ঢাকা ১২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিরাজ মাস্টারের ফাঁসি, আমৃত্যু কারাদণ্ড আকরামের

স্টাফ রিপোর্টার,
398
মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত বাগেরহাটের শেখ সিরাজুল ইসলাম ওরফে সিরাজ মাস্টারকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে অথবা ফায়ারিং স্কোয়াডে গুলি করে মৃত্যুদণ্ড ও খান আকরাম হোসেনকে আমৃত্যু কারাদ- দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করেন চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হকের সমন্বয়ে ৩ সদস্যের ট্রাইব্যুনাল।
হত্যা-গণহত্যা, আটক, অপহরণ, নির্যাতন এবং শতাধিক বাড়ি-ঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের সাতটি অভিযোগের মধ্যে ৬টিই প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকে এ দণ্ড দেয়া হয়েছে। এ মামলার তিনজন আসামির মধ্যে অন্যজন আব্দুল লতিফ তালুকদার গত ২৮শে জুলাই মারা গেছেন। ফলে গত ৫ই আগস্ট তাকে মামলার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয় আদালত।
সাতটি অভিযোগের মধ্যে সিরাজ মাস্টার ছয়টিতে এবং খান আকরাম ৩টিতে অভিযুক্ত হন। সিরাজ মাস্টারের বিরুদ্ধে আনা ছয়টির মধ্যে পাঁচটি প্রমাণিত অভিযোগের সবগুলোতেই তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। আকরাম তার তিন অভিযোগের মধ্যে প্রমাণিত একটিতে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ পেয়েছেন।
অভিযোগগুলোর মধ্যে ছিল বাগেরহাটের শাঁখারিকাঠি বাজার, রনজিৎপুর, ডাকরা ও কান্দাপাড়া গণহত্যাসহ ৮ শতাধিক মানুষকে হত্যা-গণহত্যা, আটক, অপহরণ, নির্যাতন এবং শতাধিক বাড়ি-ঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ।

জনপ্রিয় সংবাদ

এফবিআই’র ড্রোন হ্যাকের দাবি ইরানের, বিশ্বকাপে হামলার হুমকি

সিরাজ মাস্টারের ফাঁসি, আমৃত্যু কারাদণ্ড আকরামের

আপডেট সময় : ০৬:২৬:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার,
398
মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত বাগেরহাটের শেখ সিরাজুল ইসলাম ওরফে সিরাজ মাস্টারকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে অথবা ফায়ারিং স্কোয়াডে গুলি করে মৃত্যুদণ্ড ও খান আকরাম হোসেনকে আমৃত্যু কারাদ- দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করেন চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হকের সমন্বয়ে ৩ সদস্যের ট্রাইব্যুনাল।
হত্যা-গণহত্যা, আটক, অপহরণ, নির্যাতন এবং শতাধিক বাড়ি-ঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের সাতটি অভিযোগের মধ্যে ৬টিই প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকে এ দণ্ড দেয়া হয়েছে। এ মামলার তিনজন আসামির মধ্যে অন্যজন আব্দুল লতিফ তালুকদার গত ২৮শে জুলাই মারা গেছেন। ফলে গত ৫ই আগস্ট তাকে মামলার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয় আদালত।
সাতটি অভিযোগের মধ্যে সিরাজ মাস্টার ছয়টিতে এবং খান আকরাম ৩টিতে অভিযুক্ত হন। সিরাজ মাস্টারের বিরুদ্ধে আনা ছয়টির মধ্যে পাঁচটি প্রমাণিত অভিযোগের সবগুলোতেই তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। আকরাম তার তিন অভিযোগের মধ্যে প্রমাণিত একটিতে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ পেয়েছেন।
অভিযোগগুলোর মধ্যে ছিল বাগেরহাটের শাঁখারিকাঠি বাজার, রনজিৎপুর, ডাকরা ও কান্দাপাড়া গণহত্যাসহ ৮ শতাধিক মানুষকে হত্যা-গণহত্যা, আটক, অপহরণ, নির্যাতন এবং শতাধিক বাড়ি-ঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ।