ঢাকা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দ্বন্দ্ব না থাকলে হয়তো এই পরাজয় হতো না : কাঞ্চন

দ্বন্দ্ব না থাকলে হয়তো এই পরাজয় হতো না : কাঞ্চন

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই সরগরম ওপার বাংলার রাজনীতি। তবে এই উত্তাপের মাঝেও নিজের সিদ্ধান্তে অনড় উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়ক ও জনপ্রিয় অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। আগেই ঘোষণা করেছিলেন ২০২৬-এর ময়দানে তিনি আর নেই।

এবার হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা আর দলের ভেতরের ‘কাঁদা ছোড়াছুড়ি’ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন এই অভিনেতা। কাঞ্চনের সাফ কথা, ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না থাকলে হয়তো এই পরাজয় হতো না।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আহ্বানে রাজনীতিতে এলেও পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর হয়নি তার।

কাঞ্চন আক্ষেপ করে বলেন, ‘বিপুল ভোটে জেতার পরেও নিজের কোনো অফিস পাইনি। মাখলার একটা ক্লাবে বসে মানুষের কাজ করতে হয়েছে। দলের শীর্ষ নেতাদের কারো কাছ থেকে পেয়েছি মিষ্টি ব্যবহার, আবার কারো কাছে জুটেছে অসহযোগিতা। শুধু মম দিদির মুখের দিকে তাকিয়ে এতদিন মুখ বুজে সব সহ্য করেছি।’

রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল, তা নিয়ে এখন আর কোনো সংশয় নেই এই অভিনেতার মনে। তিনি মনে করেন, ৩০ বছরের অভিনয় জীবনে তিনি যতটা দক্ষ, রাজনীতির ময়দানে ততটা নন। কাঞ্চন বলেন, ‘আমি অভিনয়ের মানুষ। রাজনীতির ব্যক্তিগত আক্রমণ আর নোংরামি নিতে পারছি না। তবে আমি মাথা উঁচু করে, শিরদাঁড়া সোজা রেখে বিদায় নিচ্ছি।’

রাজনৈতিক এই টানাপোড়েনের মাঝেই আজ (৬ মে) কাঞ্চন মল্লিকের জন্মদিন। পরাজয়ের গ্লানি বা রাজনীতির মারপ্যাঁচ সরিয়ে রেখে দিনটি তিনি কাটাতে চান মেয়ে কৃষভি আর স্ত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজের সঙ্গে। জন্মদিন উপলক্ষে শ্রীময়ী ঘরেই কাঞ্চনের প্রিয় পদগুলো রান্নার তোড়জোড় করছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

দ্বন্দ্ব না থাকলে হয়তো এই পরাজয় হতো না : কাঞ্চন

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই সরগরম ওপার বাংলার রাজনীতি। তবে এই উত্তাপের মাঝেও নিজের সিদ্ধান্তে অনড় উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়ক ও জনপ্রিয় অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। আগেই ঘোষণা করেছিলেন ২০২৬-এর ময়দানে তিনি আর নেই।

এবার হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা আর দলের ভেতরের ‘কাঁদা ছোড়াছুড়ি’ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন এই অভিনেতা। কাঞ্চনের সাফ কথা, ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না থাকলে হয়তো এই পরাজয় হতো না।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আহ্বানে রাজনীতিতে এলেও পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর হয়নি তার।

কাঞ্চন আক্ষেপ করে বলেন, ‘বিপুল ভোটে জেতার পরেও নিজের কোনো অফিস পাইনি। মাখলার একটা ক্লাবে বসে মানুষের কাজ করতে হয়েছে। দলের শীর্ষ নেতাদের কারো কাছ থেকে পেয়েছি মিষ্টি ব্যবহার, আবার কারো কাছে জুটেছে অসহযোগিতা। শুধু মম দিদির মুখের দিকে তাকিয়ে এতদিন মুখ বুজে সব সহ্য করেছি।’

রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল, তা নিয়ে এখন আর কোনো সংশয় নেই এই অভিনেতার মনে। তিনি মনে করেন, ৩০ বছরের অভিনয় জীবনে তিনি যতটা দক্ষ, রাজনীতির ময়দানে ততটা নন। কাঞ্চন বলেন, ‘আমি অভিনয়ের মানুষ। রাজনীতির ব্যক্তিগত আক্রমণ আর নোংরামি নিতে পারছি না। তবে আমি মাথা উঁচু করে, শিরদাঁড়া সোজা রেখে বিদায় নিচ্ছি।’

রাজনৈতিক এই টানাপোড়েনের মাঝেই আজ (৬ মে) কাঞ্চন মল্লিকের জন্মদিন। পরাজয়ের গ্লানি বা রাজনীতির মারপ্যাঁচ সরিয়ে রেখে দিনটি তিনি কাটাতে চান মেয়ে কৃষভি আর স্ত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজের সঙ্গে। জন্মদিন উপলক্ষে শ্রীময়ী ঘরেই কাঞ্চনের প্রিয় পদগুলো রান্নার তোড়জোড় করছেন।