ঢাকা ০৭:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিকাশ অ্যাপে ট্রাস্ট ব্যাংকের সঞ্চয় ও ঋণসেবা

বিকাশ অ্যাপে ট্রাস্ট ব্যাংকের সঞ্চয় ও ঋণসেবা



ফটোকার্ড ডাউনলোড

মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশের অ্যাপে যুক্ত হয়েছে ট্রাস্ট ব্যাংকের সঞ্চয় সেবা। এর মাধ্যমে গ্রাহকেরা এখন বিকাশ অ্যাপ থেকেই ট্রাস্ট ব্যাংকের মাসিক ডিপিএস খুলতে পারবেন। পর্যায়ক্রমে ব্যাংকটির স্থায়ী আমানত (এফডিআর), জামানতবিহীন ঋণ ও পে-লেটারসহ অন্যান্য আর্থিক সেবাও যুক্ত হবে।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ সহজ করা এবং আরও বেশি মানুষের কাছে আর্থিক সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ট্রাস্ট ব্যাংক ও বিকাশ যৌথভাবে এ উদ্যোগ নিয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকার একটি হোটেলে ‘এক্সপান্ডিং অ্যাকসেস, এমপাওয়ারিং পসিবিলিটিজ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে দুই প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ অংশীদারত্বের ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যৌথ সেবার উদ্বোধন করেন ট্রাস্ট ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মোহাঃ হোসাইন আল মোরশেদ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম ও আরিফ হোসেন খান। এ সময় ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান জামান চৌধুরী এবং বিকাশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর উপস্থিত ছিলেন।

ট্রাস্ট ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাঃ হোসাইন আল মোরশেদ বলেন, প্রযুক্তি আর্থিক লেনদেনের ধরন বদলে দিয়েছে। তবে প্রয়োজনের সময় সহজ শর্তে আর্থিক সহায়তা পাওয়া এখনো অনেকের জন্য কঠিন, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সীমিত আয়ের মানুষের ক্ষেত্রে। এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই দুই প্রতিষ্ঠান যৌথ উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা এবং বিকাশের সহজ ডিজিটাল লেনদেনসেবা একসঙ্গে কাজে লাগিয়ে আরও বেশি মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় আর্থিক সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিকাশ দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে ত্বরান্বিত করেছে। ট্রাস্ট ব্যাংকের সঙ্গে এই অংশীদারত্ব আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে আরও জোরদার করবে বলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা আশা করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের আরেক নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, মানুষের জরুরি আর্থিক প্রয়োজন মেটাতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আর্থিক সেবা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হবে।

ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান জামান চৌধুরী বলেন, ট্রাস্ট ব্যাংকের দীর্ঘদিনের ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কাজের দক্ষতার সঙ্গে বিকাশের দেশব্যাপী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও এজেন্ট নেটওয়ার্ক যুক্ত হওয়ায় ব্যাংকিং সেবা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে। বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে নির্বাচিত গ্রাহক ও এজেন্টরা ঋণসেবা নিতে পারবেন। পাশাপাশি ডিপিএস, এফডিআর ও পে-লেটার সেবাও গ্রাহকদের লেনদেন সহজ করবে।

বিকাশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর বলেন, প্রযুক্তি ও কার্যকর অংশীদারত্বের মাধ্যমে আর্থিক সেবা গ্রহণের বিভিন্ন বাধা দূর করা সম্ভব। এখন গ্রাহকেরা ১০ হাজার টাকা দিয়েও এফডিআর খোলার সুযোগ পাচ্ছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের কাছে উপযোগী ও নিয়মসম্মত আর্থিক সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।

