ঢাকা ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হকারদের জন্য কয়েকটি মাঠে অস্থায়ী মার্কেটের পরিকল্পনা ডিএনসিসির

রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হকারদের জন্য কয়েকটি খোলা মাঠে অস্থায়ী মার্কেট গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) গুলশানের রেনেসাঁ হোটেলে ‘ঢাকা কি মৃত নগরী হতে যাচ্ছে’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম বাংলাদেশ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, নির্ধারিত এসব স্থানে হকারদের নিবন্ধনের মাধ্যমে বসানো হবে এবং একটি নির্দিষ্ট ফি আদায়ের মাধ্যমে স্থানগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে-এমন পরিকল্পনা ডিএনসিসির পক্ষ থেকে করা হচ্ছে।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ফুটপাতে আগে যেখানে ২০০ হকার ছিল, এখন তা বেড়ে প্রায় দুই হাজারে দাঁড়িয়েছে। এতে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। হকারদের জন্য নির্ধারিত জায়গাগুলোতে স্থায়ী স্থাপনা করা যাবে না। চৌকি বা ট্রলির মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে এবং প্রতিদিনের শেষে তা সরিয়ে নিতে হবে। আমরা যা করি, তার অধিকাংশই সাময়িক। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।

এছাড়া সিটি কর্পোরেশন, ওয়াসা, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে একটি কর্তৃপক্ষের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে রাজউক চেয়ারম্যান মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, নগর সেবাগুলোকে এক ছাতার নিচে আনা গেলে সমন্বয়হীনতা কমবে এবং সেবার মান বাড়বে। তথ্যের ঘাটতির কারণে অনেক ক্ষেত্রে সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ব্যাহত হচ্ছে যদিও রাজধানীর যানজট নিরসনে পার্কিং স্পেস উদ্ধারে কাজ চলছে।

আলোচনা সভায় স্থপতি সুজাউল ইসলাম খান, ঢাকা ওয়াসার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর হাছিন আহমেদসহ সেবা খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ-নেপা‌ল ব্যবসায়িক সংযোগ জোরদারে গুরুত্ব দিলেন রাষ্ট্রদূত

হকারদের জন্য কয়েকটি মাঠে অস্থায়ী মার্কেটের পরিকল্পনা ডিএনসিসির

আপডেট সময় : ০৪:১০:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হকারদের জন্য কয়েকটি খোলা মাঠে অস্থায়ী মার্কেট গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) গুলশানের রেনেসাঁ হোটেলে ‘ঢাকা কি মৃত নগরী হতে যাচ্ছে’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম বাংলাদেশ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, নির্ধারিত এসব স্থানে হকারদের নিবন্ধনের মাধ্যমে বসানো হবে এবং একটি নির্দিষ্ট ফি আদায়ের মাধ্যমে স্থানগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে-এমন পরিকল্পনা ডিএনসিসির পক্ষ থেকে করা হচ্ছে।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ফুটপাতে আগে যেখানে ২০০ হকার ছিল, এখন তা বেড়ে প্রায় দুই হাজারে দাঁড়িয়েছে। এতে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। হকারদের জন্য নির্ধারিত জায়গাগুলোতে স্থায়ী স্থাপনা করা যাবে না। চৌকি বা ট্রলির মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে এবং প্রতিদিনের শেষে তা সরিয়ে নিতে হবে। আমরা যা করি, তার অধিকাংশই সাময়িক। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।

এছাড়া সিটি কর্পোরেশন, ওয়াসা, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে একটি কর্তৃপক্ষের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে রাজউক চেয়ারম্যান মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, নগর সেবাগুলোকে এক ছাতার নিচে আনা গেলে সমন্বয়হীনতা কমবে এবং সেবার মান বাড়বে। তথ্যের ঘাটতির কারণে অনেক ক্ষেত্রে সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ব্যাহত হচ্ছে যদিও রাজধানীর যানজট নিরসনে পার্কিং স্পেস উদ্ধারে কাজ চলছে।

আলোচনা সভায় স্থপতি সুজাউল ইসলাম খান, ঢাকা ওয়াসার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর হাছিন আহমেদসহ সেবা খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।