ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় শিগগিরই পিএইচডি প্রোগ্রাম চালুর উদ্যোগ নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

এআইইউবির উদ্যোগে প্রথমবার ‘কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম’

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ, বৈশ্বিক মানদণ্ড এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গতকাল রাজধানীর শেরাটন হোটেলে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি)-এর উদ্যোগে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ‘কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬’।

কিউএস (কোয়াকুয়ারেলি সাইমন্ডস) আয়োজিত এ ফোরাম বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এবং অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশ (এপিইউবি)-এর সহযোগিতায় বেঞ্চমার্ক বাংলাদেশ: বিল্ডিং ওয়ার্ল্ড-ক্লাস ইউনিভার্সিটিজ থ্রু গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ডস প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত হয়।

কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।

শিক্ষামন্ত্রী তার বক্তব্যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় পিএইচডি প্রোগ্রাম চালুর প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি প্রশ্ন রাখেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন পিএইচডি প্রোগ্রাম চালুর অনুমতি দেয়া হবে না? তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৯২ সালে দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হলেও ২০২৬ সালে এসে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় গবেষণার আরো বিস্তৃত সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। তিনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, আমাদের ক্রস-বর্ডার শিক্ষা ও প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে গবেষণা দরকার।

তিনি বলেন, শিক্ষক ও গবেষকের কোনো সংকট দেখছেন না; দেশে হাজারো গবেষক রয়েছেন, যারা ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ দক্ষতা ও জ্ঞান দিয়ে দেশকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে অবদান রাখছেন। আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী।

ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান এখনো অনেক পিছিয়ে। এ অবস্থার উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মানোন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে। এর মাধ্যমে আরো বেশি বিদেশী শিক্ষার্থীকে বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে। তিনি দেশের সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে পারস্পরিক পার্থক্য ভুলে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও আন্তর্জাতিকীকরণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

কিউএসের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কিউএসের ভাইস প্রেসিডেন্ট স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল এনগেজমেন্ট ড. অশ্বিন ফার্নান্দেজ, কিউএসের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার জেসন নিউম্যান এবং কিউএসের রিজিওনাল পার্টনারশিপ বিষয়ক পরিচালক রামি আওয়াদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এআইইউবির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশ (এপিইউবি)-এর সেক্রেটারি জেনারেল ইশতিয়াক আবেদীন। এছাড়া বক্তব্য দেন এপিইউবির সভাপতি ড. মো. সবুর খান। ধন্যবাদ বক্তব্য রাখেন এআইইউবির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও চেয়ারম্যান নাদিয়া আনোয়ার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে কিউএস র‌্যাঙ্কিংস মেথডোলজি এবং কিউএস র‌্যাঙ্কিংস ২০২৮ সাইকেল বিষয়ে পৃথক দুটি সেশন অনুষ্ঠিত হয়। ফোরামে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের অংশগ্রহণে ফ্রম ক্যাম্পাস টু ক্যাপাবিলিটি: ক্লোজিং বাংলাদেশের ফিউচার স্কিলস গ্যাপ ইন দ্য এআই এরা এবং অ্যাক্সিলারেটিং ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন ইন হায়ার এডুকেশন শীর্ষক দুটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এসব আলোচনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মদক্ষতা, শিল্পের চাহিদার সঙ্গে শিক্ষার সমন্বয়, উচ্চশিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ডিজিটাল রূপান্তরের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে এআইইউবির সাবেক উপাচার্য, একাডেমিক উপদেষ্টা এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ড. কারমেন জিটা লামাগনা ধন্যবাদ বক্তব্য দেন। এআইইউবি আয়োজিত এ ফোরামে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষাবিদ, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য, নীতিনির্ধারক, সরকারি প্রতিনিধি, কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগী এবং শিল্প খাতের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬-এ উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণ, গবেষণার বৈশ্বিক দৃশ্যমানতা, শিক্ষার্থীদের ফলাফল ও সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। বিশেষ করে কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংস ২০২৮ সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য একটি অভিন্ন ও বাস্তবসম্মত প্রস্তুতি এবং উন্নয়ন রোডম্যাপ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়।— সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

জনপ্রিয় সংবাদ

এনবিআর ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় শিগগিরই পিএইচডি প্রোগ্রাম চালুর উদ্যোগ নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:৪২:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ, বৈশ্বিক মানদণ্ড এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গতকাল রাজধানীর শেরাটন হোটেলে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি)-এর উদ্যোগে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ‘কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬’।

কিউএস (কোয়াকুয়ারেলি সাইমন্ডস) আয়োজিত এ ফোরাম বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এবং অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশ (এপিইউবি)-এর সহযোগিতায় বেঞ্চমার্ক বাংলাদেশ: বিল্ডিং ওয়ার্ল্ড-ক্লাস ইউনিভার্সিটিজ থ্রু গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ডস প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত হয়।

কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।

শিক্ষামন্ত্রী তার বক্তব্যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় পিএইচডি প্রোগ্রাম চালুর প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি প্রশ্ন রাখেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন পিএইচডি প্রোগ্রাম চালুর অনুমতি দেয়া হবে না? তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৯২ সালে দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হলেও ২০২৬ সালে এসে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় গবেষণার আরো বিস্তৃত সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। তিনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, আমাদের ক্রস-বর্ডার শিক্ষা ও প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে গবেষণা দরকার।

তিনি বলেন, শিক্ষক ও গবেষকের কোনো সংকট দেখছেন না; দেশে হাজারো গবেষক রয়েছেন, যারা ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ দক্ষতা ও জ্ঞান দিয়ে দেশকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে অবদান রাখছেন। আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী।

ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান এখনো অনেক পিছিয়ে। এ অবস্থার উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মানোন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে। এর মাধ্যমে আরো বেশি বিদেশী শিক্ষার্থীকে বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে। তিনি দেশের সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে পারস্পরিক পার্থক্য ভুলে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও আন্তর্জাতিকীকরণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

কিউএসের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কিউএসের ভাইস প্রেসিডেন্ট স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল এনগেজমেন্ট ড. অশ্বিন ফার্নান্দেজ, কিউএসের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার জেসন নিউম্যান এবং কিউএসের রিজিওনাল পার্টনারশিপ বিষয়ক পরিচালক রামি আওয়াদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এআইইউবির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশ (এপিইউবি)-এর সেক্রেটারি জেনারেল ইশতিয়াক আবেদীন। এছাড়া বক্তব্য দেন এপিইউবির সভাপতি ড. মো. সবুর খান। ধন্যবাদ বক্তব্য রাখেন এআইইউবির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও চেয়ারম্যান নাদিয়া আনোয়ার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে কিউএস র‌্যাঙ্কিংস মেথডোলজি এবং কিউএস র‌্যাঙ্কিংস ২০২৮ সাইকেল বিষয়ে পৃথক দুটি সেশন অনুষ্ঠিত হয়। ফোরামে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের অংশগ্রহণে ফ্রম ক্যাম্পাস টু ক্যাপাবিলিটি: ক্লোজিং বাংলাদেশের ফিউচার স্কিলস গ্যাপ ইন দ্য এআই এরা এবং অ্যাক্সিলারেটিং ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন ইন হায়ার এডুকেশন শীর্ষক দুটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এসব আলোচনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মদক্ষতা, শিল্পের চাহিদার সঙ্গে শিক্ষার সমন্বয়, উচ্চশিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ডিজিটাল রূপান্তরের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে এআইইউবির সাবেক উপাচার্য, একাডেমিক উপদেষ্টা এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ড. কারমেন জিটা লামাগনা ধন্যবাদ বক্তব্য দেন। এআইইউবি আয়োজিত এ ফোরামে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষাবিদ, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য, নীতিনির্ধারক, সরকারি প্রতিনিধি, কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগী এবং শিল্প খাতের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬-এ উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণ, গবেষণার বৈশ্বিক দৃশ্যমানতা, শিক্ষার্থীদের ফলাফল ও সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। বিশেষ করে কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংস ২০২৮ সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য একটি অভিন্ন ও বাস্তবসম্মত প্রস্তুতি এবং উন্নয়ন রোডম্যাপ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়।— সংবাদ বিজ্ঞপ্তি