বিকাশ অ্যাপে ট্রাস্ট ব্যাংকের যেসব সেবা পাওয়া যাবে

  • মাসিক ডিপিএস: বিকাশ অ্যাপ থেকে ট্রাস্ট ব্যাংকের মাসিক সঞ্চয় প্রকল্প বা ডিপিএস খোলা যাচ্ছে। গ্রাহকেরা মাসে ৫০০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন অঙ্কের ডিপিএস খুলতে পারবেন।
  • স্থায়ী আমানত (এফডিআর): বিভিন্ন অঙ্ক ও মেয়াদের এফডিআর সেবা শিগগিরই চালু হবে।
  • এজেন্ট ঋণ: বিকাশ এজেন্টদের জন্য ট্রাস্ট ব্যাংকের জামানতবিহীন ঋণসেবা চালু হবে। এজেন্টরা তাঁদের এজেন্ট অ্যাপ থেকেই ঋণ নেওয়া ও পরিশোধের সুযোগ পাবেন।
  • গ্রাহক ঋণ: নির্বাচিত গ্রাহকেরা বিকাশ অ্যাপ থেকেই ট্রাস্ট ব্যাংকের জামানতবিহীন ঋণ নিতে পারবেন।
  • পে-লেটার: পণ্য ও সেবা কেনা এবং মোবাইল রিচার্জের জন্য এ সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এ ব্যবস্থায় গ্রাহকেরা নির্ধারিত ঋণসীমার মধ্যে খরচ করে পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে সুদ ছাড়াই সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করতে পারবেন অথবা সহজ মাসিক কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ পাবেন।
  • রেমিট্যান্স: প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশে অর্থ পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করতেও যৌথভাবে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে দুই প্রতিষ্ঠানের।

বিকাশের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির ৮ কোটি ৫০ লাখ গ্রাহক অ্যাপ থেকেই ট্রাস্ট ব্যাংকসহ আরও পাঁচটি ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঞ্চয় ও ঋণসেবা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন।

২০২১ সালে আইডিএলসি ফাইন্যান্সের মাসিক ডিপিএস সেবার মাধ্যমে বিকাশের ডিজিটাল সঞ্চয় কার্যক্রম শুরু হয়। পরে এ সেবায় যুক্ত হয় ঢাকা ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক ও ইস্টার্ন ব্যাংক।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিকাশ অ্যাপে ট্রাস্ট ব্যাংকের সঞ্চয় ও ঋণসেবা

আপডেট সময় : ০৬:০৮:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


ফটোকার্ড ডাউনলোড

মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশের অ্যাপে যুক্ত হয়েছে ট্রাস্ট ব্যাংকের সঞ্চয় সেবা। এর মাধ্যমে গ্রাহকেরা এখন বিকাশ অ্যাপ থেকেই ট্রাস্ট ব্যাংকের মাসিক ডিপিএস খুলতে পারবেন। পর্যায়ক্রমে ব্যাংকটির স্থায়ী আমানত (এফডিআর), জামানতবিহীন ঋণ ও পে-লেটারসহ অন্যান্য আর্থিক সেবাও যুক্ত হবে।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ সহজ করা এবং আরও বেশি মানুষের কাছে আর্থিক সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ট্রাস্ট ব্যাংক ও বিকাশ যৌথভাবে এ উদ্যোগ নিয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকার একটি হোটেলে ‘এক্সপান্ডিং অ্যাকসেস, এমপাওয়ারিং পসিবিলিটিজ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে দুই প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ অংশীদারত্বের ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যৌথ সেবার উদ্বোধন করেন ট্রাস্ট ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মোহাঃ হোসাইন আল মোরশেদ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম ও আরিফ হোসেন খান। এ সময় ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান জামান চৌধুরী এবং বিকাশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর উপস্থিত ছিলেন।

