ঢাকা ০৩:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের বিরোধিতার মধ্যেই পঞ্চমবার কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর



ফটোকার্ড ডাউনলোড

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের পঞ্চম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টের নির্বাচনে জয় পেয়েছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ও বর্তমান কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর। রিপাবলিকান প্রার্থী জন নাগেলকে পরাজিত করে টানা পঞ্চমবারের মতো প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে তার জয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সিবিএস নিউজ।

মিনেসোটার পঞ্চম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টের অন্তর্ভুক্ত মিনিয়াপোলিস ও আশপাশের শহরতলি। এটি অঙ্গরাজ্যটির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ডেমোক্রেটিক-প্রধান নির্বাচনী এলাকা হিসেবে পরিচিত। ২০১৯ সাল থেকে এই আসনের প্রতিনিধিত্ব করছেন ইলহান ওমর।

গত আগস্টে অনুষ্ঠিত দলীয় প্রাথমিক নির্বাচনে জুলি টি লে, আবেনা ম্যাকেঞ্জি, লাটোনিয়া রিভস ও নেট শ্লুটারকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেন তিনি। এর আগে মে মাসে দলটির অঙ্গরাজ্য সম্মেলনেও তার প্রতি সমর্থন জানানো হয়।

সোমালিয়া থেকে শরণার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আসা ইলহান ওমর দীর্ঘদিন ধরেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী বক্তব্যের লক্ষ্যবস্তু। প্রথমবার নির্বাচিত হওয়ার পর ট্রাম্প তাকে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার কথা বলেছিলেন। বিভিন্ন সময়ে তাকে ‘আবর্জনা’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

সাম্প্রতিক সময়ে ইলহান ওমরকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়। গত মাসে ওয়াশিংটন ডিসিতে তার বাসভবনে অভিযান চালান হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের তদন্তকারীরা। শৈশবে তার প্রয়াত বাবা অভিবাসনসংক্রান্ত যে নথিপত্র জমা দিয়েছিলেন, তা নিয়ে তদন্তের অংশ হিসেবে এ অভিযান চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে এ ঘটনাকে ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ওমর। তার ভাষ্য, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে লক্ষ্যবস্তু করতে কেন্দ্রীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে এটি নজিরবিহীন পদক্ষেপ।

অন্যদিকে রিপাবলিকান প্রার্থী জন নাগেল মিনেসোটা স্টেট প্যাট্রলে সাবেক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নির্বাচনী প্রচারে তিনি সরকারি অর্থের অপব্যবহার রোধে কঠোর ব্যবস্থা, মেডিকেয়ার ও মেডিকেইড কর্মসূচি সুরক্ষা, সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা আইন সংস্কার এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। পাশাপাশি জাতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার বিষয়টিও তার নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ ছিল।

ট্রাম্পের বিরোধিতার মধ্যেই পঞ্চমবার কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর

আপডেট সময় : ০২:২৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬


ফটোকার্ড ডাউনলোড

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের পঞ্চম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টের নির্বাচনে জয় পেয়েছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ও বর্তমান কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর। রিপাবলিকান প্রার্থী জন নাগেলকে পরাজিত করে টানা পঞ্চমবারের মতো প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে তার জয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সিবিএস নিউজ।

মিনেসোটার পঞ্চম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টের অন্তর্ভুক্ত মিনিয়াপোলিস ও আশপাশের শহরতলি। এটি অঙ্গরাজ্যটির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ডেমোক্রেটিক-প্রধান নির্বাচনী এলাকা হিসেবে পরিচিত। ২০১৯ সাল থেকে এই আসনের প্রতিনিধিত্ব করছেন ইলহান ওমর।

গত আগস্টে অনুষ্ঠিত দলীয় প্রাথমিক নির্বাচনে জুলি টি লে, আবেনা ম্যাকেঞ্জি, লাটোনিয়া রিভস ও নেট শ্লুটারকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেন তিনি। এর আগে মে মাসে দলটির অঙ্গরাজ্য সম্মেলনেও তার প্রতি সমর্থন জানানো হয়।

সোমালিয়া থেকে শরণার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আসা ইলহান ওমর দীর্ঘদিন ধরেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী বক্তব্যের লক্ষ্যবস্তু। প্রথমবার নির্বাচিত হওয়ার পর ট্রাম্প তাকে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার কথা বলেছিলেন। বিভিন্ন সময়ে তাকে ‘আবর্জনা’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

সাম্প্রতিক সময়ে ইলহান ওমরকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়। গত মাসে ওয়াশিংটন ডিসিতে তার বাসভবনে অভিযান চালান হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের তদন্তকারীরা। শৈশবে তার প্রয়াত বাবা অভিবাসনসংক্রান্ত যে নথিপত্র জমা দিয়েছিলেন, তা নিয়ে তদন্তের অংশ হিসেবে এ অভিযান চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে এ ঘটনাকে ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ওমর। তার ভাষ্য, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে লক্ষ্যবস্তু করতে কেন্দ্রীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে এটি নজিরবিহীন পদক্ষেপ।

অন্যদিকে রিপাবলিকান প্রার্থী জন নাগেল মিনেসোটা স্টেট প্যাট্রলে সাবেক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নির্বাচনী প্রচারে তিনি সরকারি অর্থের অপব্যবহার রোধে কঠোর ব্যবস্থা, মেডিকেয়ার ও মেডিকেইড কর্মসূচি সুরক্ষা, সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা আইন সংস্কার এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। পাশাপাশি জাতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার বিষয়টিও তার নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ ছিল।