ঢাকা ০১:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘ডিক্টেটর’ মিম নিয়ে মুখ খুললেন এমবাপ্পে

রিয়াল মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে এবার মুখ খুলেছেন তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলমান ‘ডিক্টেটর’ মিম নিয়ে। সামাজিক মাধ্যমে কিছু ভক্ত তাকে এই নামে ডাকেন। এমবাপ্পে বলেছেন, এই তুলনায় তিনি একদিকে মজা পান, আবার অস্বস্তিও বোধ করেন।

ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমবাপ্পে এই বিষয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, এই ডাকনাম বেশিরভাগ সময় মজা করেই দেওয়া হয়। কিন্তু ইতিহাসের স্বৈরশাসকদের সঙ্গে তুলনা করাটা তার কাছে শুধু মজার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কারণ এই স্বৈরশাসকরা লাখো মানুষের মৃত্যু ও দুর্ভোগের কারণ হয়েছিলেন।

এমবাপ্পে বলেন, ‘বিষয়টা কিছুটা মজার, কারণ কিছু মানুষের কাছে মনে হয় এটা শুধুই একটা রসিকতা। কিন্তু এর একটা গুরুতর দিকও আছে, কারণ আমরা জানি এই ধরনের মানুষরা ইতিহাসে কী ক্ষতি করে গেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা মানুষ হত্যা করেছে, বা লাখো লাখো মানুষের দুর্দশার কারণ হয়েছে, তাদের সঙ্গে আমার তুলনা করা হচ্ছে… আমি মনে করি না আমি জীবনে কখনো এই ধরনের কিছু করেছি।’

এমবাপ্পে মনে করেন, এই ডাকনাম মূলত ঠাট্টা হিসেবেই দেওয়া হয়। তবে তিনি এটাও মনে করেন, এর পেছনে কিছুটা রাজনৈতিক ও মানবিক সচেতনতার অভাবও থাকতে পারে।

তিনি বলেন, ‘এখানে বিভিন্ন বিষয় মিশে আছে। একদিকে আমি জানি এটা মজা করে বলা হয়, এতটা গুরুতর নয়। কিন্তু কখনো কখনো এটা মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক ও মানবিক সচেতনতার অভাব প্রকাশ করে।’

তবে একজন মানুষ আছেন, যিনি এই রসিকতাকে সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেন। তিনি হলেন এমবাপ্পের ফ্রান্স জাতীয় দলের সতীর্থ উসমান দেম্বেলে। প্যারিস সেইন্ট জার্মেইঁর সাবেক এই দুই সতীর্থের নিজেদের মধ্যে একটা মজার সম্পর্ক আছে। একবার দেম্বেলে মজা করে এমবাপ্পেকে ‘মোবুতু’ বলে ডেকেছিলেন। মোবুতু সেসে সেকো ছিলেন জায়ারের স্বৈরশাসক। এখন এই দেশটির নাম গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র। মোবুতু ২৫ বছর এই দেশ শাসন করেছিলেন।

এমবাপ্পে বলেন, ‘দেম্বেলে ভিন্ন। সে সামাজিক মাধ্যমে এই বিষয়টা প্রথম দেখেছিল! সে শুধু হাসে।’

ব্যালন ডি’অর নিয়েও কথা বলেছেন এমবাপ্পে। এই বছরের ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে তিনি কাকে ভোট দেবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা সহজ উত্তর দেন।

তিনি বলেন, ‘আমি কাকে ভোট দেব? নিজেকে। আমার মনে হয় এই বছর আমি এটা জিততে পারি। তাই আমি নিজেকে এই দৌড় থেকে বাদ দিইনি।’

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ডিক্টেটর’ মিম নিয়ে মুখ খুললেন এমবাপ্পে

আপডেট সময় : ১২:১৩:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রিয়াল মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে এবার মুখ খুলেছেন তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলমান ‘ডিক্টেটর’ মিম নিয়ে। সামাজিক মাধ্যমে কিছু ভক্ত তাকে এই নামে ডাকেন। এমবাপ্পে বলেছেন, এই তুলনায় তিনি একদিকে মজা পান, আবার অস্বস্তিও বোধ করেন।

ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমবাপ্পে এই বিষয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, এই ডাকনাম বেশিরভাগ সময় মজা করেই দেওয়া হয়। কিন্তু ইতিহাসের স্বৈরশাসকদের সঙ্গে তুলনা করাটা তার কাছে শুধু মজার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কারণ এই স্বৈরশাসকরা লাখো মানুষের মৃত্যু ও দুর্ভোগের কারণ হয়েছিলেন।

এমবাপ্পে বলেন, ‘বিষয়টা কিছুটা মজার, কারণ কিছু মানুষের কাছে মনে হয় এটা শুধুই একটা রসিকতা। কিন্তু এর একটা গুরুতর দিকও আছে, কারণ আমরা জানি এই ধরনের মানুষরা ইতিহাসে কী ক্ষতি করে গেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা মানুষ হত্যা করেছে, বা লাখো লাখো মানুষের দুর্দশার কারণ হয়েছে, তাদের সঙ্গে আমার তুলনা করা হচ্ছে… আমি মনে করি না আমি জীবনে কখনো এই ধরনের কিছু করেছি।’

এমবাপ্পে মনে করেন, এই ডাকনাম মূলত ঠাট্টা হিসেবেই দেওয়া হয়। তবে তিনি এটাও মনে করেন, এর পেছনে কিছুটা রাজনৈতিক ও মানবিক সচেতনতার অভাবও থাকতে পারে।

তিনি বলেন, ‘এখানে বিভিন্ন বিষয় মিশে আছে। একদিকে আমি জানি এটা মজা করে বলা হয়, এতটা গুরুতর নয়। কিন্তু কখনো কখনো এটা মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক ও মানবিক সচেতনতার অভাব প্রকাশ করে।’

তবে একজন মানুষ আছেন, যিনি এই রসিকতাকে সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেন। তিনি হলেন এমবাপ্পের ফ্রান্স জাতীয় দলের সতীর্থ উসমান দেম্বেলে। প্যারিস সেইন্ট জার্মেইঁর সাবেক এই দুই সতীর্থের নিজেদের মধ্যে একটা মজার সম্পর্ক আছে। একবার দেম্বেলে মজা করে এমবাপ্পেকে ‘মোবুতু’ বলে ডেকেছিলেন। মোবুতু সেসে সেকো ছিলেন জায়ারের স্বৈরশাসক। এখন এই দেশটির নাম গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র। মোবুতু ২৫ বছর এই দেশ শাসন করেছিলেন।

এমবাপ্পে বলেন, ‘দেম্বেলে ভিন্ন। সে সামাজিক মাধ্যমে এই বিষয়টা প্রথম দেখেছিল! সে শুধু হাসে।’

ব্যালন ডি’অর নিয়েও কথা বলেছেন এমবাপ্পে। এই বছরের ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে তিনি কাকে ভোট দেবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা সহজ উত্তর দেন।

তিনি বলেন, ‘আমি কাকে ভোট দেব? নিজেকে। আমার মনে হয় এই বছর আমি এটা জিততে পারি। তাই আমি নিজেকে এই দৌড় থেকে বাদ দিইনি।’