ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলতে চেয়েছিলেন অজি অধিনায়ক

অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মিচেল মার্শ স্যাম ও টম কারানের সঙ্গে তার ছোটবেলার কথা মনে করলেন। দুই পরিবার একসঙ্গে সফর করত এবং তাদের বাবাদের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব ছিল। ক্রিকেট ডট এইউ ‘এক্স’-এ একটি ভিডিও পোস্ট করেছে। সেই ভিডিওতে মার্শ কারান পরিবারের বাড়িতে উঠানে খেলা ক্রিকেটের অনেক স্মৃতির কথা বলেন। সেই স্মৃতিগুলোকে তিনি ‘খুব ভালো’ ও বিশেষ বলে বর্ণনা করেন।

সে সময়ে ছোট্ট মার্শের মনে জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলার স্বপ্নও গড়ে উঠেছিল। কারণ তার শৈশবের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সোনালী সময় কেটেছিল সেখানে।

২০০১ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত তাঁর বাবা এবং সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার জিওফ মার্শ জিম্বাবুয়ে জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। বাবার কাজের সুবাদে পুরো পরিবার তখন জিম্বাবুয়েতে বসবাস শুরু করে, যার ফলে জিম্বাবুয়ের সংস্কৃতি এবং ক্রিকেটের সাথে তরুণ মিচেল মার্শের এক গভীর আত্মিক টান তৈরি হয়।

এই গভীর ভালোবাসার কারণেই একসময় তার মনে জিম্বাবুয়ের হয়ে ক্রিকেট খেলার স্বপ্ন জেগেছিল। মার্শ এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমি এক সময় সত্যিই জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলতে চেয়েছিলাম।’

মার্শ পরিবার যখন জিম্বাবুয়েতে ছিল, তখন মিচেলের বড় ভাই শন পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলতে শুরু করেছিলেন। সেই সময় মিচেল হারারে স্পোর্টস ক্লাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ক্রিকেট খেলতেন। সঙ্গী ছিলেন তার বাবার কোচিং সহকারী কেভিন কারানের ছোট ছেলেরা।

সেই উঠানে ও ক্লাবে খেলা ক্রিকেটই পরে অনেক প্রতিভার জন্ম দিয়েছে। টম, বেন ও স্যাম কারান তিনজনই পরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পৌঁছেছেন। টম ও স্যাম ইংল্যান্ডের হয়ে এবং বেন জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলছেন। এই সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজে জিম্বাবুয়ে দলেও বেনের নাম রয়েছে।

ক্রিকেট ডট এইউয়ের ভিডিওতে মার্শ বলেন, ‘ওখানে কারান ছেলেরা আছে — স্যামি ও টম। আমার মনে হয় ওটা শ্রীলঙ্কায় হয়েছিল, তবে আমি ভুলও হতে পারি। আমরা পরিবার নিয়ে সফর করতাম এবং কেভিন ছিলেন বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের একজন। কারান ছেলেরা কার্যত এখানে আমাদের সঙ্গেই বড় হয়েছে। এগুলো সত্যিই অনেক বিশেষ স্মৃতি। তাদের বাড়িতে উঠানে অনেক লড়াই হয়েছে। খুব ভালো স্মৃতি।’

মার্শ একসময় জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখতেন। সেই দেশটি তার হৃদয়ের কাছাকাছি থেকে গেছে। এবার হারারেতে তিনি তার ১০০তম ওডিআই খেলতে নামবেন। তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম ওডিআইতে মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়া জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলতে চেয়েছিলেন অজি অধিনায়ক

আপডেট সময় : ০১:০৬:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মিচেল মার্শ স্যাম ও টম কারানের সঙ্গে তার ছোটবেলার কথা মনে করলেন। দুই পরিবার একসঙ্গে সফর করত এবং তাদের বাবাদের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব ছিল। ক্রিকেট ডট এইউ ‘এক্স’-এ একটি ভিডিও পোস্ট করেছে। সেই ভিডিওতে মার্শ কারান পরিবারের বাড়িতে উঠানে খেলা ক্রিকেটের অনেক স্মৃতির কথা বলেন। সেই স্মৃতিগুলোকে তিনি ‘খুব ভালো’ ও বিশেষ বলে বর্ণনা করেন।

সে সময়ে ছোট্ট মার্শের মনে জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলার স্বপ্নও গড়ে উঠেছিল। কারণ তার শৈশবের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সোনালী সময় কেটেছিল সেখানে।

২০০১ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত তাঁর বাবা এবং সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার জিওফ মার্শ জিম্বাবুয়ে জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। বাবার কাজের সুবাদে পুরো পরিবার তখন জিম্বাবুয়েতে বসবাস শুরু করে, যার ফলে জিম্বাবুয়ের সংস্কৃতি এবং ক্রিকেটের সাথে তরুণ মিচেল মার্শের এক গভীর আত্মিক টান তৈরি হয়।

এই গভীর ভালোবাসার কারণেই একসময় তার মনে জিম্বাবুয়ের হয়ে ক্রিকেট খেলার স্বপ্ন জেগেছিল। মার্শ এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমি এক সময় সত্যিই জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলতে চেয়েছিলাম।’

মার্শ পরিবার যখন জিম্বাবুয়েতে ছিল, তখন মিচেলের বড় ভাই শন পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলতে শুরু করেছিলেন। সেই সময় মিচেল হারারে স্পোর্টস ক্লাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ক্রিকেট খেলতেন। সঙ্গী ছিলেন তার বাবার কোচিং সহকারী কেভিন কারানের ছোট ছেলেরা।

সেই উঠানে ও ক্লাবে খেলা ক্রিকেটই পরে অনেক প্রতিভার জন্ম দিয়েছে। টম, বেন ও স্যাম কারান তিনজনই পরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পৌঁছেছেন। টম ও স্যাম ইংল্যান্ডের হয়ে এবং বেন জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলছেন। এই সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজে জিম্বাবুয়ে দলেও বেনের নাম রয়েছে।

ক্রিকেট ডট এইউয়ের ভিডিওতে মার্শ বলেন, ‘ওখানে কারান ছেলেরা আছে — স্যামি ও টম। আমার মনে হয় ওটা শ্রীলঙ্কায় হয়েছিল, তবে আমি ভুলও হতে পারি। আমরা পরিবার নিয়ে সফর করতাম এবং কেভিন ছিলেন বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের একজন। কারান ছেলেরা কার্যত এখানে আমাদের সঙ্গেই বড় হয়েছে। এগুলো সত্যিই অনেক বিশেষ স্মৃতি। তাদের বাড়িতে উঠানে অনেক লড়াই হয়েছে। খুব ভালো স্মৃতি।’

মার্শ একসময় জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখতেন। সেই দেশটি তার হৃদয়ের কাছাকাছি থেকে গেছে। এবার হারারেতে তিনি তার ১০০তম ওডিআই খেলতে নামবেন। তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম ওডিআইতে মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়া জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে।