ঢাকা ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মজুদ থেকে আরো জ্বালানি তেল ছাড়বে যুক্তরাষ্ট্র



ফটোকার্ড ডাউনলোড

যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত জরুরি মজুদ (এসপিআর) থেকে আরো চার লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ছাড়ার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। দেশটির লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের একটি তেল শোধনাগারে সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন দেখা দেয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ফিলিপস ৬৬ পরিচালিত লেক চার্লস শোধনাগারে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এসপিআর থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ছাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মাধ্যমে একদিকে শোধনাগারটির কার্যক্রম সচল থাকবে। অন্যদিকে লুইজিয়ানা ও আশপাশের এলাকায় পরিবহনে ব্যবহৃত জ্বালানির উৎপাদন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বিভাগটি।

লেক চার্লস শোধনাগারে প্রতিদিন প্রায় ২ লাখ ৬৪ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধনের সক্ষমতা রয়েছে। ফিলিপস ৬৬-এর এক মুখপাত্র কৌশলগত মজুদ থেকে শোধনাগারটিতে তেল সরবরাহের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তবে শোধনাগারের কার্যক্রম ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করেননি তিনি। মুখপাত্রের ভাষ্য, শোধনাগারটির কার্যক্রমে কোনো প্রভাব পড়বে বলে তারা মনে করছেন না।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত জ্বালানি তেলের মজুদ বর্তমানে ১৯৮২ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন দেখা দেয়। এরপর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ মজুদ থেকে তেল ছাড়ার নির্দেশ দেন। এর আগে ইউক্রেনে আক্রমণের পর রাশিয়ার তেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের কারণে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনও একই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

জরুরি পরিস্থিতিতে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুদ ব্যবহার করা হয়। সরবরাহে বিঘ্ন দেখা দিলে অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানির জোগান ধরে রাখাই এর অন্যতম উদ্দেশ্য। তবে এবার জ্বালানি তেল ছাড়ের সিদ্ধান্তটি মূলত নেয়া হয়েছে লেক চার্লস শোধনাগারের সাময়িক সরবরাহ সমস্যার সমাধানে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মজুদ থেকে আরো জ্বালানি তেল ছাড়বে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০৫:৫১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬


ফটোকার্ড ডাউনলোড

যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত জরুরি মজুদ (এসপিআর) থেকে আরো চার লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ছাড়ার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। দেশটির লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের একটি তেল শোধনাগারে সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন দেখা দেয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ফিলিপস ৬৬ পরিচালিত লেক চার্লস শোধনাগারে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এসপিআর থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ছাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মাধ্যমে একদিকে শোধনাগারটির কার্যক্রম সচল থাকবে। অন্যদিকে লুইজিয়ানা ও আশপাশের এলাকায় পরিবহনে ব্যবহৃত জ্বালানির উৎপাদন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বিভাগটি।

লেক চার্লস শোধনাগারে প্রতিদিন প্রায় ২ লাখ ৬৪ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধনের সক্ষমতা রয়েছে। ফিলিপস ৬৬-এর এক মুখপাত্র কৌশলগত মজুদ থেকে শোধনাগারটিতে তেল সরবরাহের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তবে শোধনাগারের কার্যক্রম ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করেননি তিনি। মুখপাত্রের ভাষ্য, শোধনাগারটির কার্যক্রমে কোনো প্রভাব পড়বে বলে তারা মনে করছেন না।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত জ্বালানি তেলের মজুদ বর্তমানে ১৯৮২ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন দেখা দেয়। এরপর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ মজুদ থেকে তেল ছাড়ার নির্দেশ দেন। এর আগে ইউক্রেনে আক্রমণের পর রাশিয়ার তেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের কারণে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনও একই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

জরুরি পরিস্থিতিতে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুদ ব্যবহার করা হয়। সরবরাহে বিঘ্ন দেখা দিলে অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানির জোগান ধরে রাখাই এর অন্যতম উদ্দেশ্য। তবে এবার জ্বালানি তেল ছাড়ের সিদ্ধান্তটি মূলত নেয়া হয়েছে লেক চার্লস শোধনাগারের সাময়িক সরবরাহ সমস্যার সমাধানে।