জলবায়ু অর্থায়নে দেশের চাহিদা ও অগ্রাধিকারকে গুরুত্ব দিয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে কার্যকর উদ্যোগে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, জলবায়ু অর্থায়নের সুফল মানুষের জীবন-জীবিকার উন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষায় দৃশ্যমান হতে হবে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পরিবেশবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জার্মানি, ডেনমার্ক ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সভায় জলবায়ু অর্থায়নের অগ্রাধিকার স্পষ্টভাবে নির্ধারণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে বাস্তবায়নযোগ্য কার্যক্রমে রূপ দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষা ও মানুষের জীবন-জীবিকার উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক সুফল অর্জনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
আলোচনায় দেশের প্রয়োজন অনুযায়ী জলবায়ু অর্থায়ন কার্যকরভাবে কাজে লাগানো এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ফার্স্ট কাউন্সেলর ও গ্রিন ইকোনমি অ্যান্ড পাবলিক সেক্টর ইনভেস্টমেন্টস বিভাগের প্রধান টোবিয়াস বিয়ারমান এবং বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিবেশ ও জ্বালানিবিষয়ক কর্মসূচির ব্যবস্থাপক তানজিনা দিলশাদ।
এ ছাড়া ঢাকায় জার্মান দূতাবাসের কাউন্সেলর ও জার্মান উন্নয়ন সহযোগিতার প্রধান উলরিখ ক্লেপমান, ডেনমার্ক দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন অ্যান্ডার্স বি. কার্লসেন, প্রতিনিধি আলবার্টে ফ্যাক্সহোল্ম এবং ফ্রান্স দূতাবাসের সেকেন্ড কাউন্সেলর ক্রিশ্চিয়ান বেক সভায় উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও এতে অংশ নেন।
সভায় জলবায়ু অর্থায়নের অগ্রাধিকার নির্ধারণ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার এবং পরিবেশ সুরক্ষা ও মানুষের জীবন-জীবিকার উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়।




















