ঢাকা ১১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের বেতন নির্ধারণে ৮ নির্দেশনা



ফটোকার্ড ডাউনলোড

অনলাইন ডেস্ক: ‍নতুন জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়নের প্রেক্ষাপটে প্রজাতন্ত্রের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা নির্ধারণের রূপরেখা চূড়ান্ত করে আটটি সিদ্ধান্ত দিয়েছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে স্বাক্ষর করেন অর্থ বিভাগের যুগ্ম সচিব শরীফ নজরুল ইসলাম।

সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন অসামরিক পদে জনস্বার্থে নিয়োজিত চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের জন্য এই নীতিমালা কার্যকর হবে। গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬-এর আলোকে বর্তমানে নিয়োজিত এবং ভবিষ্যতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেতে যাওয়া ব্যক্তিরা এই নির্দেশনার আওতায় আসবেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জুলাইয়ের আগে ২০১৫ সালের বেতন স্কেলের অধীনে নিয়োগ পাওয়া যাদের চুক্তির মেয়াদ ১ জুলাইয়ের পরও রয়েছে, চুক্তি সংশোধন সাপেক্ষে তাদের মূল বেতন নতুন বেতন স্কেলের সমরূপ গ্রেড ও ধাপে নির্ধারিত হবে। তারা গত ১ জুলাই থেকেই প্রযোজ্য বর্ধিত বেতন ও চুক্তি অনুযায়ী ভাতাদি প্রাপ্য হবেন, তবে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির অংশ পাবেন না। একই সঙ্গে ১ জুলাইয়ের পর থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত বা ভবিষ্যতে নিয়োগ পেতে যাওয়া অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের ক্ষেত্রেও অবসরের অব্যবহিত পূর্বের মূল বেতনের অনুরূপ গ্রেড ও ধাপে বেতন নির্ধারিত হবে। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের সম্মতিতে সরকার নির্ধারিত বেতনই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

নতুন নীতিমালায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, চুক্তিভিত্তিক নির্ধারিত বেতন থেকে গ্রস পেনশন কিংবা বিশেষ অতিরিক্ত পেনশন বাদ দেওয়া যাবে না। তবে চুক্তিভিত্তিক মেয়াদের চাকরির জন্য কোনো ধরনের ইনক্রিমেন্ট, আনুতোষিক বা বর্ধিত পেনশন সুবিধা পাওয়া যাবে না। অন্যদিকে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী ছাড়া অন্যদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রে গুণাগুণ বিবেচনা করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগের সমন্বয়ে শর্তাবলি নির্ধারণ করা হবে।

অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, ২০১৬ সালের ২৬ জানুয়ারি জারি করা প্রজ্ঞাপনটি বাতিল করে নতুন এই নির্দেশনা জারি করা হলো, যা গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর গণ্য হবে। প্রজ্ঞাপনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক পূর্ববর্তী সব আদেশ বাতিল হলেও সংগতিপূর্ণ নির্দেশনাগুলো বহাল থাকবে এবং সরকার ভবিষ্যতে সময়ে সময়ে এ সংক্রান্ত যে নির্দেশনা জারি করবে তাও প্রযোজ্য হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের বেতন নির্ধারণে ৮ নির্দেশনা

আপডেট সময় : ০৯:৪৭:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬


ফটোকার্ড ডাউনলোড

অনলাইন ডেস্ক: ‍নতুন জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়নের প্রেক্ষাপটে প্রজাতন্ত্রের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা নির্ধারণের রূপরেখা চূড়ান্ত করে আটটি সিদ্ধান্ত দিয়েছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে স্বাক্ষর করেন অর্থ বিভাগের যুগ্ম সচিব শরীফ নজরুল ইসলাম।

সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন অসামরিক পদে জনস্বার্থে নিয়োজিত চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের জন্য এই নীতিমালা কার্যকর হবে। গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬-এর আলোকে বর্তমানে নিয়োজিত এবং ভবিষ্যতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেতে যাওয়া ব্যক্তিরা এই নির্দেশনার আওতায় আসবেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জুলাইয়ের আগে ২০১৫ সালের বেতন স্কেলের অধীনে নিয়োগ পাওয়া যাদের চুক্তির মেয়াদ ১ জুলাইয়ের পরও রয়েছে, চুক্তি সংশোধন সাপেক্ষে তাদের মূল বেতন নতুন বেতন স্কেলের সমরূপ গ্রেড ও ধাপে নির্ধারিত হবে। তারা গত ১ জুলাই থেকেই প্রযোজ্য বর্ধিত বেতন ও চুক্তি অনুযায়ী ভাতাদি প্রাপ্য হবেন, তবে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির অংশ পাবেন না। একই সঙ্গে ১ জুলাইয়ের পর থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত বা ভবিষ্যতে নিয়োগ পেতে যাওয়া অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের ক্ষেত্রেও অবসরের অব্যবহিত পূর্বের মূল বেতনের অনুরূপ গ্রেড ও ধাপে বেতন নির্ধারিত হবে। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের সম্মতিতে সরকার নির্ধারিত বেতনই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

নতুন নীতিমালায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, চুক্তিভিত্তিক নির্ধারিত বেতন থেকে গ্রস পেনশন কিংবা বিশেষ অতিরিক্ত পেনশন বাদ দেওয়া যাবে না। তবে চুক্তিভিত্তিক মেয়াদের চাকরির জন্য কোনো ধরনের ইনক্রিমেন্ট, আনুতোষিক বা বর্ধিত পেনশন সুবিধা পাওয়া যাবে না। অন্যদিকে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী ছাড়া অন্যদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রে গুণাগুণ বিবেচনা করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগের সমন্বয়ে শর্তাবলি নির্ধারণ করা হবে।

অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, ২০১৬ সালের ২৬ জানুয়ারি জারি করা প্রজ্ঞাপনটি বাতিল করে নতুন এই নির্দেশনা জারি করা হলো, যা গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর গণ্য হবে। প্রজ্ঞাপনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক পূর্ববর্তী সব আদেশ বাতিল হলেও সংগতিপূর্ণ নির্দেশনাগুলো বহাল থাকবে এবং সরকার ভবিষ্যতে সময়ে সময়ে এ সংক্রান্ত যে নির্দেশনা জারি করবে তাও প্রযোজ্য হবে।