ঢাকা ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে ৭৪০ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক ২

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে ৭৪০ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক ২

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে বড় ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে থানা পুলিশ। এই অভিযানে ৭৪০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিলসহ দুই জনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে দুর্গাপুর পৌর এলাকার বাগিচাপাড়ায়।

গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে এই অভিযান পরিচালিত হয়। পুলিশ বাগিচাপাড়া এলাকার জলিল আকন্দের বাড়িতে হানা দেয়। জলিল আকন্দ মিরাজ আলী আকন্দের ছেলে এবং তার বয়স ৪৫ বছর।

তবে অভিযানের খবর টের পেয়ে জলিল আকন্দ পালিয়ে যান। এরপর পুলিশ তার স্ত্রী নাজমুন নাহার খানম (তামান্না) ও শ্বশুর শফিকুল ইসলামকে আটক করে। মাদক কারবারে জড়িত থাকার সন্দেহে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

দুর্গাপুর থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। পুলিশের নিজস্ব সোর্স থেকে গোপন সংবাদ পাওয়ার পরই তারা তৎপর হয়। সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আওতায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

অভিযানকালে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ফেনসিডিলগুলো উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ত্রিশ লক্ষ টাকা।

ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ জানান, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে দুর্গাপুরে নিয়মিত অভিযান চলছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করবে। এছাড়া আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের অভিযানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে ৭৪০ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক ২

আপডেট সময় : ১০:০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে বড় ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে থানা পুলিশ। এই অভিযানে ৭৪০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিলসহ দুই জনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে দুর্গাপুর পৌর এলাকার বাগিচাপাড়ায়।

গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে এই অভিযান পরিচালিত হয়। পুলিশ বাগিচাপাড়া এলাকার জলিল আকন্দের বাড়িতে হানা দেয়। জলিল আকন্দ মিরাজ আলী আকন্দের ছেলে এবং তার বয়স ৪৫ বছর।

তবে অভিযানের খবর টের পেয়ে জলিল আকন্দ পালিয়ে যান। এরপর পুলিশ তার স্ত্রী নাজমুন নাহার খানম (তামান্না) ও শ্বশুর শফিকুল ইসলামকে আটক করে। মাদক কারবারে জড়িত থাকার সন্দেহে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

দুর্গাপুর থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। পুলিশের নিজস্ব সোর্স থেকে গোপন সংবাদ পাওয়ার পরই তারা তৎপর হয়। সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আওতায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

অভিযানকালে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ফেনসিডিলগুলো উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ত্রিশ লক্ষ টাকা।

ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ জানান, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে দুর্গাপুরে নিয়মিত অভিযান চলছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করবে। এছাড়া আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের অভিযানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।