ঢাকা ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সবজি, ডিম-মাছ-মুরগির দামে ফের অস্বস্তি বাজারে

সবজি, ডিম-মাছ-মুরগির দামে ফের অস্বস্তি বাজারে

রাজধানীর বাজারে কাঁচামরিচের দাম কিছুটা কমেছে। আমদানি বাড়ায় এখন তা বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা কেজি দরে। তবে কোনো কোনো বাজারে এখনো ২২০ টাকার বেশি দামেই বিকোচ্ছে এই পণ্য।

এরপরও স্বস্তি মিলছে না ক্রেতাদের। কারণ প্রায় সব সবজির দামই এখনো ১০০ টাকার ওপরে রয়ে গেছে। পাশাপাশি ডিম, মাছ ও মুরগির দামও বেড়েছে গত এক সপ্তাহে। এসব পণ্যের দাম ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে ইতিবাচক দিক হলো, পেঁয়াজ, রসুন ও সয়াবিন তেলের মতো কিছু পণ্যের দাম কমতির দিকে। এরপরও সামগ্রিক ব্যয় বৃদ্ধির কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো বাজারের পরিমাণ কমিয়ে দিচ্ছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যে গত জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি কমার কথা বলা হলেও বাস্তব বাজারচিত্রে তার প্রতিফলন নেই।

বৃষ্টি ও সরবরাহ সংকটে বাড়তি দাম

গতকাল রামপুরা, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, মিরপুর ও কারওয়ান বাজার ঘুরে এই চিত্র উঠে এসেছে। ক্রেতারা জানিয়েছেন, এক সপ্তাহ আগের তুলনায় মাছ, মুরগি ও ডিমের দাম স্পষ্টভাবেই বেড়েছে।

কিছু সবজির দাম সামান্য কমলেও তা এখনো ১০০ টাকার আশপাশেই ঘোরাফেরা করছে। এমনকি তেলাপিয়া, পাঙাশ, রুই ও সিলভার কার্পের মতো তুলনামূলক সস্তা মাছও এখন বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৪৫০ টাকায়।

বিক্রেতারা এ পরিস্থিতির জন্য কয়েকটি কারণ তুলে ধরেছেন। তাদের ভাষ্যে, সরবরাহ সংকট, বাড়তি পরিবহন খরচ এবং বাজারভেদে চাহিদার তারতম্যই মূলত দাম বাড়াচ্ছে। এছাড়া টানা কয়েক সপ্তাহের বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় সবজির সরবরাহেও বিঘ্ন ঘটেছে।

সবজির বাজারদর একনজরে

বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৮০-২২০ টাকায়। অন্যান্য সবজির মধ্যে বরবটি ১২০, করলা ১৩০, বেগুন ১২০-১৪০, টমেটো ১২০, লাউ ১০০, ঢেঁড়স ৯০, পটোল ৮০, চিচিঙ্গা ১০০, ঝিঙা ৯০, কাঁকরোল ৯০, পেঁপে ৬০, কচুরছড়া ৮০ এবং আলু ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে এসব সবজির দাম ছিল ১০-২০ টাকা কম।

কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা মনির হোসেনের ভাষ্যমতে, উৎপাদন পর্যায়ে সরবরাহ কমে যাওয়াই মূল কারণ। তার কথায়, বৃষ্টিতে অনেক জায়গায় সবজির ক্ষতি হয়েছিল, যার প্রভাবে মাঝে কাঁচামরিচের দাম উঠেছিল ৪০০ টাকা পর্যন্ত। তবে আমদানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এখন তা কমে আসছে।

মাছ-মুরগি-ডিমের দামও ঊর্ধ্বমুখী

সবজির পাশাপাশি বেড়েছে মাছ, মুরগি ও ডিমের দামও। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯০-২১০ টাকায়, আর সোনালি মুরগির দাম ৩৫০ টাকা।

মাছের বাজারেও একই চিত্র। আকারভেদে রুই ৩৫০-৫৫০, কাতলা ৩৫০-৫০০, তেলাপিয়া ২৮০-৩০০, পাঙাশ ২৮০, মৃগেল ৪০০, কোরাল ১১০০, সিলভার কার্প ৩২০, টেংরা ৬০০, বাগদা চিংড়ি ১২০০, রূপচাঁদা ১৪০০, মলা ৬০০ এবং ইলিশ আকারভেদে ১৮০০-২২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে ডিমের ডজন ২০ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫০ টাকায়।

ব্যবসায়ীদের ভাষ্যে, কোরবানি ঈদের পর থেকেই মুরগির দাম বাড়তে শুরু করে। সাম্প্রতিক সময়ে গ্যাস-বিদ্যুতের ঘাটতিতে উৎপাদন কমে যাওয়া এবং পরিবহন খরচ ৮-১২ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়াকে দায়ী করছেন তারা। জ্বালানির দাম নতুন করে বাড়লে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।

