ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ন্যাটোর জ্বালানি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে উত্তর কোরিয়ার তীব্র নিন্দা

ন্যাটোর জ্বালানি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে উত্তর কোরিয়ার তীব্র নিন্দা

ন্যাটোর জ্বালানি সরবরাহ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করেছে উত্তর কোরিয়া। পিয়ংইয়ংয়ের অভিযোগ, এই পরিকল্পনা আসলে ভবিষ্যৎ সংঘাতের জন্য সামরিক প্রস্তুতিরই অংশ। ফলে জোটটি ক্রমেই আগ্রাসী রূপ নিচ্ছে বলে দাবি করেছে দেশটি।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ-তে একটি মতামত নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এতে ইউরোপজুড়ে ন্যাটোর সামরিক জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন পরিকল্পনার কড়া সমালোচনা করা হয়েছে।

এই পরিকল্পনার আওতায় নতুন পাইপলাইন এবং জ্বালানি মজুত কেন্দ্র তৈরির কথা রয়েছে। এর মাধ্যমে পশ্চিম ইউরোপের সঙ্গে পূর্ব ও উত্তরাঞ্চলীয় নতুন সদস্য দেশগুলোকে যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

কেসিএনএ-র দাবি অনুযায়ী, এই প্রকল্প কৌশলগত যুদ্ধ মজুত বজায় রাখার প্রতি ন্যাটোর মনোযোগ প্রকাশ করে। এছাড়া জোটটি ইউরোপের বাইরে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলেও সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।

কেসিএনএ আরও উল্লেখ করেছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ন্যাটো ইউরোপ ও এশিয়া-প্যাসিফিকের নিরাপত্তাকে অবিচ্ছেদ্য হিসেবে তুলে ধরছে। তাই তারা প্রায়শই এই অঞ্চলে কৌশলগত সামরিক সম্পদ নিয়ে আসছে বলে দাবি করা হয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার প্রতি শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোর সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগও তোলা হয়েছে প্রতিবেদনে। এর ফলে কোরীয় উপদ্বীপের কাছে সামরিক শক্তি প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে দাবি পিয়ংইয়ংয়ের।

পাশাপাশি রিম অব দ্য প্যাসিফিক বা ‘রিমপ্যাক’-এর মতো বহুজাতিক মহড়ায় ন্যাটো সদস্যদের অংশগ্রহণকেও উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। কেসিএনএ মনে করে, এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে জোটটি এশিয়া-প্যাসিফিককে সম্ভাব্য যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করছে।

উত্তর কোরিয়া সতর্ক করে বলেছে, ন্যাটোর সামরিক শক্তি বৃদ্ধি এবং লজিস্টিক অবকাঠামো সম্প্রসারণ বৈশ্বিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলবে। তাদের মতে, এসব পদক্ষেপ দ্রুত সামরিক অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হচ্ছে।

তবে ন্যাটোর পক্ষ থেকে বরাবরই বলা হয়ে আসছে যে তাদের অবস্থান সম্পূর্ণ রক্ষণাত্মক। সদস্য দেশগুলোর যৌথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হুমকি প্রতিরোধ করাই তাদের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছে জোটটি।

ন্যাটোর জ্বালানি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে উত্তর কোরিয়ার তীব্র নিন্দা

আপডেট সময় : ১২:০৪:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

ন্যাটোর জ্বালানি সরবরাহ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করেছে উত্তর কোরিয়া। পিয়ংইয়ংয়ের অভিযোগ, এই পরিকল্পনা আসলে ভবিষ্যৎ সংঘাতের জন্য সামরিক প্রস্তুতিরই অংশ। ফলে জোটটি ক্রমেই আগ্রাসী রূপ নিচ্ছে বলে দাবি করেছে দেশটি।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ-তে একটি মতামত নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এতে ইউরোপজুড়ে ন্যাটোর সামরিক জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন পরিকল্পনার কড়া সমালোচনা করা হয়েছে।

এই পরিকল্পনার আওতায় নতুন পাইপলাইন এবং জ্বালানি মজুত কেন্দ্র তৈরির কথা রয়েছে। এর মাধ্যমে পশ্চিম ইউরোপের সঙ্গে পূর্ব ও উত্তরাঞ্চলীয় নতুন সদস্য দেশগুলোকে যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

কেসিএনএ-র দাবি অনুযায়ী, এই প্রকল্প কৌশলগত যুদ্ধ মজুত বজায় রাখার প্রতি ন্যাটোর মনোযোগ প্রকাশ করে। এছাড়া জোটটি ইউরোপের বাইরে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলেও সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।

কেসিএনএ আরও উল্লেখ করেছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ন্যাটো ইউরোপ ও এশিয়া-প্যাসিফিকের নিরাপত্তাকে অবিচ্ছেদ্য হিসেবে তুলে ধরছে। তাই তারা প্রায়শই এই অঞ্চলে কৌশলগত সামরিক সম্পদ নিয়ে আসছে বলে দাবি করা হয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার প্রতি শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোর সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগও তোলা হয়েছে প্রতিবেদনে। এর ফলে কোরীয় উপদ্বীপের কাছে সামরিক শক্তি প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে দাবি পিয়ংইয়ংয়ের।

পাশাপাশি রিম অব দ্য প্যাসিফিক বা ‘রিমপ্যাক’-এর মতো বহুজাতিক মহড়ায় ন্যাটো সদস্যদের অংশগ্রহণকেও উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। কেসিএনএ মনে করে, এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে জোটটি এশিয়া-প্যাসিফিককে সম্ভাব্য যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করছে।

উত্তর কোরিয়া সতর্ক করে বলেছে, ন্যাটোর সামরিক শক্তি বৃদ্ধি এবং লজিস্টিক অবকাঠামো সম্প্রসারণ বৈশ্বিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলবে। তাদের মতে, এসব পদক্ষেপ দ্রুত সামরিক অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হচ্ছে।

তবে ন্যাটোর পক্ষ থেকে বরাবরই বলা হয়ে আসছে যে তাদের অবস্থান সম্পূর্ণ রক্ষণাত্মক। সদস্য দেশগুলোর যৌথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হুমকি প্রতিরোধ করাই তাদের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছে জোটটি।