ঢাকা ০৩:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য সম্পর্ক সহজ করতে যৌথ উদ্যোগ

বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য সম্পর্ক সহজ করতে যৌথ উদ্যোগ

বাংলাদেশ ও ভারতের অর্থনৈতিক সহযোগিতা নতুন করে গতি পাচ্ছে। সম্প্রতি সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর ফলে দুই দেশের বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতাগুলো দ্রুত দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাণিজ্যিক বাধা দূর করার আহ্বান
বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য সহজ করার বেশ কিছু প্রস্তাব ওঠে আসে। মূলত বন্ধ থাকা সীমান্ত হাটগুলো পুনরায় চালু করার দাবি জানানো হয়।
এছাড়া স্থলবন্দরগুলোকে পূর্ণ সক্ষমতায় ব্যবহার করা প্রয়োজন। পাশাপাশি স্থলপথে সুতা আমদানির ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
১৩ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য সম্প্রসারণের পরিকল্পনা
বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য রয়েছে। কিন্তু বিগত দেড় বছরে কিছু সমস্যার কারণে এই বাণিজ্য কিছুটা ধীরগতির হয়ে পড়ে।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। নতুন বিনিয়োগ বাড়াতে এবং বাণিজ্য সহজ করতে একটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের পরিকল্পনা চলছে। এছাড়া ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের দিকেও মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে।
গার্মেন্টস খাতে যৌথ বিনিয়োগের সুযোগ
ভারতীয় হাইকমিশনার জানান, দুই দেশের সম্পর্ক সমতার ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়া উচিত। অর্থনৈতিক সম্পর্ক মজবুত হলে অন্য ক্ষেত্রগুলোও শক্তিশালী হবে।
তিনি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সাথে জিপার, বোতাম ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহ করে যৌথ অংশীদারিত্ব বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস সংকটে রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পিনিং রিজার্ভ নিয়ে বড় ঝুঁকি

বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য সম্পর্ক সহজ করতে যৌথ উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০২:০৯:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ ও ভারতের অর্থনৈতিক সহযোগিতা নতুন করে গতি পাচ্ছে। সম্প্রতি সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর ফলে দুই দেশের বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতাগুলো দ্রুত দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাণিজ্যিক বাধা দূর করার আহ্বান
বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য সহজ করার বেশ কিছু প্রস্তাব ওঠে আসে। মূলত বন্ধ থাকা সীমান্ত হাটগুলো পুনরায় চালু করার দাবি জানানো হয়।
এছাড়া স্থলবন্দরগুলোকে পূর্ণ সক্ষমতায় ব্যবহার করা প্রয়োজন। পাশাপাশি স্থলপথে সুতা আমদানির ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
১৩ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য সম্প্রসারণের পরিকল্পনা
বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য রয়েছে। কিন্তু বিগত দেড় বছরে কিছু সমস্যার কারণে এই বাণিজ্য কিছুটা ধীরগতির হয়ে পড়ে।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। নতুন বিনিয়োগ বাড়াতে এবং বাণিজ্য সহজ করতে একটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের পরিকল্পনা চলছে। এছাড়া ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের দিকেও মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে।
গার্মেন্টস খাতে যৌথ বিনিয়োগের সুযোগ
ভারতীয় হাইকমিশনার জানান, দুই দেশের সম্পর্ক সমতার ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়া উচিত। অর্থনৈতিক সম্পর্ক মজবুত হলে অন্য ক্ষেত্রগুলোও শক্তিশালী হবে।
তিনি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সাথে জিপার, বোতাম ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহ করে যৌথ অংশীদারিত্ব বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন।