মামলার আট আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানো হলেও তারা এ মামলায় গ্রেপ্তার হননি। অন্য মামলায় কারাগারে থাকা অবস্থায় তাদের এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
অব্যাহতির সুপারিশ পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খান, ছাত্রলীগ নেতা রিয়াজ মাহমুদ, সলিম উল্লাহ পাটোয়ারী, সাবেক কাউন্সিলর সলিমুল্লাহ সলু, মিলন হোসেন, মহিলা লীগ নেত্রী ইসরাত জাহান তামান্না ও স্বপ্না খন্দকার।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নূর হোসেন মামলার সঙ্গে বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসার কাগজপত্র জমা দেন। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য যাচাই করে দেখা যায়, তিনি সেখানে কোনো চিকিৎসা নেননি।
২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর করা মামলায় নূর হোসেন দাবি করেছিলেন, ওই বছরের ৪ আগস্ট মোহাম্মদপুরের ময়ূর ভিলা এলাকায় আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় তার শরীরে পিঠে ছয়টি, বাঁ পায়ে দুটি ও ডান পায়ে একটি গুলি লাগে। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।


























