ঢাকা ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চার জেলায় বজ্রাঘাতে ৮ জনের মৃত্যু

সোমবার দেশের চার জেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় ৮ জন নিহত হয়েছেন। নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও নোয়াখালীতে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে নিহতের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।

নেত্রকোনার খালিয়াজুরিতে বজ্রপাতে তিন ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতরা হলেন— ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের আব্দুল মোতালেব, স্থানীয় সাতগাঁও গ্রামের মোনায়েম খাঁ ওরফে পালান এবং সিরাজগঞ্জের ধান ব্যবসায়ী শুভ মণ্ডল।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মোতালেব ফেরিঘাটে মাছ ধরার সময়, মোনায়েম হাওরে ধান কাটার সময় এবং শুভ মণ্ডল ধান কেনার সময় বজ্রাঘাতে আক্রান্ত হন। খালিয়াজুরি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাদির হোসেন শামিম জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

সুনামগঞ্জে দুপুরের ভারী বৃষ্টির সময় বজ্রপাতে ৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন— সদর উপজেলার জমির উদ্দিন ও জমির হোসেন এবং জামালগঞ্জ উপজেলার আবু সালেক। এদের মধ্যে জমির উদ্দিন ও আবু সালেক হাওরে ধান কাটার সময় দুর্ঘটনার শিকার হন। অন্যদিকে, জমির হোসেন সুরমা নদীর ঘাটে নিজের দোকান খুলতে যাওয়ার পথে প্রাণ হারান। জেলা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক মো. শফিকুর রহমান তিনজনের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতের শিকার হন মকসুদ মিয়া নামে এক কৃষক। নোয়াগাঁও গ্রামে বেলা ২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, নোয়াখালীর হাতিয়া দ্বীপে মায়ের সঙ্গে বাদাম তোলার সময় বজ্রাঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন ১৮ বছর বয়সী তরুণ আরাফাত হোসেন। স্থানীয় চরঈশ্বর ইউনিয়নে দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন জানান, মা ও ছেলে মাঠের দুই পাশে কাজ করার সময় হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়েন এবং বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই আরাফাতের মৃত্যু হয়।

চার জেলায় বজ্রাঘাতে ৮ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ১১:২৭:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

সোমবার দেশের চার জেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় ৮ জন নিহত হয়েছেন। নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও নোয়াখালীতে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে নিহতের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।

নেত্রকোনার খালিয়াজুরিতে বজ্রপাতে তিন ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতরা হলেন— ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের আব্দুল মোতালেব, স্থানীয় সাতগাঁও গ্রামের মোনায়েম খাঁ ওরফে পালান এবং সিরাজগঞ্জের ধান ব্যবসায়ী শুভ মণ্ডল।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মোতালেব ফেরিঘাটে মাছ ধরার সময়, মোনায়েম হাওরে ধান কাটার সময় এবং শুভ মণ্ডল ধান কেনার সময় বজ্রাঘাতে আক্রান্ত হন। খালিয়াজুরি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাদির হোসেন শামিম জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

সুনামগঞ্জে দুপুরের ভারী বৃষ্টির সময় বজ্রপাতে ৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন— সদর উপজেলার জমির উদ্দিন ও জমির হোসেন এবং জামালগঞ্জ উপজেলার আবু সালেক। এদের মধ্যে জমির উদ্দিন ও আবু সালেক হাওরে ধান কাটার সময় দুর্ঘটনার শিকার হন। অন্যদিকে, জমির হোসেন সুরমা নদীর ঘাটে নিজের দোকান খুলতে যাওয়ার পথে প্রাণ হারান। জেলা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক মো. শফিকুর রহমান তিনজনের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতের শিকার হন মকসুদ মিয়া নামে এক কৃষক। নোয়াগাঁও গ্রামে বেলা ২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, নোয়াখালীর হাতিয়া দ্বীপে মায়ের সঙ্গে বাদাম তোলার সময় বজ্রাঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন ১৮ বছর বয়সী তরুণ আরাফাত হোসেন। স্থানীয় চরঈশ্বর ইউনিয়নে দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন জানান, মা ও ছেলে মাঠের দুই পাশে কাজ করার সময় হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়েন এবং বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই আরাফাতের মৃত্যু হয়।