ঢাকা ০২:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেপ্টেম্বরের ৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১১ হাজার কোটি টাকা

সেপ্টেম্বরের ৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১১ হাজার কোটি টাকা

চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম আট দিনে দেশে ৯০ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। ফলে দেশীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ হাজার ১১৯ কোটি ২০ লাখ টাকা। তবে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ১২৩ টাকা ধরে এই হিসাব করা হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য প্রকাশ করেন।

গত বছরের তুলনায় আয় বৃদ্ধি

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, গত বছরের সেপ্টেম্বরের প্রথম আট দিনে দেশে ৮৮ কোটি ১০ লাখ ডলার এসেছিল। কিন্তু চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহে গতি ফিরে আসছে।

চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্সের চিত্র

এছাড়া চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ৬৭৩ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। অথচ গত অর্থবছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ৫৭৮ কোটি ডলার।

অতএব চলতি অর্থবছরে গত বছরের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১৬ দশমিক ৪০ শতাংশ। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সেপ্টেম্বরের ৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১১ হাজার কোটি টাকা

আপডেট সময় : ০১:১১:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম আট দিনে দেশে ৯০ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। ফলে দেশীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ হাজার ১১৯ কোটি ২০ লাখ টাকা। তবে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ১২৩ টাকা ধরে এই হিসাব করা হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য প্রকাশ করেন।

গত বছরের তুলনায় আয় বৃদ্ধি

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, গত বছরের সেপ্টেম্বরের প্রথম আট দিনে দেশে ৮৮ কোটি ১০ লাখ ডলার এসেছিল। কিন্তু চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহে গতি ফিরে আসছে।

চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্সের চিত্র

এছাড়া চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ৬৭৩ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। অথচ গত অর্থবছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ৫৭৮ কোটি ডলার।

অতএব চলতি অর্থবছরে গত বছরের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১৬ দশমিক ৪০ শতাংশ। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হচ্ছে।