উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি নিখোঁজ নাসরিন আক্তার মুক্তার বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকার শ্যামলীর গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান (৪১), তার স্ত্রী আফসানা মতিন (৩৬) এবং তাদের দুই মেয়ে রোজাইনা ইনায়া (৯) ও মুনাইনা ইহানা (৬)। তাদের বাড়ি যশোরের মনিরামপুরে।
নিহত অন্য ছয়জন হলেন মৌলিতা মেহজাবিন আলভি (১৯), লায়লা জাহান নাবিলা (২৫), ইসরাত জাহান মালিহা (২৭), ফারিয়া কবির (৩৩), ফারিয়ার ছেলে মোহাম্মদ ফাইজান নূর (৬) ও তার ভাই মোহাম্মদ নাফিস তেহামি (২৪)।
মুক্তার সন্ধানে মঙ্গলবার দুপুরে রিসোর্ট এলাকায় আবারও তল্লাশি শুরু করেন পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। প্রায় দুই ঘণ্টা তল্লাশির পর রিসোর্টের পাশের একটি ডোবা থেকে তার বলে ধারণা করা মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
মরদেহটির পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমন ঘোষ।



























