শরণখোলায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার বাগেরহাটের শরণখোলায় তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিল রাফি আকন (৯)। আজ দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত রাফি আমড়াগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র ছিল। সে ওই এলাকার জসিম আকনের ছেলে।
গত সোমবার সকালে স্থানীয়রা খালে মরদেহ ভাসতে দেখেন। এরপর তারা দ্রুত শরণখোলা থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে খাল থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার পেছনের রহস্য ও নিখোঁজ সংবাদ গত শুক্রবার বিকেল চারটায় নিজ বাড়ি থেকে রাফি নিখোঁজ হয়। স্বজনেরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেও তার সন্ধান পাননি। ফলে শনিবার পরিবারের পক্ষ থেকে শরণখোলা থানায় একটি জিডি করা হয়।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো এলাকাজুড়ে চরম শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার ও জড়িতদের শাস্তি চেয়েছে।
শরীরে আঘাতের চিহ্ন ও পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, শিশুটিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। মোরেলগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদ খান ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শিশুটির শরীরে বেশ কিছু আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
এছাড়া মরদেহ খালের পানিতে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা চালানো হয়। তবে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ রহস্য উন্মোচনে কাজ শুরু করেছে। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা ইতোমধ্যেই মাঠে নেমে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ জন আটক শরণখোলা থানা পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে এক নারীসহ ৫ জনকে আটক করেছে। আটককৃতদের বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রেখে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
তবে ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। পুলিশ জানায়, পারিবারিক বিরোধ বা অন্য কোনো ষড়যন্ত্র আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি এলাকায় বর্তমানে গোয়েন্দা নজরদারি ও পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে।



























