ঢাকা ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের কেন্দ্রে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা

মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের কেন্দ্রে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা



ফটোকার্ড ডাউনলোড

 হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ ও সামরিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার জবাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের প্রধান কার্যালয় লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটির এলিট সামরিক শাখা ‘ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী’ (আইআরজিসি) ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে এই বড় ধরনের সামরিক অভিযান পরিচালনা করে।

আইআরজিসি’র জনসংযোগ বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার শুরু হয় গত রাতে। হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি এলাকায় ইরানের একটি তেলবাহী জাহাজে আকাশপথে হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। এই হামলায় ইরানি তেলবাহী জাহাজটির ইঞ্জিন রুম বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

হরমুজ প্রণালীর আন্তর্জাতিক নিয়ম লঙ্ঘন এবং এই আগ্রাসনের জবাবে দ্রুত পদক্ষেপ নেয় ইরান। আইআরজিসির নৌবাহিনী পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ‘পানায়া’ নামে একটি মার্কিন-জায়নিস্ট মালিকানাধীন জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।

এর কিছুক্ষণ পরই মার্কিন বাহিনী আবারও উসকানিমূলক পদক্ষেপ নেয় এবং কেশম দ্বীপের দক্ষিণে অবস্থিত আইআরজিসির একটি যোগাযোগ টাওয়ার লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায়।

যোগাযোগ টাওয়ারে হামলার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর চূড়ান্ত জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে অবস্থিত মার্কিন বিমান ও হেলিকপ্টার ঘাঁটি এবং মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে একযোগে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় আইআরজিসির মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী।

এই হামলার পর আইআরজিসি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, তারা আগেই সতর্ক করেছিল যে কোনো ধরনের আগ্রাসনের জবাব হবে ভিন্নধর্মী এবং আরও ভয়াবহ। বর্তমান পদক্ষেপ সেই সতর্কবার্তারই অংশ।

বিবৃতিতে ইরান আরও উল্লেখ করেছে, এই পাল্টা আঘাত মার্কিন বাহিনীর জন্য একটি বড় শিক্ষা হওয়া উচিত। সেই সঙ্গে তারা নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক পরিবেশ বিঘ্নিত করার চেষ্টা করা হলে আগ্রাসী মার্কিন বাহিনীকে এর চেয়েও কঠোর মূল্য দিতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশকে শক্তিশালী না করলে কী হবে? সাংবাদিকদের উদ্দেশে যে বার্তা দিলেন আইজিপি

মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের কেন্দ্রে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা

আপডেট সময় : ১০:২২:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬


ফটোকার্ড ডাউনলোড

 হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ ও সামরিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার জবাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের প্রধান কার্যালয় লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটির এলিট সামরিক শাখা ‘ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী’ (আইআরজিসি) ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে এই বড় ধরনের সামরিক অভিযান পরিচালনা করে।

আইআরজিসি’র জনসংযোগ বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার শুরু হয় গত রাতে। হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি এলাকায় ইরানের একটি তেলবাহী জাহাজে আকাশপথে হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। এই হামলায় ইরানি তেলবাহী জাহাজটির ইঞ্জিন রুম বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

হরমুজ প্রণালীর আন্তর্জাতিক নিয়ম লঙ্ঘন এবং এই আগ্রাসনের জবাবে দ্রুত পদক্ষেপ নেয় ইরান। আইআরজিসির নৌবাহিনী পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ‘পানায়া’ নামে একটি মার্কিন-জায়নিস্ট মালিকানাধীন জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।

এর কিছুক্ষণ পরই মার্কিন বাহিনী আবারও উসকানিমূলক পদক্ষেপ নেয় এবং কেশম দ্বীপের দক্ষিণে অবস্থিত আইআরজিসির একটি যোগাযোগ টাওয়ার লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায়।

যোগাযোগ টাওয়ারে হামলার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর চূড়ান্ত জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে অবস্থিত মার্কিন বিমান ও হেলিকপ্টার ঘাঁটি এবং মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে একযোগে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় আইআরজিসির মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী।

এই হামলার পর আইআরজিসি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, তারা আগেই সতর্ক করেছিল যে কোনো ধরনের আগ্রাসনের জবাব হবে ভিন্নধর্মী এবং আরও ভয়াবহ। বর্তমান পদক্ষেপ সেই সতর্কবার্তারই অংশ।

বিবৃতিতে ইরান আরও উল্লেখ করেছে, এই পাল্টা আঘাত মার্কিন বাহিনীর জন্য একটি বড় শিক্ষা হওয়া উচিত। সেই সঙ্গে তারা নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক পরিবেশ বিঘ্নিত করার চেষ্টা করা হলে আগ্রাসী মার্কিন বাহিনীকে এর চেয়েও কঠোর মূল্য দিতে হবে।