেশের প্রতিটি অঞ্চলকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত করতে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারের লক্ষ্য কেন্দ্রীভূত নগরায়ণ নয়; বরং বিকেন্দ্রীভূত ও ভারসাম্যপূর্ণ নগর এবং আঞ্চলিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। এর অংশ হিসেবে সারা দেশের জন্য স্থানিক পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং ঢাকার চারপাশে সেকেন্ডারি টাউনশিপ গড়ে তোলার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

পরিবেশ রক্ষার বিষয়টিকে বাসযোগ্য আবাসন নির্মাণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, প্রকৃতি ও পরিবেশের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিভাগীয় শহর, জেলা এবং উপজেলা শহরে পরিকল্পিত আবাসন গড়ে তোলা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নতুন চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি বিভিন্ন সম্ভাবনাও তৈরি করছে। এই পরিবর্তিত পরিস্থিতির মধ্যেও নগর এলাকার সংকট মোকাবিলা এবং বিশেষ করে সর্বজনীন আবাসন নিশ্চিত করতে দ্রুত ও স্বচ্ছতার সঙ্গে বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নগর ও শহরাঞ্চলের আবাসন সংকট শুধু সরকারি উদ্যোগে সমাধান করা কঠিন। এ ক্ষেত্রে আবাসন খাতের বেসরকারি উদ্যোক্তাসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সমন্বিত অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি বলেন, সবার জন্য বাসযোগ্য, সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও পরিবেশসম্মত এবং মৌলিক সেবা-সুবিধাসম্পন্ন আবাসন নাগরিকদের অন্যতম মৌলিক অধিকার। এ অধিকার বাস্তবায়নে ব্লকভিত্তিক আবাসনকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি এলাকাভিত্তিক পার্ক ও খেলার মাঠ স্থাপন এবং নির্ধারিত এলাকায় শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগও অব্যাহত রয়েছে।

সরকার পর্যায়ক্রমে নেওয়া সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হলে সবার জন্য নিরাপদ বাসস্থান দেশের নাগরিকদের কাছে বাস্তবতায় পরিণত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

জনপ্রিয় সংবাদ

আজ থেকে কম দামে মিলবে সোনা, ঘোষণা বাজুসের

সবার জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১২:৩৮:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্ব বসতি দিবসের তাৎপর্য শুধু মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই নিশ্চিত করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান । নিরাপদ পানি, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, উন্নত পয়োনিষ্কাশন, সুশৃঙ্খল গণপরিবহন ও সড়কব্যবস্থা, শিক্ষা-স্বাস্থ্যসেবা এবং কর্মসংস্থান সবকিছু মিলিয়েই টেকসই আবাসনের ধারণা গড়ে ওঠে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব নাগরিকের জন্য মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করাই টেকসই আবাসনের মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশে প্রত্যেক নাগরিকের জন্য নিরাপদ ও টেকসই বাসস্থান নিশ্চিত করা উন্নত বিশ্বের তুলনায় অনেক বেশি কঠিন। তবে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে সম্মানের সঙ্গে টিকে থাকতে হলে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের শহর, বন্দর ও নগরগুলোতে মানুষের বসতি ক্রমেই বাড়ছে। রাজধানী ঢাকা বর্তমানে অতিরিক্ত জনবহুল। দেশের অন্যান্য শহরেও প্রায় একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্বাভাবিক ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি মানুষ শহরাঞ্চলে বসবাস করছে। এ বাস্তবতায় সবার জন্য নিরাপদ, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ও পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলা জরুরি।

তারেক রহমান বলেন, সর্বজনীন আবাসন ও টেকসই নগরায়ণের কথা বলা যতটা সহজ, দেশের বাস্তবতায় তা বাস্তবায়ন করা ততটাই কঠিন। তারপরও সবার জন্য বাসযোগ্য, সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও পরিবেশসম্মত আবাসন নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। মৌলিক সেবা-সুবিধাসম্পন্ন বাসস্থান নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার এবং এই অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তিনি বলেন, পরিকল্পিত, নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর গড়ে তোলাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। একই সঙ্গে নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য নিরাপদ, বাসযোগ্য ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসনের ব্যবস্থা করার বিষয়টিও সরকারের পরিকল্পনায় গুরুত্ব পাচ্ছে। পরিকল্পিত নগরায়ণ এবং সীমিত আয়ের মানুষের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান নির্বাচনী অঙ্গীকার।

প্রধানমন্ত্রী জানান, এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। পরিকল্পিত নগরায়ণের জন্য প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে। এরই মধ্যে সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ, সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তোলা এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ১১ নম্বর অভীষ্ট অর্জন সহজ হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শহরাঞ্চলের ওপর মানুষের চাপ কমাতেও সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা দ্রুত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী করার পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে নাগরিক সুবিধা বাড়ানোর মাধ্যমে শহরের ওপর চাপ কমানো সম্ভব বলে মনে করছে সরকার। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, রাজধানী ও কয়েকটি বড় শহরকেন্দ্রিক উন্নয়নের পরিবর্তে দেশের প্রতিটি অঞ্চলকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত করতে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারের লক্ষ্য কেন্দ্রীভূত নগরায়ণ নয়; বরং বিকেন্দ্রীভূত ও ভারসাম্যপূর্ণ নগর এবং আঞ্চলিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। এর অংশ হিসেবে সারা দেশের জন্য স্থানিক পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং ঢাকার চারপাশে সেকেন্ডারি টাউনশিপ গড়ে তোলার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

পরিবেশ রক্ষার বিষয়টিকে বাসযোগ্য আবাসন নির্মাণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, প্রকৃতি ও পরিবেশের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিভাগীয় শহর, জেলা এবং উপজেলা শহরে পরিকল্পিত আবাসন গড়ে তোলা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নতুন চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি বিভিন্ন সম্ভাবনাও তৈরি করছে। এই পরিবর্তিত পরিস্থিতির মধ্যেও নগর এলাকার সংকট মোকাবিলা এবং বিশেষ করে সর্বজনীন আবাসন নিশ্চিত করতে দ্রুত ও স্বচ্ছতার সঙ্গে বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নগর ও শহরাঞ্চলের আবাসন সংকট শুধু সরকারি উদ্যোগে সমাধান করা কঠিন। এ ক্ষেত্রে আবাসন খাতের বেসরকারি উদ্যোক্তাসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সমন্বিত অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি বলেন, সবার জন্য বাসযোগ্য, সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও পরিবেশসম্মত এবং মৌলিক সেবা-সুবিধাসম্পন্ন আবাসন নাগরিকদের অন্যতম মৌলিক অধিকার। এ অধিকার বাস্তবায়নে ব্লকভিত্তিক আবাসনকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি এলাকাভিত্তিক পার্ক ও খেলার মাঠ স্থাপন এবং নির্ধারিত এলাকায় শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগও অব্যাহত রয়েছে।

সরকার পর্যায়ক্রমে নেওয়া সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হলে সবার জন্য নিরাপদ বাসস্থান দেশের নাগরিকদের কাছে বাস্তবতায় পরিণত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।