ট্রাস্ট ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাঃ হোসাইন আল মোরশেদ বলেন, প্রযুক্তি আর্থিক লেনদেনের ধরন বদলে দিয়েছে। তবে প্রয়োজনের সময় সহজ শর্তে আর্থিক সহায়তা পাওয়া এখনো অনেকের জন্য কঠিন, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সীমিত আয়ের মানুষের ক্ষেত্রে। এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই দুই প্রতিষ্ঠান যৌথ উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা এবং বিকাশের সহজ ডিজিটাল লেনদেনসেবা একসঙ্গে কাজে লাগিয়ে আরও বেশি মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় আর্থিক সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিকাশ দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে ত্বরান্বিত করেছে। ট্রাস্ট ব্যাংকের সঙ্গে এই অংশীদারত্ব আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে আরও জোরদার করবে বলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা আশা করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের আরেক নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, মানুষের জরুরি আর্থিক প্রয়োজন মেটাতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আর্থিক সেবা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হবে।

ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান জামান চৌধুরী বলেন, ট্রাস্ট ব্যাংকের দীর্ঘদিনের ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কাজের দক্ষতার সঙ্গে বিকাশের দেশব্যাপী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও এজেন্ট নেটওয়ার্ক যুক্ত হওয়ায় ব্যাংকিং সেবা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে। বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে নির্বাচিত গ্রাহক ও এজেন্টরা ঋণসেবা নিতে পারবেন। পাশাপাশি ডিপিএস, এফডিআর ও পে-লেটার সেবাও গ্রাহকদের লেনদেন সহজ করবে।

বিকাশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর বলেন, প্রযুক্তি ও কার্যকর অংশীদারত্বের মাধ্যমে আর্থিক সেবা গ্রহণের বিভিন্ন বাধা দূর করা সম্ভব। এখন গ্রাহকেরা ১০ হাজার টাকা দিয়েও এফডিআর খোলার সুযোগ পাচ্ছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের কাছে উপযোগী ও নিয়মসম্মত আর্থিক সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।

বিকাশ অ্যাপে ট্রাস্ট ব্যাংকের যেসব সেবা পাওয়া যাবে

  • মাসিক ডিপিএস: বিকাশ অ্যাপ থেকে ট্রাস্ট ব্যাংকের মাসিক সঞ্চয় প্রকল্প বা ডিপিএস খোলা যাচ্ছে। গ্রাহকেরা মাসে ৫০০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন অঙ্কের ডিপিএস খুলতে পারবেন।
  • স্থায়ী আমানত (এফডিআর): বিভিন্ন অঙ্ক ও মেয়াদের এফডিআর সেবা শিগগিরই চালু হবে।
  • এজেন্ট ঋণ: বিকাশ এজেন্টদের জন্য ট্রাস্ট ব্যাংকের জামানতবিহীন ঋণসেবা চালু হবে। এজেন্টরা তাঁদের এজেন্ট অ্যাপ থেকেই ঋণ নেওয়া ও পরিশোধের সুযোগ পাবেন।
  • গ্রাহক ঋণ: নির্বাচিত গ্রাহকেরা বিকাশ অ্যাপ থেকেই ট্রাস্ট ব্যাংকের জামানতবিহীন ঋণ নিতে পারবেন।
  • পে-লেটার: পণ্য ও সেবা কেনা এবং মোবাইল রিচার্জের জন্য এ সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এ ব্যবস্থায় গ্রাহকেরা নির্ধারিত ঋণসীমার মধ্যে খরচ করে পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে সুদ ছাড়াই সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করতে পারবেন অথবা সহজ মাসিক কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ পাবেন।
  • রেমিট্যান্স: প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশে অর্থ পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করতেও যৌথভাবে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে দুই প্রতিষ্ঠানের।

বিকাশের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির ৮ কোটি ৫০ লাখ গ্রাহক অ্যাপ থেকেই ট্রাস্ট ব্যাংকসহ আরও পাঁচটি ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঞ্চয় ও ঋণসেবা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন।

২০২১ সালে আইডিএলসি ফাইন্যান্সের মাসিক ডিপিএস সেবার মাধ্যমে বিকাশের ডিজিটাল সঞ্চয় কার্যক্রম শুরু হয়। পরে এ সেবায় যুক্ত হয় ঢাকা ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক ও ইস্টার্ন ব্যাংক।