যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার ব্যক্তিগত সহকারী ন্যাটালি হার্প আবার আলোচনায় এসেছেন। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ডেইলি বিস্ট ট্রাম্পকে লেখা হার্পের দুটি চিঠি প্রকাশ করেছে। এর ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর হার্পের প্রভাব নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
চিঠিতে আনুগত্য ও আবেগ প্রকাশ
প্রকাশিত চিঠি দুটিতে ট্রাম্পের প্রতি হার্পের গভীর আবেগ ও আনুগত্য ফুটে উঠেছে। একটি চিঠিতে হার্প লিখেছেন, ট্রাম্পই তার কাছে সব এবং তিনি তাকে কখনো হতাশ করতে চান না। এছাড়া, তিনি নিজেকে ট্রাম্পের অযোগ্য বলেও উল্লেখ করেছেন। ২০২৩ সালে ট্রাম্পের স্কটল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড সফরের সময় চিঠিগুলো লেখা হয়। তখন হার্পের বয়স ছিল ৩১ বছর এবং ট্রাম্পের বয়স ছিল ৭৬ বছর।

ইউরোপ সফরে ঘটে যাওয়া কয়েকটি ভুলের জন্য চিঠিতে ক্ষমা চান হার্প। পাসপোর্ট ছাড়া বিমানবন্দরের কাস্টমসের বাইরে আটকে পড়ে তিনি ট্রাম্পকে ফোন করেছিলেন। পরে তিনি স্বীকার করেন, তার উচিত ছিল সিক্রেট সার্ভিসকে বিষয়টি জানানো। পাশাপাশি গলফ মাঠে গাড়িতে না উঠে হেঁটে যাওয়ার কারণেও তিনি অনুশোচনা প্রকাশ করেন।
পেশাদারিত্ব ও প্রভাব নিয়ে বিতর্ক
হার্প বর্তমানে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের বিশেষ ও নির্বাহী সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ওভাল অফিসের বাইরে বসেন এবং অন্যতম প্রধান গেটকিপার হিসেবে কাজ করেন। অনেক বিদেশী নেতাও তার মাধ্যমে ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। লেখক মাইকেল উলফ জানান, ট্রাম্পের প্রচারশিবিরের কয়েকজন কর্মী চিঠিগুলোর ছবি তুলেছিলেন। তারা হার্পের অস্বাভাবিক প্রভাব ও পেশাদারিত্ব নিয়ে বেশ চিন্তিত ছিলেন।
হোয়াইট হাউসের ব্যাখ্যা
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ডেভিস ইংল অবশ্য এসব অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি হার্পকে ট্রাম্পের সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও পরিশ্রমী কর্মীদের একজন বলে দাবি করেন। তার মতে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই সংবাদমাধ্যম এই ধরণের খবর প্রকাশ করছে।




