পেঁয়াজ-রসুন-চালের দর স্থিতিশীল

মুরগি-ডিমের বিপরীতে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। যদিও ব্যবসায়ীরা বলছেন, এসব পণ্যের সরবরাহও কমে আসছে ধীরে ধীরে। গতকালের বাজারদরে পেঁয়াজ ৫০-৬০ টাকা, রসুন ১০০-১৮০ টাকা এবং আদা ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

চালের বাজারে নাজিরশাইল ও মিনিকেট জাতের সরু চাল বিক্রি হচ্ছে ৭৫-৮৫ টাকায়। পাইজাম ও আটাশ জাতের চাল ৬০-৬৫ টাকা এবং মোটা চাল ৫৫-৫৮ টাকায় মিলছে। সুগন্ধি চালের দাম ছাড়িয়ে গেছে ২০০ টাকা।

ক্রেতাদের ক্ষোভ, কমছে ক্রয়ক্ষমতা

দ্রব্যমূল্যের এই ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে আসছে দিন দিন। সরকারি হিসাবে জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি নেমেছে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশে। কিন্তু বাস্তব বাজারচিত্রে এর কোনো প্রতিফলন নেই বলে জানাচ্ছেন ক্রেতারা।

শেওড়াপাড়া বাজারে নিয়মিত বাজার করেন কাজীপাড়ার বাসিন্দা খাদিজা আক্তার। তিনি বলেন, প্রতিদিনই যেন মাছ, মুরগি, ডিম ও সবজির দাম বাড়ছে। গত সপ্তাহে ৬০ টাকার সবজি এখন ৮০-৯০ টাকায় ঠেকেছে বলে জানান তিনি। এমনকি আগে তিন-চার কেজি ওজনের মুরগি কিনলেও এখন বাধ্য হয়ে দেড় কেজির মুরগি কিনছেন তিনি।

আরেক ক্রেতা সাফওয়ান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের পাশাপাশি বাজারদরের ঊর্ধ্বগতিতে মধ্য ও নিম্নবিত্তদের জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সমাধানের পথ কী

সংশ্লিষ্টদের মতে, দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে উৎপাদক থেকে খুচরা বাজার পর্যন্ত সরবরাহ চেইন স্বাভাবিক রাখা জরুরি। পাশাপাশি প্রতিটি স্তরে দাম বৃদ্ধির হার নিয়মিত নজরদারিতে আনতে হবে। তা না হলে একটি পণ্যের দাম কমলেও অন্য পণ্যের বাড়তি দামে ভোক্তাদের ওপর সামগ্রিক চাপ থেকেই যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সবজি, ডিম-মাছ-মুরগির দামে ফের অস্বস্তি বাজারে

আপডেট সময় : ০৩:১৩:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর বাজারে কাঁচামরিচের দাম কিছুটা কমেছে। আমদানি বাড়ায় এখন তা বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা কেজি দরে। তবে কোনো কোনো বাজারে এখনো ২২০ টাকার বেশি দামেই বিকোচ্ছে এই পণ্য।

এরপরও স্বস্তি মিলছে না ক্রেতাদের। কারণ প্রায় সব সবজির দামই এখনো ১০০ টাকার ওপরে রয়ে গেছে। পাশাপাশি ডিম, মাছ ও মুরগির দামও বেড়েছে গত এক সপ্তাহে। এসব পণ্যের দাম ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে ইতিবাচক দিক হলো, পেঁয়াজ, রসুন ও সয়াবিন তেলের মতো কিছু পণ্যের দাম কমতির দিকে। এরপরও সামগ্রিক ব্যয় বৃদ্ধির কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো বাজারের পরিমাণ কমিয়ে দিচ্ছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যে গত জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি কমার কথা বলা হলেও বাস্তব বাজারচিত্রে তার প্রতিফলন নেই।

বৃষ্টি ও সরবরাহ সংকটে বাড়তি দাম

গতকাল রামপুরা, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, মিরপুর ও কারওয়ান বাজার ঘুরে এই চিত্র উঠে এসেছে। ক্রেতারা জানিয়েছেন, এক সপ্তাহ আগের তুলনায় মাছ, মুরগি ও ডিমের দাম স্পষ্টভাবেই বেড়েছে।

কিছু সবজির দাম সামান্য কমলেও তা এখনো ১০০ টাকার আশপাশেই ঘোরাফেরা করছে। এমনকি তেলাপিয়া, পাঙাশ, রুই ও সিলভার কার্পের মতো তুলনামূলক সস্তা মাছও এখন বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৪৫০ টাকায়।

বিক্রেতারা এ পরিস্থিতির জন্য কয়েকটি কারণ তুলে ধরেছেন। তাদের ভাষ্যে, সরবরাহ সংকট, বাড়তি পরিবহন খরচ এবং বাজারভেদে চাহিদার তারতম্যই মূলত দাম বাড়াচ্ছে। এছাড়া টানা কয়েক সপ্তাহের বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় সবজির সরবরাহেও বিঘ্ন ঘটেছে।

