ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, ‘পরে সমাজমাধ্যমে টাইগারের রিলস দেখে তাকে নিশানা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত কুণাল জামিনসিংয়ের সঙ্গে বিষ্ণোই গোষ্ঠীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত অনিল পণ্ডিতের যোগাযোগ ছিল। টাইগারের ওপর হামলার দায়ও স্বীকার করেছিলেন অনিল। পুলিশের অভিযোগ, কুণাল রাধা বর্মার হাতে একটি পিস্তল তুলে দিয়েছিলেন। ১৭ অক্টোবর রাধা ও ববিতা মুম্বাইয়ের দাদরে পৌঁছানোর পর তাদের কাছ থেকে অস্ত্রভর্তি ব্যাগটি এক নাবালক নিয়ে যায় বলেও অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ আদালতে আরো জানিয়েছে, হামলার পর অস্ত্রটি ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল শুটারদের। হামলা শেষ হওয়ার পর দ্রুত অস্ত্র সংগ্রহ করে নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছিল তাদের।
গত ১৮ অক্টোবর মুম্বাইয়ের জুহু এলাকার একটি ফুটবল ক্লাব থেকে বিএমডব্লিউ গাড়িতে বের হচ্ছিলেন টাইগার। চালকের পাশের আসনে বসে ভক্তদের দিকে হাত নাড়ছিলেন অভিনেতা। গাড়িটি ক্লাবের ফটক পেরোনোর সময় এক যুবক সামনে এসে উইন্ডস্ক্রিন লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালান। এরপর আরেক যুবক এগিয়ে এসে টাইগারের পাশের জানালা লক্ষ্য করে গুলি চালান। পরে দুজনই তৃতীয় এক ব্যক্তির মোটরসাইকেলে চড়ে পালিয়ে যান।
ঘটনার পর টাইগার দেখতে পান, তার গাড়ির চালক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। দেরি না করে আসন বদলে নিজেই গাড়ি চালিয়ে আহত চালককে হাসপাতালে নিয়ে যান অভিনেতা।
এ হামলার দায় স্বীকার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছিল বিষ্ণোই গোষ্ঠী। ওই পোস্টে অনিল পণ্ডিত ও অনিল হরমন সন্ধু হামলার নেপথ্যে থাকার কথা জানিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের বিষ্ণোই-ঘনিষ্ঠ বলেও দাবি করা হয়েছে।
হিন্দিতে লেখা ওই পোস্টে বলা হয়, ‘আমরা ওকে ফোন করেছিলাম, বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু উনি বোঝেননি। তাই আজ, আমরা সবটা তাকে ব্যাখ্যা করব বলে সিদ্ধান্ত নিই। মুম্বাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির যে বা যারা আমাদের কথা শুনবেন না এবং সালমান খানের সঙ্গে কাজ করবেন, তারাই আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য। দেখতে থাকুন।’
তদন্তে ইমরান হাশমিসহ আরও কয়েকজন বলিউড তারকার নাম উঠে আসার খবর সামনে আসায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে চলচ্চিত্র অঙ্গনে। তবে তাদের ওপর হামলার কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।























