ঢাকা ০১:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদারীপুরে দুই কিশোরী হত্যার ঘটনায় মামলা

মাদারীপুর প্রতিনিধি
461
মাদারীপুরে দুই কিশোরীকে পৈশাচিক নির্যাতনের পর খুনের ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এতে সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮জনকে আসামি করা হয়েছে। আজ দুপুরে খুন হওয়া কিশোরী সুমাইয়ার বাবা বিল্লাল শিকদার মামলাটি দায়ের করেন। গত বৃহস্পতিবার মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর ছোট্ট বাজার এলাকায় পৈশাচিক নির্যাতনের পর অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার ও হ্যাপী আক্তারের মুখে বিষ ঢেলে দেয়া হয়। হাসপাতালে নেয়ার পরেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে দুই বান্ধবী। মাদারীপুর সদর থানার সেকেন্ড অফিসার ফায়েকুজ্জামান জানান, ধারণা করা হচ্ছে একই গ্রামের রানা ও মেহেদী ঘটনার সঙ্গে জড়িত। রানা ওই এলাকার শওকত খলিফার ছেলে এবং মেহেদী ফজজুল কবিরের ছেলে। রানার নিহত দুই স্কুল ছাত্রী সুমাইয়া ও হ্যাপীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি প্রাথমিক ভাবে আমাদের কাছে ত্রিভূজ প্রেমের ঘটনা বলে মনে হচ্ছে। এরই জের ধরে উক্ত খুনের ঘটনা ঘটতে পারে।
পুলিশ শুক্রবার সকালে একই গ্রামের রানার মা সালমা বেগম এবং মেহেদির মা রহিমা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে সদর থানার পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই মেহেদি ও রানাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা পলাতক আছে। নিহতদের লাশ ময়নাতদন্ত করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এঘটনায় রানা ও মেহেদীসহ ৬জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাজেট অন্তর্ভুক্তিমূলক, জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে

মাদারীপুরে দুই কিশোরী হত্যার ঘটনায় মামলা

আপডেট সময় : ১০:২১:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০১৫

মাদারীপুর প্রতিনিধি
461
মাদারীপুরে দুই কিশোরীকে পৈশাচিক নির্যাতনের পর খুনের ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এতে সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮জনকে আসামি করা হয়েছে। আজ দুপুরে খুন হওয়া কিশোরী সুমাইয়ার বাবা বিল্লাল শিকদার মামলাটি দায়ের করেন। গত বৃহস্পতিবার মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর ছোট্ট বাজার এলাকায় পৈশাচিক নির্যাতনের পর অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার ও হ্যাপী আক্তারের মুখে বিষ ঢেলে দেয়া হয়। হাসপাতালে নেয়ার পরেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে দুই বান্ধবী। মাদারীপুর সদর থানার সেকেন্ড অফিসার ফায়েকুজ্জামান জানান, ধারণা করা হচ্ছে একই গ্রামের রানা ও মেহেদী ঘটনার সঙ্গে জড়িত। রানা ওই এলাকার শওকত খলিফার ছেলে এবং মেহেদী ফজজুল কবিরের ছেলে। রানার নিহত দুই স্কুল ছাত্রী সুমাইয়া ও হ্যাপীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি প্রাথমিক ভাবে আমাদের কাছে ত্রিভূজ প্রেমের ঘটনা বলে মনে হচ্ছে। এরই জের ধরে উক্ত খুনের ঘটনা ঘটতে পারে।
পুলিশ শুক্রবার সকালে একই গ্রামের রানার মা সালমা বেগম এবং মেহেদির মা রহিমা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে সদর থানার পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই মেহেদি ও রানাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা পলাতক আছে। নিহতদের লাশ ময়নাতদন্ত করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এঘটনায় রানা ও মেহেদীসহ ৬জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।