ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ বন্ধ ঘোষণা, ৩ শিক্ষার্থী বহিস্কার


শহিদুল নামে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের তিন শিক্ষার্থীকে এক বছরের জন্য সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে। এ ঘটনার জেরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে হঠাৎ করেই কলেজ বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। হঠাৎ হল ত্যাগের ঘোষণায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. আনম ফজলুল হক পাঠান জানান, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের এম-৫৩ ব্যাচের এক মেয়ের সঙ্গে একই ব্যাচের অনুপমের মধ্যে সম্পর্ক ছিল। এরই মধ্যে এম-৫০ ব্যাচের শহিদুল ইসলামের সঙ্গে ফেসবুকে যোগাযোগ হয় ওই মেয়ের। ওই মেয়ের সঙ্গে শহিদুলের প্রায়ই ফেসবুকে চ্যাটিং হতো।
তিনি আরও জানান, এই খবর জানতে পেরে গেল ১৯ জানুয়ারি অনুপম তার ১৫/২০ জন সহপাঠী বন্ধুদের নিয়ে রাত ১১টার দিকে শহরের বাঘমারা মেডিক্যাল হোস্টেলের ফিজিওলজি বিল্ডিংয়ের ১০৭ নম্বর কক্ষে থাকা শহিদুলকে ডেকে মাঠে এনে শারীরিক নির্যাতন চালায়। এসময় রুমে থাকা শহিদুলের ভাই সাইফুল বাঁচাতে এলে তাকেও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা শহিদুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
এই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সোমবার বিকালে কলেজ কর্তৃপক্ষ ঘটনার সঙ্গে জড়িত একই ব্যাচের অনুপম, হিমেল ও অর্ঘ্যকে একবছরের জন্য সাময়িক বহিস্কার করে। দু’পক্ষের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য কলেজ বন্ধ ঘোষণা করে সন্ধ্যার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে র‍্যাবের কড়া নিরাপত্তা জোরদার

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ বন্ধ ঘোষণা, ৩ শিক্ষার্থী বহিস্কার

আপডেট সময় : ০৩:২৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৭


শহিদুল নামে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের তিন শিক্ষার্থীকে এক বছরের জন্য সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে। এ ঘটনার জেরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে হঠাৎ করেই কলেজ বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। হঠাৎ হল ত্যাগের ঘোষণায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. আনম ফজলুল হক পাঠান জানান, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের এম-৫৩ ব্যাচের এক মেয়ের সঙ্গে একই ব্যাচের অনুপমের মধ্যে সম্পর্ক ছিল। এরই মধ্যে এম-৫০ ব্যাচের শহিদুল ইসলামের সঙ্গে ফেসবুকে যোগাযোগ হয় ওই মেয়ের। ওই মেয়ের সঙ্গে শহিদুলের প্রায়ই ফেসবুকে চ্যাটিং হতো।
তিনি আরও জানান, এই খবর জানতে পেরে গেল ১৯ জানুয়ারি অনুপম তার ১৫/২০ জন সহপাঠী বন্ধুদের নিয়ে রাত ১১টার দিকে শহরের বাঘমারা মেডিক্যাল হোস্টেলের ফিজিওলজি বিল্ডিংয়ের ১০৭ নম্বর কক্ষে থাকা শহিদুলকে ডেকে মাঠে এনে শারীরিক নির্যাতন চালায়। এসময় রুমে থাকা শহিদুলের ভাই সাইফুল বাঁচাতে এলে তাকেও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা শহিদুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
এই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সোমবার বিকালে কলেজ কর্তৃপক্ষ ঘটনার সঙ্গে জড়িত একই ব্যাচের অনুপম, হিমেল ও অর্ঘ্যকে একবছরের জন্য সাময়িক বহিস্কার করে। দু’পক্ষের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য কলেজ বন্ধ ঘোষণা করে সন্ধ্যার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়।