ঢাকা ১১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশে মাথাপিছু ঋণ ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত দেশের মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ টাকা।

আজ রোববার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন।

সংসদ সদস্য রেজা আহমেদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, জনগণের ওপর মাথাপিছু ঋণের বোঝা কমাতে সরকার রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি, সরকারি অর্থায়নের সুষ্ঠু ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং ঋণ ব্যবস্থাপনাকে আরও শৃঙ্খলাবদ্ধ করার ওপর জোর দিচ্ছে।

এ লক্ষ্যে রাজস্ব আদায়ের পরিধি বাড়িয়ে, কর ও কর-বহির্ভূত রাজস্ব বৃদ্ধি এবং সরকারের নিজস্ব আয় বাড়িয়ে ঋণের প্রয়োজনীয়তা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।

একইসঙ্গে সরকারি ব্যয়কে আরও সাশ্রয়ী ও কার্যকর করা এবং অপ্রয়োজনীয় ও কম অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যয় নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সরকারের অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তা কমানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী জানান, সরকারি ঋণের সুদের হার ও পুনর্বিত্তায়নের ঝুঁকি কমাতে বাজারভিত্তিক ও শৃঙ্খলাবদ্ধ ঋণ সম্প্রসারণ এবং সরকারি সিকিউরিটিজ বাজারকে আরও কার্যকর ও প্রতিযোগিতামূলক করার নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

এ উদ্দেশ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণের বাজার সংস্কার ও বিনিয়োগকারীর ভিত্তি তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে অতিরিক্ত ঋণ গ্রহণ নিয়ন্ত্রণে নির্ধারিত সীমা অনুসরণ করা হচ্ছে এবং সঞ্চয়পত্রের সুদের বা মুনাফার হারকে বাজারের পরিস্থিতি ও প্রচলিত সুদের হারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

এতে অপেক্ষাকৃত উচ্চ ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং সরকারের সামগ্রিক সুদ-ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি একটি আরও ভারসাম্যপূর্ণ ঋণ পোর্টফোলিও তৈরি করা সম্ভব হবে।

এছাড়া, অতিরিক্ত ও অপরিকল্পিত ঋণ গ্রহণ এড়াতে একটি ‘বার্ষিক ঋণ গ্রহণ পরিকল্পনা’ প্রণয়ন ও তা অনুসরণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

জনপ্রিয় সংবাদ

চলতি সেপ্টেম্বরেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল

দেশে মাথাপিছু ঋণ ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা

আপডেট সময় : ১০:১৪:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত দেশের মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ টাকা।

আজ রোববার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন।

সংসদ সদস্য রেজা আহমেদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, জনগণের ওপর মাথাপিছু ঋণের বোঝা কমাতে সরকার রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি, সরকারি অর্থায়নের সুষ্ঠু ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং ঋণ ব্যবস্থাপনাকে আরও শৃঙ্খলাবদ্ধ করার ওপর জোর দিচ্ছে।

এ লক্ষ্যে রাজস্ব আদায়ের পরিধি বাড়িয়ে, কর ও কর-বহির্ভূত রাজস্ব বৃদ্ধি এবং সরকারের নিজস্ব আয় বাড়িয়ে ঋণের প্রয়োজনীয়তা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।

একইসঙ্গে সরকারি ব্যয়কে আরও সাশ্রয়ী ও কার্যকর করা এবং অপ্রয়োজনীয় ও কম অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যয় নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সরকারের অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তা কমানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী জানান, সরকারি ঋণের সুদের হার ও পুনর্বিত্তায়নের ঝুঁকি কমাতে বাজারভিত্তিক ও শৃঙ্খলাবদ্ধ ঋণ সম্প্রসারণ এবং সরকারি সিকিউরিটিজ বাজারকে আরও কার্যকর ও প্রতিযোগিতামূলক করার নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

এ উদ্দেশ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণের বাজার সংস্কার ও বিনিয়োগকারীর ভিত্তি তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে অতিরিক্ত ঋণ গ্রহণ নিয়ন্ত্রণে নির্ধারিত সীমা অনুসরণ করা হচ্ছে এবং সঞ্চয়পত্রের সুদের বা মুনাফার হারকে বাজারের পরিস্থিতি ও প্রচলিত সুদের হারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

এতে অপেক্ষাকৃত উচ্চ ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং সরকারের সামগ্রিক সুদ-ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি একটি আরও ভারসাম্যপূর্ণ ঋণ পোর্টফোলিও তৈরি করা সম্ভব হবে।

এছাড়া, অতিরিক্ত ও অপরিকল্পিত ঋণ গ্রহণ এড়াতে একটি ‘বার্ষিক ঋণ গ্রহণ পরিকল্পনা’ প্রণয়ন ও তা অনুসরণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।