ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্পেনে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অর্ধশত



ফটোকার্ড ডাউনলোড

স্পেনে দুটি দ্রুতগামী ট্রেনের সংঘর্ষে  নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫০ জনে দাঁড়িয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, এ দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

এর আঘে নিহতের সংখ্যা ৩৯ জন বলা হয়েছিল।কাস্তিলা-লা মাঞ্চা অঞ্চলের সরকারি মুখপাত্র জানিয়েছেন, সকাল ৯টার কিছু পরে ট্রেন দুটির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ট্রেনের দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে। মোর ও অরগাজ শহরের মধ্যবর্তী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার সময় দুটি ট্রেনে মোট ৫৪৪ জন যাত্রী ছিলেন। কিছু প্রতিবেদনে যাত্রীর সংখ্যা ৫০০ জন বলা হয়েছে।মাদ্রিদ থেকে সেভিলগামী রেনফে ও ইরিয়ো কম্পানির দুটি দ্রুতগামী ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক ধারণা, আদিফের এক কর্মীর ভুলের কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, ট্রেনের বগিগুলো উল্টে একটি খাদে পড়ে আছে। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকর্মীরা কাজ করছেন।দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া ৫৪ বছর বয়সী জেসুস জেরোনিমো স্পেনের সংবাদপত্র এল পাইসকে বলেন, দুর্ঘটনাটি ছিল ভয়াবহ। এ সময় ট্রেন থেকে যাত্রীরা ছিটকে পড়ে যান।

দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া এক ব্যক্তি বলেন, ‘আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম, আমাদের ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়েছে। পরে ধীরে ধীরে বাইরে বেরিয়ে দেখি, ট্রেনটি একদিকে কাত হয়ে আছে। সেখানে অনেক মানুষ আহত হয়েছিলেন। অনেকেই প্রচণ্ড আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন।’স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ তোলেদোতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের প্রতি ভালোবাসা, সংহতি ও সমর্থন জানিয়েছেন তিনি।ট্রেন দুর্ঘটনায় উদ্ধার ও জরুরি সেবা দিতে মাদ্রিদ সিটি কাউন্সিলের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনাস্থলে সহায়তার জন্য সাতটি অগ্নিনির্বাপক যান পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে আহতদের চিকিৎসা ও উদ্ধারে বিশেষভাবে ব্যবহৃত দুটি যান, দুটি পানির পাম্প এবং একটি উদ্ধারকারী যান রয়েছে।

জরুরি চিকিৎসাসেবা দিতে পাঠানো হয়েছে ১৬টি অ্যাম্বুলেন্স। এর মধ্যে আটটি উন্নত চিকিৎসাসেবার জন্য এবং বাকি আটটি সাধারণ অ্যাম্বুলেন্স। দুটি জরুরি সেবাদানকারী সংস্থার প্রায় ১০০ জন কর্মী উদ্ধার, চিকিৎসা ও অন্যান্য সহায়তার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্পেনে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অর্ধশত

আপডেট সময় : ০৫:২৬:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


ফটোকার্ড ডাউনলোড

স্পেনে দুটি দ্রুতগামী ট্রেনের সংঘর্ষে  নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫০ জনে দাঁড়িয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, এ দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

এর আঘে নিহতের সংখ্যা ৩৯ জন বলা হয়েছিল।কাস্তিলা-লা মাঞ্চা অঞ্চলের সরকারি মুখপাত্র জানিয়েছেন, সকাল ৯টার কিছু পরে ট্রেন দুটির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ট্রেনের দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে। মোর ও অরগাজ শহরের মধ্যবর্তী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার সময় দুটি ট্রেনে মোট ৫৪৪ জন যাত্রী ছিলেন। কিছু প্রতিবেদনে যাত্রীর সংখ্যা ৫০০ জন বলা হয়েছে।মাদ্রিদ থেকে সেভিলগামী রেনফে ও ইরিয়ো কম্পানির দুটি দ্রুতগামী ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক ধারণা, আদিফের এক কর্মীর ভুলের কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, ট্রেনের বগিগুলো উল্টে একটি খাদে পড়ে আছে। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকর্মীরা কাজ করছেন।দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া ৫৪ বছর বয়সী জেসুস জেরোনিমো স্পেনের সংবাদপত্র এল পাইসকে বলেন, দুর্ঘটনাটি ছিল ভয়াবহ। এ সময় ট্রেন থেকে যাত্রীরা ছিটকে পড়ে যান।

দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া এক ব্যক্তি বলেন, ‘আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম, আমাদের ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়েছে। পরে ধীরে ধীরে বাইরে বেরিয়ে দেখি, ট্রেনটি একদিকে কাত হয়ে আছে। সেখানে অনেক মানুষ আহত হয়েছিলেন। অনেকেই প্রচণ্ড আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন।’স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ তোলেদোতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের প্রতি ভালোবাসা, সংহতি ও সমর্থন জানিয়েছেন তিনি।ট্রেন দুর্ঘটনায় উদ্ধার ও জরুরি সেবা দিতে মাদ্রিদ সিটি কাউন্সিলের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনাস্থলে সহায়তার জন্য সাতটি অগ্নিনির্বাপক যান পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে আহতদের চিকিৎসা ও উদ্ধারে বিশেষভাবে ব্যবহৃত দুটি যান, দুটি পানির পাম্প এবং একটি উদ্ধারকারী যান রয়েছে।

জরুরি চিকিৎসাসেবা দিতে পাঠানো হয়েছে ১৬টি অ্যাম্বুলেন্স। এর মধ্যে আটটি উন্নত চিকিৎসাসেবার জন্য এবং বাকি আটটি সাধারণ অ্যাম্বুলেন্স। দুটি জরুরি সেবাদানকারী সংস্থার প্রায় ১০০ জন কর্মী উদ্ধার, চিকিৎসা ও অন্যান্য সহায়তার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন।