ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি পর্দার আড়ালে থেকে দেশটির যুদ্ধকৌশল এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে চলমান আলোচনা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। তবে যুদ্ধের শুরুতেই এক হামলায় তার বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার সময় মোজতবা নিজেও গুরুতর আহত হয়েছিলেন। ফলে তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা এবং শাসনব্যবস্থায় তার নিরঙ্কুশ কর্তৃত্ব নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে না।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা বেশ খানিকটা খণ্ডিত হয়ে পড়েছে। মোজতবা খামেনি নীতিনির্ধারণে জড়িত থাকলেও দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজ এবং সামরিক সিদ্ধান্তগুলো মূলত রেভল্যুশনারি গার্ডস (আইআরজিসি) এবং পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ পরিচালনা করছেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইরানের এ ব্যবস্থাকে ‘অকার্যকর’ বলে অভিহিত করেছেন।
এক মাসের বেশি সময় ধরে যুদ্ধবিরতি চললেও গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে, ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। দেশটির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা এখনও অক্ষত রয়েছে। সিআইএ’র এক মূল্যায়ন অনুযায়ী, মার্কিন অবরোধের মুখেও ইরান আরও অন্তত চার মাস অর্থনৈতিকভাবে টিকে থাকতে পারবে। তবে হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘অপারেশন ইকোনমিক ফিউরি’ এবং নৌ-অবরোধ ইরানকে ভেতর থেকে পঙ্গু করে দিচ্ছে।






















