ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় পিছিয়েছে। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর সিআইডিকে এই প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালতের নতুন নির্দেশনা
বৃহস্পতিবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল। তবে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তা প্রস্তুত করতে পারেনি। এর ফলে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট ও মামলা
গত বছরের ১২ ডিসেম্বর পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন ওসমান হাদি। দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে দুষ্কৃতকারীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এর পর তারা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় মামলা দায়ের করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। গুরুতর আহত হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
পরবর্তীতে ২০ ডিসেম্বর তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের ভিত্তিতে মামলায় ৩০২ ধারা যুক্ত করা হয়। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ এই হত্যা ধারা সংযোজনের আদেশ দেন।
অধিকতর তদন্তের কারণ
মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিবি পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি আদালত চার্জশিট জমা দেন। সেখানে তিনি ১৭ জনকে অভিযুক্ত করেন। কিন্তু এই চার্জশিট দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মামলার বাদী।
তাই ১৫ জানুয়ারি আদালতে নারাজি আবেদন দাখিল করেন বাদী আব্দুল্লাহ আল জাবের। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করে সিআইডিকে আবার তদন্তের নির্দেশ দেন। উল্লেখ্য, অভিযুক্ত ১৭ জনের মধ্যে ১১ জন কারাগারে আছেন। কিন্তু বাকি ৬ জন আসামি এখনও পলাতক রয়েছে।




















