বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিন্তু এরপরই ফেনারবাচের ঘরের মাঠের উত্তপ্ত ও মারমুখী গ্যালারির সামনে ভেঙে পড়ে ইরাওলার শিষ্যরা। সাবেক লিভারপুল তারকা ও ফেনারবাচের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ ডির্ক কুইটের অধীনে এক অবিশ্বাস্য কামব্যাক করে চমকপ্রদ জয় ছিনিয়ে নেয় স্বাগতিকরা।
অন্যদিকে ১৮ বছরের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথম জয়ের স্বাদ পেল ফেনেরবাচ। ইউরোপ সেরার মঞ্চে তুর্কির দলটির সবশেষ জয়টিও ছিল ইংলিশ ক্লাবের বিপক্ষে, ২০০৮ সালে একই মাঠে চেলসির বিপক্ষে ২-১ গোলে।
লিভারপুলের হাত থেকে ৩ পয়েন্ট ফসকে যাওয়ার পর কুইট জানান, তিনি কীভাবে ফেনারবাচের খেলোয়াড়দের সেই ‘কখনও হার না মানা’ মানসিকতা ধরে রাখতে অনুপ্রাণিত করেছিলেন, যা অতীতে লিভারপুলকে ইউরোপের মঞ্চে বহু গৌরব এনে দিয়েছিল।
২০০৫ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে লিভারপুলের ঐতিহাসিক ‘মিরাকেল অব ইস্তাম্বুল’ জয়ের ঠিক এক বছর পর, ২০০৬ সালে কুইট এই ক্লাবে যোগ দেন এবং টানা ছয় বছর মূল দলের নিয়মিত খেলোয়াড় ছিলেন।
কুইট বলেন, “আমরা একে অপরকে বলেছিলাম একসঙ্গে থাকতে এবং ঐক্যবদ্ধ হতে। এটা আমি লিভারপুলের কাছ থেকেই শিখেছি, যাদের বিপক্ষে আজ আমরা খেললাম।
টানা পাঁচ ম্যাচ জয়ের পর, ইরাওলার দল মাত্র চার দিনের ব্যবধানে দুটি ম্যাচ হারল। গত রোববার আর্সেনালের কাছে হারের পর এবার এই পরাজয়।
ইস্তাম্বুল থেকে ফেরার ফ্লাইটে লিভারপুল শিবিরের মধ্যে নিশ্চিতভাবেই চরম হতাশা কাজ করবে। কারণ ম্যাচটি যেভাবে তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত ছিল, তারা তা করতে পারেনি।
ম্যাচ শেষে আক্ষেপ করে ইরাওলা বলেন, ‘এটি চরম হতাশার, কারণ এই মাঠে এসে খেলা খুবই কঠিন। ম্যাচের বেশিরভাগ সময়ই আমরা ভাবছিলাম যে আমরা ম্যাচটি জিততে যাচ্ছি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর হলো না।’
ডিজেল নেই, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনও নেই—ভারতের হাইড্রোজেন ট্রেন যেভাবে কাজ করে
৯ পয়েন্ট নিয়ে তালিকায় আপাতত পাঁচ নম্বরে আছে লিভারপুল। দুই ড্র ও এক জয়ে ৫ পয়েন্ট নিয়ে ১৯ নম্বরে ফেনেরবাচ।



