সবজির বাজারদর একনজরে

বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৮০-২২০ টাকায়। অন্যান্য সবজির মধ্যে বরবটি ১২০, করলা ১৩০, বেগুন ১২০-১৪০, টমেটো ১২০, লাউ ১০০, ঢেঁড়স ৯০, পটোল ৮০, চিচিঙ্গা ১০০, ঝিঙা ৯০, কাঁকরোল ৯০, পেঁপে ৬০, কচুরছড়া ৮০ এবং আলু ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে এসব সবজির দাম ছিল ১০-২০ টাকা কম।

কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা মনির হোসেনের ভাষ্যমতে, উৎপাদন পর্যায়ে সরবরাহ কমে যাওয়াই মূল কারণ। তার কথায়, বৃষ্টিতে অনেক জায়গায় সবজির ক্ষতি হয়েছিল, যার প্রভাবে মাঝে কাঁচামরিচের দাম উঠেছিল ৪০০ টাকা পর্যন্ত। তবে আমদানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এখন তা কমে আসছে।

মাছ-মুরগি-ডিমের দামও ঊর্ধ্বমুখী

সবজির পাশাপাশি বেড়েছে মাছ, মুরগি ও ডিমের দামও। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯০-২১০ টাকায়, আর সোনালি মুরগির দাম ৩৫০ টাকা।

মাছের বাজারেও একই চিত্র। আকারভেদে রুই ৩৫০-৫৫০, কাতলা ৩৫০-৫০০, তেলাপিয়া ২৮০-৩০০, পাঙাশ ২৮০, মৃগেল ৪০০, কোরাল ১১০০, সিলভার কার্প ৩২০, টেংরা ৬০০, বাগদা চিংড়ি ১২০০, রূপচাঁদা ১৪০০, মলা ৬০০ এবং ইলিশ আকারভেদে ১৮০০-২২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে ডিমের ডজন ২০ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫০ টাকায়।

ব্যবসায়ীদের ভাষ্যে, কোরবানি ঈদের পর থেকেই মুরগির দাম বাড়তে শুরু করে। সাম্প্রতিক সময়ে গ্যাস-বিদ্যুতের ঘাটতিতে উৎপাদন কমে যাওয়া এবং পরিবহন খরচ ৮-১২ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়াকে দায়ী করছেন তারা। জ্বালানির দাম নতুন করে বাড়লে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।

পেঁয়াজ-রসুন-চালের দর স্থিতিশীল

মুরগি-ডিমের বিপরীতে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। যদিও ব্যবসায়ীরা বলছেন, এসব পণ্যের সরবরাহও কমে আসছে ধীরে ধীরে। গতকালের বাজারদরে পেঁয়াজ ৫০-৬০ টাকা, রসুন ১০০-১৮০ টাকা এবং আদা ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

চালের বাজারে নাজিরশাইল ও মিনিকেট জাতের সরু চাল বিক্রি হচ্ছে ৭৫-৮৫ টাকায়। পাইজাম ও আটাশ জাতের চাল ৬০-৬৫ টাকা এবং মোটা চাল ৫৫-৫৮ টাকায় মিলছে। সুগন্ধি চালের দাম ছাড়িয়ে গেছে ২০০ টাকা।

ক্রেতাদের ক্ষোভ, কমছে ক্রয়ক্ষমতা

দ্রব্যমূল্যের এই ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে আসছে দিন দিন। সরকারি হিসাবে জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি নেমেছে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশে। কিন্তু বাস্তব বাজারচিত্রে এর কোনো প্রতিফলন নেই বলে জানাচ্ছেন ক্রেতারা।

শেওড়াপাড়া বাজারে নিয়মিত বাজার করেন কাজীপাড়ার বাসিন্দা খাদিজা আক্তার। তিনি বলেন, প্রতিদিনই যেন মাছ, মুরগি, ডিম ও সবজির দাম বাড়ছে। গত সপ্তাহে ৬০ টাকার সবজি এখন ৮০-৯০ টাকায় ঠেকেছে বলে জানান তিনি। এমনকি আগে তিন-চার কেজি ওজনের মুরগি কিনলেও এখন বাধ্য হয়ে দেড় কেজির মুরগি কিনছেন তিনি।

আরেক ক্রেতা সাফওয়ান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের পাশাপাশি বাজারদরের ঊর্ধ্বগতিতে মধ্য ও নিম্নবিত্তদের জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সমাধানের পথ কী

সংশ্লিষ্টদের মতে, দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে উৎপাদক থেকে খুচরা বাজার পর্যন্ত সরবরাহ চেইন স্বাভাবিক রাখা জরুরি। পাশাপাশি প্রতিটি স্তরে দাম বৃদ্ধির হার নিয়মিত নজরদারিতে আনতে হবে। তা না হলে একটি পণ্যের দাম কমলেও অন্য পণ্যের বাড়তি দামে ভোক্তাদের ওপর সামগ্রিক চাপ থেকেই যাবে।