ঢাকা ০২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় স্কুলছাত্র হত্যা মামলায় ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড

নিউজ ডেস্ক:: কুষ্টিয়া জেলা স্কুলের ছাত্র মুতাসসিম বিন মাজেদ হৃদয়কে অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।বৃহস্পতিবার জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান সাত বছর আগের এ মামলার রায় দেন।

২০১১ সালের ২৩ মে সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার তেঘরিয়া পূর্বপাড়া এলাকা থেকে কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র হৃদয়কে অপহরণ করা হয়। চার দিন পর তার মা তাসলিমা খাতুনকে ফোন করে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা।তাসলিমা ওই বছর ২ জুন দুই লাখ টাকা নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে দিলেও হৃদয়কে মুক্তি না দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ মাটিচাপা দেয় অপহরণকারীরা।

এদিকে ছেলে অপহৃত হওয়ার পর ৩১ মে তাসলিমা থানায় একটি মামলা করেন।অপহরণের ১৩৪ দিন পর গ্রেফতার এক আসামির স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ভেড়ামারা-কুষ্টিয়া মহাসড়কের ১০ মাইল এলাকা থেকে হৃদয়ের গলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

আসামিদের মধ্যে মো. সাব্বির খান রায়ের সময় আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।বাকি দুই আসামি হেলাল উদ্দীন ওরফে ড্যানী ও আব্দুর রহিম ওরফে ইপিআর পলাতক।রায়ে একটি ধারায় আসামিদের তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং অন্য একটি ধারায় তাদের সবাইকে যাবজ্জীবন সাজা ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেন বিচারক।

জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়ায় স্কুলছাত্র হত্যা মামলায় ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০১:৩৯:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৮

নিউজ ডেস্ক:: কুষ্টিয়া জেলা স্কুলের ছাত্র মুতাসসিম বিন মাজেদ হৃদয়কে অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।বৃহস্পতিবার জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান সাত বছর আগের এ মামলার রায় দেন।

২০১১ সালের ২৩ মে সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার তেঘরিয়া পূর্বপাড়া এলাকা থেকে কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র হৃদয়কে অপহরণ করা হয়। চার দিন পর তার মা তাসলিমা খাতুনকে ফোন করে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা।তাসলিমা ওই বছর ২ জুন দুই লাখ টাকা নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে দিলেও হৃদয়কে মুক্তি না দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ মাটিচাপা দেয় অপহরণকারীরা।

এদিকে ছেলে অপহৃত হওয়ার পর ৩১ মে তাসলিমা থানায় একটি মামলা করেন।অপহরণের ১৩৪ দিন পর গ্রেফতার এক আসামির স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ভেড়ামারা-কুষ্টিয়া মহাসড়কের ১০ মাইল এলাকা থেকে হৃদয়ের গলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

আসামিদের মধ্যে মো. সাব্বির খান রায়ের সময় আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।বাকি দুই আসামি হেলাল উদ্দীন ওরফে ড্যানী ও আব্দুর রহিম ওরফে ইপিআর পলাতক।রায়ে একটি ধারায় আসামিদের তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং অন্য একটি ধারায় তাদের সবাইকে যাবজ্জীবন সাজা ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেন বিচারক।