ভারত শিগগিরই বাংলাদেশে ২০টি রেল কোচ পাঠাতে যাচ্ছে। পাঞ্জাবের একটি রেল কোচ ফ্যাক্টরিতে এসব কোচ তৈরি করা হয়েছে। এরপর দ্রুত সময়ের মধ্যেই রপ্তানির জন্য কোচগুলো হস্তান্তর করা হবে।
গতকাল মঙ্গলবার ভারতীয় রেলওয়ে এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে।
২০০ কোচের অর্ডারের অংশ
২০২৪ সালে বাংলাদেশ ভারতের কাছে ২০০টি রেল কোচের অর্ডার দেয়। এর মধ্যে ২০টি কোচ ইতিমধ্যে প্রস্তুত হয়ে গেছে। গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এলএইচবি কোচগুলো নিরাপত্তা, কম খরচে রক্ষণাবেক্ষণ ও উচ্চতর পরিচালন দক্ষতার জন্য সুপরিচিত।
কোচের গঠন কেমন হবে
২০ কোচের এই রেকে থাকছে তিনটি এসি স্লিপার কোচ। পাশাপাশি থাকছে তিনটি এসি চেয়ার কার এবং ১২টি নন-এসি চেয়ার কার। এর সঙ্গে যুক্ত থাকবে দুটি পাওয়ার কার।
তবে এবারের কোচগুলোতে নতুনত্বও আছে। নির্মাতারা এমন কিছু ডিজাইন যুক্ত করেছেন এবং মোডিফিকেশন করেছেন, যা আগে কোনো এলএইচবি কোচে দেখা যায়নি।
ধাপে ধাপে আসবে সব কোচ
গত এপ্রিলে রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সংসদে এই আমদানির বিষয়ে জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ২০২৬ সালের জুন থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ধাপে ধাপে কোচগুলো বাংলাদেশে পৌঁছাবে।
এর আগেও ভারতের প্রতিষ্ঠান আরআইটিইএস বাংলাদেশকে সহযোগিতা করেছে। তারা ১২০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ সরবরাহ করেছিল। এছাড়া ৩৬টি বিজি লোকোমোটিভ ও ১০টি মিটারগেজ লোকোমোটিভও দিয়েছিল তারা। উপরন্তু বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নেও তারা ভূমিকা রেখেছে।
সংকট মোকাবিলায় নতুন আশা
বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ে ব্রডগেজ কোচ ও মিটারগেজ ইঞ্জিনের সংকটে ভুগছে। ফলে নতুন ২০টি ব্রডগেজ কোচ আসার পর এই সংকট কিছুটা হলেও কমতে পারে।





















