ঢাকা ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দশজনের মরদেহ হস্তান্তর, ডোবায় মিলল স্কুলশিক্ষিকার মরদেহ



ফটোকার্ড ডাউনলোড

কক্সবাজারে ইনানীর পাটুয়ারটেক এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ১০ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বেলা আড়াইটার দিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে মরদেহগুলো হস্তান্তর করেন জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান।

এদিকে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে নিখোঁজ থাকা স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদিন দুপুর আড়াইটার দিকে রিসোর্টের পাশে একটি ডোবা থেকে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মরদেহটি উদ্ধার করে। অগ্নিকাণ্ডের ১০ দিন পর তার মরদেহের সন্ধান মিলল।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি নিখোঁজ নাসরিন আক্তার মুক্তার বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মরদেহটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমন ঘোষ জানান, প্রায় দুই ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়ে একটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করতে দাবিদারদের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষা করা হবে। আগের প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পরিচয় শনাক্তের পর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

গতকাল সোমবার অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আজ তাদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকার শ্যামলীর গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান (৪১), তার স্ত্রী আফসানা মতিন (৩৬) এবং তাদের দুই মেয়ে রোজাইনা ইনায়া (৯) ও মুনাইনা ইহানা (৬)। তাদের বাড়ি যশোরের মনিরামপুরে।

নিহত অন্য ছয়জন হলেন মৌলিতা মেহজাবিন আলভি (১৯), লায়লা জাহান নাবিলা (২৫), ইসরাত জাহান মালিহা (২৭), ফারিয়া কবির (৩৩), ফারিয়ার ছেলে মোহাম্মদ ফাইজান নূর (৬) ও তার ভাই মোহাম্মদ নাফিস তেহামি (২৪)।

তাদের বাড়ি ঢাকার বনশ্রী ও খিলগাঁও এবং বরগুনার আমতলী এলাকায়।এদিকে উদ্ধার হওয়া ২৭ বছর বয়সী নাসরিন আক্তার মুক্তা সাভারের আশুলিয়ার স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষিকা। দুই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছিলেন তিনি। টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

মুক্তার সন্ধানে মঙ্গলবার দুপুরে রিসোর্ট এলাকায় আবারও তল্লাশি শুরু করেন পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। প্রায় দুই ঘণ্টা তল্লাশির পর রিসোর্টের পাশের একটি ডোবা থেকে তার বলে ধারণা করা মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মরদেহটির পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমন ঘোষ।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষকতায় যোগ দিলেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডার্ন

দশজনের মরদেহ হস্তান্তর, ডোবায় মিলল স্কুলশিক্ষিকার মরদেহ

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬


ফটোকার্ড ডাউনলোড

কক্সবাজারে ইনানীর পাটুয়ারটেক এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ১০ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বেলা আড়াইটার দিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে মরদেহগুলো হস্তান্তর করেন জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান।

এদিকে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে নিখোঁজ থাকা স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদিন দুপুর আড়াইটার দিকে রিসোর্টের পাশে একটি ডোবা থেকে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মরদেহটি উদ্ধার করে। অগ্নিকাণ্ডের ১০ দিন পর তার মরদেহের সন্ধান মিলল।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি নিখোঁজ নাসরিন আক্তার মুক্তার বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মরদেহটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমন ঘোষ জানান, প্রায় দুই ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়ে একটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করতে দাবিদারদের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষা করা হবে। আগের প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পরিচয় শনাক্তের পর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

গতকাল সোমবার অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আজ তাদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকার শ্যামলীর গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান (৪১), তার স্ত্রী আফসানা মতিন (৩৬) এবং তাদের দুই মেয়ে রোজাইনা ইনায়া (৯) ও মুনাইনা ইহানা (৬)। তাদের বাড়ি যশোরের মনিরামপুরে।

নিহত অন্য ছয়জন হলেন মৌলিতা মেহজাবিন আলভি (১৯), লায়লা জাহান নাবিলা (২৫), ইসরাত জাহান মালিহা (২৭), ফারিয়া কবির (৩৩), ফারিয়ার ছেলে মোহাম্মদ ফাইজান নূর (৬) ও তার ভাই মোহাম্মদ নাফিস তেহামি (২৪)।

তাদের বাড়ি ঢাকার বনশ্রী ও খিলগাঁও এবং বরগুনার আমতলী এলাকায়।এদিকে উদ্ধার হওয়া ২৭ বছর বয়সী নাসরিন আক্তার মুক্তা সাভারের আশুলিয়ার স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষিকা। দুই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছিলেন তিনি। টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

মুক্তার সন্ধানে মঙ্গলবার দুপুরে রিসোর্ট এলাকায় আবারও তল্লাশি শুরু করেন পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। প্রায় দুই ঘণ্টা তল্লাশির পর রিসোর্টের পাশের একটি ডোবা থেকে তার বলে ধারণা করা মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মরদেহটির পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমন ঘোষ।