ঘরোয়া ফুটবল সবচেয়ে আলোচিত এখন যতটা না মাঠে, তারচেয়ে বেশি সূচির টেবিলে। ম্যাচ পেছালে অন্য ক্লাব সেই সিদ্ধান্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এবার মোহামেডান পেরিয়ে সেই প্রশ্ন পৌঁছে গেছে আবাহনী পর্যন্ত।
১৮ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের নতুন মৌসুম। আজ শুরু হওয়ার কথা ফেডারেশন কাপ। এরই মধ্যে জাতীয় দলের ব্যস্ততা ঘিরে সূচিতে পরিবর্তন এসেছে। জাতীয় দলে মোহামেডানের নয় ফুটবলার থাকায় তাদের ২৫ ও ২৯ সেপ্টেম্বরের দুটি ম্যাচ পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করেছিল সাদা-কালোরা।
লিগ কমিটি সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে নতুন সূচিতে ২ অক্টোবর ফকিরেরপুলের বিপক্ষে লিগ এবং ৬ অক্টোবর আরামবাগের বিপক্ষে ফেডারেশন কাপে মোহামেডানের ম্যাচ পিছিয়ে দিয়েছে।
এবার একই পথে হাঁটছে আবাহনী। সোমবার বাফুফের সাধারণ সম্পাদকের কাছে পাঠানো চিঠিতে আবাহনী তাদের দুটি ম্যাচ ২২ সেপ্টেম্বর ফেডারেশন কাপ ও ২৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ফুটবল লিগ পিছিয়ে দেওয়ার জন্য আবেদন করেছে। জাতীয় দলের ক্যাম্পে থাকা আবাহনীর চার ফুটবলারের মধ্যে দুজন অনুশীলনে আহত হয়ে বর্তমানে চিকিৎসাধীন। ফলে চারজনের কেউ ওই দুই ম্যাচে খেলতে পারবেন না, ম্যাচ দুটি পিছিয়ে দেওয়ার এই যুক্তি আবাহনীর।
চিঠিতে বলা হয়েছে, নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তারা সূচিতে সম্মতি দিয়ে চার দেশি ও চার বিদেশি ফুটবলারসহ দল প্রস্তুত করেছে। কিন্তু একটি ক্লাবের আবেদনে যদি সূচি বদলানো যায়, তাহলে তাদের বাস্তব পরিস্থিতিও বিবেচনায় নেওয়া উচিত।
এর আগে ব্রাদার্স ইউনিয়ন সূচি পরিবর্তনের প্রতিবাদ জানায়। তাদের প্রশ্ন, একই পরিস্থিতিতে সবাইকে কি একই মাপকাঠিতে দেখা হচ্ছে? মৌসুম শুরুর আগে মোহামেডান, আবাহনী ও ব্রাদার্সসহ ১০ ক্লাব যৌথভাবে সূচি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল। জাতীয় দলের ব্যস্ততা, দীর্ঘ বিরতি, খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও আর্থিক চাপ তাদের উদ্বেগের কারণ।


























