বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)-এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় জাতীয়তাবাদী কৃষক দল কেন্দ্রীয় সংসদের বিপ্লবী সভাপতি ও বিশিষ্ট কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী।
শনিবার রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নেতা-কর্মীরা নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানকে অভিনন্দন জানাতে জড়ো হন। এ সময় এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নেতা-কর্মীরা হাসান জাফির তুহিনকে একজন দক্ষ ও আদর্শবান নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তার এই নিয়োগে কৃষি ও কৃষকের ভাগ্যোন্নয়নে বরেন্দ্র অঞ্চলে নতুন গতির সঞ্চার হবে।
ময়মনসিংহের নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি ও ইসহাক সরকারের অভিনন্দন। হাসান জাফির তুহিনকে অভিনন্দন জানাতে বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের একঝাঁক উদ্যমী নেতা-কর্মী। ময়মনসিংহ জেলা ও অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে ইসহাক সরকার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে ইসহাক সরকার বলেন, “কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন তৃণমূল থেকে উঠে আসা একজন লড়াকু নেতা। কৃষকদের অধিকার আদায়ে তিনি আজীবন রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। সরকার তাকে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দিয়ে অত্যন্ত সঠিক ও যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বিএমডিএ একটি গতিশীল ও কৃষকবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।”
ময়মনসিংহের নেতা-কর্মীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, হাসান জাফির তুহিনের নেতৃত্বে উত্তরবঙ্গের বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষি অবকাঠামো এবং সেচ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন আসবে, যা পরোক্ষভাবে সারা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
নেতা-কর্মীদের উচ্ছ্বাস শুভেচ্ছা জানাতে আসা নেতা-কর্মীরা স্লোগানে স্লোগানে এলাকা মুখরিত করে তোলেন। তারা বলেন, কৃষি ও মেহনতি মানুষের প্রাণের নেতা হাসান জাফির তুহিনকে উপযুক্ত সম্মান দেওয়ায় তারা আনন্দিত। তারা আশা প্রকাশ করেন, উত্তরবঙ্গের কৃষি বিপ্লবকে বেগবান করতে এবং প্রান্তিক কৃষকের সেচ সংকট নিরসনে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করবেন।
হাসান জাফির তুহিনের প্রতিক্রিয়া শুভেচ্ছা গ্রহণের পর উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে হাসান জাফির তুহিন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, অর্পিত দায়িত্ব যেন যথাযথভাবে পালন করতে পারেন, সেজন্য তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। তিনি আরও বলেন, দেশের কৃষি খাতকে আধুনিকায়ন করা এবং কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নই হবে তার মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহের অন্যান্য নেতৃবৃন্দসহ কেন্দ্রীয় কৃষক দল ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অভিনন্দন জানানোর এই ধারা দিনভর অব্যাহত থাকে।























